আজ পবিত্র আশুরা

আপডেট: সেপ্টেম্বর ২১, ২০১৮

আজ শুক্রবার পবিত্র আশুরা। যথাযোগ্য মর্যাদায় ও কর্মসূচিতে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও পবিত্র আশুরা পালিত হবে। পবিত্র আশুরা উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন। এ উপলক্ষে আজ শুক্রবার সরকারি ছুটি।

হিজরি ৬১ সনের ১০ মহররম এই দিনে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর দৌহিত্র হযরত ইমাম হোসেইন (রা.) এবং তার পরিবার ও অনুসারীরা সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে যুদ্ধ করতে গিয়ে ফোরাত নদীর তীরে কারবালা প্রান্তরে ইয়াজিদ বাহিনীর হাতে শহীদ হন।

আরো পড়ুন:ঢাকায় আশুরার প্রস্তুতি সম্পন্ন, শান্তিপূর্ণ শোক মিছিল

এ ঘটনা স্মরণ করে বিশ্ব মুসলিম যথাযোগ্য মর্যাদায় দিনটি পালন করে থাকে।

শান্তি ও সম্প্রীতির ধর্ম ইসলামের মহান আদর্শকে সমুন্নত রাখতে তাদের এই আত্মত্যাগ মানবতার ইতিহাসে সমুজ্জ্বল হয়ে রয়েছে। কারবালার এই শোকাবহ ঘটনা ও পবিত্র আশুরার শাশ্বত বাণী সকলকে অন্যায় ও অত্যাচারের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে এবং সত্য ও সুন্দরের পথে চলতে প্রেরণা যোগায়।

এ উপলক্ষে রাজধানী ঢাকাসহ দেশব্যাপী বিভিন্ন ধর্মীয় সংগঠন নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। আজ হোসনি দালানসহ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় তাজিয়া মিছিল বের হবে। মিছিলটি ধানমন্ডি লেকে এসে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

আরো পড়ুন:

কড়া নিরাপত্তায় রাজধানীতে তাজিয়া মিছিল

আপডেট: সেপ্টেম্বর ২১, ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক:
পবিত্র আশুরা উপলক্ষে রাজধানীতে কড়া নিরাপত্তায় তাজিয়া মিছিল শুরু হয়েছে। শুক্রবার সকাল ১০টায় পুরান ঢাকার হোসেনি দালান ইমামবাড়া থেকে এ মিছিল শুরু হয়। মিছিলটি ধানমন্ডি লেকের কাছে প্রতীকী কারবালায় গিয়ে শেষ হবে। শিয়া সম্প্রদায়ের লোকেরা সাদা ও কালো পোশাক পরে হাতে নানা ধরনের পতাকা নিয়ে মিছিলে যোগ দিয়েছেন।

হোসনি দালান থেকে বের হওয়া মিছিলে অংশ নেন হাজারো মুসল্লি। মিছিলের সামনে হাসান ও হোসাইন নামে দুটি ঘোড়া রয়েছে। হোসাইন নামের ঘোড়াটি রক্তে রাঙানো রয়েছে। তাজিয়া তৈরি করা হয়েছে ইমাম হোসেনের সমাধির আদলে। একদল রয়েছেন যারা শোকের গান গাইতে গাইতে সামনের দিকে এগুচ্ছেন। এছাড়া অনেকেই বুক চাপড়ে ‘হায় হোসেন, হায় হোসেন’ বলে মাতম করছেন।
এদিকে শিয়া সম্প্রদায়ের এ মিছিলকে ঘিরে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। সামনে ও পেছনে পুলিশি পাহারায় মিছিলটি ধানমন্ডি লেকের দিকে রওনা হয়েছে।
এছাড়া সায়েন্সল্যাব, জিগাতলা বাসস্ট্যান্ড, রাইফেল স্কয়ার ও ধানমন্ডি লেকে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। কিছুক্ষন পর পর ধানমন্ডি জোনের পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে যাচ্ছেন। এছাড়া ধানমন্ডি লেকে জনসাধারণের চলাচলে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে।

হোসনি দালানের সুপারিনটেনডেন্ট এম এম ফিরোজ হোসাইন বলেন, এবার তাজিয়া মিছিল উপলক্ষে ৩০০ নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবক কাজ করছে। এর পাশাপাশি নিয়োজিত রয়েছে র‍্যাব, পুলিশের ৫ শতাধিক সদস্য। আশা করছি, কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা ছাড়া সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হবে তাজিয়া মিছিল।

দুপুর ১টার মধ্যে তাজিয়া মিছিল শেষ করার নির্দেশনা রয়েছে। মিছিলটি হোসনি দালান থেকে ধানমন্ডি লেকে স্থাপিত প্রতিকী কারবালায় গিয়ে শেষ হবে।