কওমি শিক্ষাব্যবস্থা মূলধারার উপরই আছে, শিক্ষামন্ত্রীর বক্তব্য বিভ্রান্তিমূলক- জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম

আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৫, ২০১৯

 

জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ’র সভাপতি আল্লামা আব্দুল মুমিন শায়েখে ইমামবাড়ি ও মহাসচিব আল্লামা নূর হোসাইন কাসেমী বলেছেন, কওমি মাদ্রাসার দাওরায়ে হাদীসের সনদের সরকারী স্বীকৃতি নেওয়া হয়েছে দেওবন্দের উসূলে হাসতেগানা, নীতি-আদর্শ, শিক্ষাকারিকুলাম ও স্বকীয়তাবোধ পরিপূণরূপে বজায় থাকার শর্তের উপর ভিত্তি করে। এসকল শর্তে বিন্দুপরিমাণও ছাড় দেওয়া বা আপোষ করার সুযোগ নেই। শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি’র গত ৩ ফেব্রুয়ারী সংসদে ‘কওমী শিক্ষাকে বাংলাদেশের প্রচলিত মূলধারার শিক্ষায় অন্তর্ভুক্ত করতে চাই’ বলে যে বক্তব্য বিভিন্ন গণমাধ্যমে এসেছে, আমরা এর জোরালো প্রতিবাদ করছি। দেশের কওমি মাদ্রাসাসমূহ মূল ধারার উপরই আছে। ভারতের দারুল উলূম দেওবন্দ যেভাবে চলছে, আমাদের দেশের কওমি মাদ্রাসাসমূহও একই পদ্ধতি অনুসরণ করে পরিচালিত হবে।
আজ (৫ ফেব্রুয়ারী) মঙ্গলবার এক যৌথ বিবৃতিতে জমিয়ত নেতৃদ্বয় এসব কথা বলেন।
বিবৃতিতে আরো বলা হয়, বাংলাদেশের কওমি মাদ্রাসাসমূহ ভারতের দারুল উলূম দেওবন্দের শিক্ষাপদ্ধতি ও নীতি-আদর্শ অনুসরণ করে পরিচালিত হয়ে থাকে। সনদ স্বীকৃতির সরকারী প্রজ্ঞাপনেও এটা শতভাগ অটূট রাখার উপর পরিষ্কার অঙ্গিকার আছে। শিক্ষামন্ত্রী ‘প্রচলিত মূলধারার শিক্ষায় অন্তর্ভুক্ত করা’র কথা বলে নতুন করে বিভ্রান্তি তৈরির চেষ্টা করছেন। এমন বক্তব্য একেবারেই অনাকাঙ্খিত।
জমিয়ত নেতৃদ্বয় বলেন, দেশের আলেম সমাজ কওমি স্বকীয়তাবোধ অটূট রাখার বিষয়ে ঐক্যবদ্ধ এবং সচেতন রয়েছেন। শ্রুতিমধুর বক্তব্য দিয়ে আলেম-উলামাকে বিভ্রান্ত করে কওমি স্বকীয়তার কোনরূপ ক্ষতি করা যাবে না। ঈমান-আক্বীদা ও কওমি মাদ্রাসা শিক্ষার স্বকীয়তা বিরোধী যে কোন ষড়যন্ত্র ও আঘাত আলেম সমাজ ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিহত করবে, ইনশাআল্লাহ।