আ’লীগের সন্ত্রাসীরা ধানের শীষের পোস্টারও লাগাতে দিচ্ছে না – ইশরাক

আপডেট: জানুয়ারি ১৫, ২০২০
0

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন বিএনপি মনোনীত মেয়র প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন অভিযোগ করে বলেছেন, সন্ত্রাসীরা অনেক জায়গায় ধানের শীষের পোস্টার লাগাতে বাধা দিচ্ছে। বিভিন্ন স্থানে লাগানো পোস্টার ছিড়ে ফেলা হচ্ছে। এসব বিষয়ে নির্বাচন কমিশনে আমরা প্রতিদিনেই অভিযোগ করছি। কিন্তু কমিশনের দিক থেকে কোন উদ্যোগ দেখছি না। এটা লেভেল প্লেয়িং-এর নমুনা হতে পারে না। আজ বুধবার বেলা একটায় ধানমন্ডি বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে থেকে নির্বাচনী প্রচারণা শুরুর আগে তিনি এসব কথা বলেন।

এসময় অন্যদের মধ্যে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব-উন নবী খান সোহেল, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, এডভোকেট শিমুল বিশ্বাস, সুলতান সালাহ উদ্দিন টুকু, জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সভাপাতি ফজলুর রহমান খোকনসহ ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

অবিভক্ত ঢাকার সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার বড় ছেলে ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন বলেন, প্রতিদিনেই বিভিন্ন এলাকা থেকে ধানের শীষের পোস্টার ছিঁড়ে ফেলা হচ্ছে। পোস্টার লাগাতে বাঁধা দেয়া এবং কর্মীদের মারধর ও পুলিশে ধরিয়ে দেয়ার হুমকি দেয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের কোন প্রার্থীই নির্বাচনী আচরণ বিধি মানছে না।

আগামী ৩০ ডিসেম্বর সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় উৎসব সম্পর্কিত সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন বলেন, অবশ্যই নির্বাচন কমিশনকে বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা উচিত। মুসলমানদের ঈদের দিন এমন একটি আয়োজন হলে আমাদেরও খারাপ লাগতো। তবে যেহেতু বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছে, তাই এ ব্যাপারে নিয়ে চূড়ান্ত কোন মন্তব্য করতে চাইনা।
বিএনপি প্রার্থী ইশরাক হোসেন নির্বাচনী প্রচারনার ষষ্ঠদিন আজ ধানমন্ডি ১৪ নং সড়কে বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে থেকে বেলা একটায় নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেন। রাস্তার দুপাশে দাড়িয়ে থেকে নারী-পুরুষসহ নানা শ্রেণী-পেশার মানুষ হাত নেড়ে, করতালি দিয়ে ধানের শীষের প্রার্থীর প্রতি সমর্থন জানান। তিনিও হাত নেড়ে জনতার শুভেচ্ছার জবাব দেন। ধানমন্ডি ১৫ নম্বর ঝিকাতলা হয়ে হাজারীবাগ, রায়েরবাজার এলাকায় গণসংযোগ করেন ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন। এসময় স্থানীয় হাজার হাজার নারী-পুরুষ গণসংযোগে অংশ নেন।
হাজারীবাগে এক পথসভায় ইশরাক হোসেন বলেন, ‘হাজারীবাগ মহানগরির অধীন হলেও এ এলাকার মানুষ আধুনিক সুযোগ সুবিধা পাচ্ছেনা। আমরা নির্বাচিত হলে আধুনিক ঢাকার সঙ্গে তাল মিলিয়ে হাজারীবাগের উন্নয়ন করবো। হাজারীবাগে বিরাজমান সমস্যা দূরীকরণ, বায়ু দূষণসহ পরিবেশ উন্নয়নে সর্বোচ্চ গুরূত্ব দেয়া হবে।’
গণসংযোগে বিপুল সংখক কর্মী-সমর্থক এবং সাধারন মানুষের অংশগ্রহণকে শো-ডাউন বলে আওয়ামী লীগ যে অভিযোগ করছে তা নাকচ করে তিনি বলেন, এটা শো-ডাউন নয়। এটি এলাকার মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ। এটি বিএনপির প্রতি সাধারণ মানুষের ব্যাপক সমর্থনের বহিঃপ্রকাশ।

LEAVE A REPLY