উত্তাল সমুদ্র, গাছ-বিদ্যুতের খুঁটি উপড়ে ভারতে আছড়ে পড়ল তিতলি

আপডেট: অক্টোবর ১১, ২০১৮

র্ণিঝড়ের প্রভাবে লণ্ডভণ্ড ওড়িশার গোপালপুর। বাড়ছে ঝড়ের গতিবেগ।

পশ্চিমবঙ্গের দিকে ঝড়ের ততটা প্রভাব না পড়লেও ওড়িশা ও অন্ধ্রপ্রদেশে তিতলির প্রভাব পড়েছে মারাত্মক।

তবে ঝড় না হলেও প্রবল বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে এ রাজ্যে।

সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ওড়িশার গঞ্জাম জেলা। এ ছাড়াও ওড়িশার বেরহামপুরে মারাত্মক প্রভাব পড়েছে তিতলির।

প্রভাব পড়েছে ভুবনেশ্বর ও পুরীতেও।

মূলত দুই রাজ্যের উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে ব্যাপক প্রভাব পড়েছে।

ধসে গিয়েছে অসংখ্য মাটির বাড়ি।

অন্ধ্রপ্রদেশের শ্রীকাকুলামের কাছে বিশাখাপত্তনমের দিকে এগোচ্ছে তিতলি।

এই জেলাতেও মারাত্মক প্রভাব পড়েছে ঘূর্ণিঝড়ের।

প্রবল ঝড় ও বৃষ্টির পর প্রশাসনের তরফে গঞ্জাম ও বেরহামপুরের বাসিন্দাদের নিরাপদে সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে প্রশাসনের তরফে।

গোপালপুর ও বেরহামপুরের সঙ্গে সড়কপথে যোগাযোগ আপাতত বিচ্ছিন্ন। দক্ষিণ-পূর্ব রেলের একাধিক জায়গায় ছিঁড়ে গিয়েছে ওভারহেড তার।

ওড়িশা, অন্ধ্রপ্রদেশ থেকে বাতিল হয়েছে একাধিক ট্রেন।

ঘূর্ণিঝড়ের পরই সমুদ্র তীরবর্তী হোটেলগুলি খালি করে দেওয়া হয়েছে। পর্যটকদের নিরাপদ স্থানে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।

গঞ্জাম ছাড়াও কেন্দাপাড়া, বেরহামপুরেও তিতলির প্রভাবে একাধিক বাড়ি ভেঙে গিয়েছে। উপড়ে গিয়েছে বিদ্যুতের খুঁটি।

তিতলি থেকে ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে, তা নিয়ে অন্ধ্রপ্রদেশ ও ওড়িশার প্রশাসনের সঙ্গে কেন্দ্রের তরফে একটি বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। উদ্ধার কাজ যাতে দ্রুত করা যায়, তা নিয়ে দুই রাজ্যের প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে। যে সমস্ত বাড়ি ভেঙে গিয়েছে, তা নতুন করে গড়ে দেওয়া নিয়েও কেন্দ্রের সঙ্গে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক করেছে ওড়িশা ও অন্ধ্র প্রশাসন।