উন্নয়নের হাজার কোটি টাকা কোথায় গেলো: ভোট কেন্দ্র দখল করলেই মেয়র হওয়া যায় না ; যোগ্যতা – সততা -দেশপ্রেম লাগে – হাবিবুন নবী খান সোহেল

0
78

নিজস্ব প্রতিবেদক:
ভোট কেন্দ্র দখল, ব্যালট বাক্স ছিনতাই, পোলিং এজেন্টদের বের করে দিয়ে মেয়র হওয়া যায় কিন্তু মেয়রশীপ করা যায়না। সেজন্য দরকার মেধা ,সততা আর দেশ প্রেম। বছরে একবার জলাবদ্ধ রাস্তায় হাটু সমান পানিতে দাড়িয়ে ফিল্মের নায়কদের  মতো ফটোসেশন না করে নগরবাসীর দুর্ভোগ  কমানোর আহবান জানান  বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ঢাকা দক্ষিণের সভাপতি হাবিব-উন-নবী খান সোহেল ।
তিনি বলেন ,‌’ ঢাকাকে জলাবদ্ধতামুক্ত করতে বিকেন্দ্রীকরণের বিকল্প নেই।

বিকেল ৩টায়  ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির গোলটেবিল মিলনায়তনে মহানগরের জলাবদ্ধতার সমস্যা  ও দূরিকরণ শীর্ষক এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।  সংবাদ সম্মেলনে জলাবদ্ধতার সমস্যা ও সমাধান শীর্ষক লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন ,প্রকৌশলী গোলাম কিবরিয়া রুমেল ( ফেলো ) । ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনালের আওতায় জলাবদ্ধতা ও দূরীকরণ শীর্ষক এক গবেষনাপত্র উপস্থাপন করেন প্রকৌশলী গোলাম কিবরিয়া রুমেল ।  সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‌’জলাবদ্ধতার জন্য এখন মানুষ মরে গেলেও  আর মাটি পায় না।’  তিনি বিভিন্ন এলাকার সমস্যা ও সমাধান  তুলে ধরেন।

এ  সময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন  বিএনপি’র যুগ্ম মহাসচিব ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি’র সভাপতি হাবিব উন নবী খান সোহেল।  সংবাদ সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি’র কেন্দ্রীয় নেতা ,সিনিয়র সাংবাদিক কাদের গনি চৌধুরী।  অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন নগর উন্নয়ন সাংবাদিক ফোরামের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক সিনিয়র সাংবাদিক মাহমুদা ডলি , বাংলাদেশ অনলাইন মিডিয়া এসোসিয়েশন (বোমা)র সাধারন সম্পাদক শরিফুল ইসলাম খান ,ঢাকা মহানগর বিএনপির দফতর সম্পাদক সাইয়েদুজ্জামান মিন্টু প্রমূখ।

প্রধান অতিথি’র বক্তব্যে হাবিব উন নবী খান সোহেল বলেন,  ‌‌`গত ২০১৬-২০১৭ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেট অনুযায়ী ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন সড়ক ও ট্রাফিক অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ ও উন্নয়ন বাবদ ৭০১ কোটি ৮৩ লাখ টাকা ব্যয় করেছে।  ঢাকা উত্তর সিটিতে এ বছরই প্রায় ৬০০ কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়েছে। এ ছাড়া সড়ক, নালা ও ফুটপাতের দৈনন্দিন মেরামতের জন্য বরাদ্দ আছে ১৮০ কোটি টাকা। তারপরও দেখা যাচ্ছে রাস্তাঘাটে মানুষের দুর্ভোগ তো কমছেই না, বরং বাড়ছে। এতোগুলো টাকা কোথায় গেলো? এর তিন ভাগের একভাগও যদি  রাজধানীর উন্নয়ন কাজে ব্যয় হতো । তাহলে এতো দূর্ভোগ নগরবাসীর তো থাকারই কথা নয়। কিন্তু প্রতিশ্রুতিতেই সীমাবদ্ধ রাজধানীর জলাবদ্ধতা নিরসন ।কিন্তু এ টাকা কোথায়?

কাদের গনি চৌধুরী বলেন, ‌’ নগরীর ২৬ খাল, জলাধার, এবং বুড়িগঙ্গাসহ বড় নদীগুলআ যদি দখলমুক্ত করা না যায় তাহলে বিপজ্জনক অবস্থায় পড়ে যাবে ঢাকাসহ সারাদেশ।

ঢাকাকে বাচাঁতে হলে ২৬ খাল উদ্ধারসহ অবৈধ নকশা বর্হিভূত ইমরাত নির্মানও বন্ধ করা জরুরী । নইলে ঢাকা শহরে বাস অযোগ্য হয়ে পড়বে।

প্রকৌশলী গোলাম কিবরিয়া রুমেল জলাবদ্ধতা নিরসনে কতগুলো তুলে ধরেন। একই সঙ্গে ঢাকাকে জলাবদ্ধতামুক্ত এবং সুন্দর শহর গড়ার জন্য বিকেন্দ্রীকরণের বিকল্প নেই বলেও মন্তব্য করেন্।

LEAVE A REPLY