কবি সুফিয়া কামালের ২০তম মৃত্যুবার্ষিকীতে স্মরণসভা অনুষ্ঠিত

আপডেট: নভেম্বর ২০, ২০১৯
0

বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের উদ্যোগে আজ বিকেলে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সুফিয়া কামাল ভবন মিলনায়তনসংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি কবি সুফিয়া কামালের ২০তম মৃত্যুবার্ষিকী পালনের জন্য স্মরণসভার আয়োজন করা হয়েছে।

সভার শুরুতে কবি সুফিয়া কামালের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়। এরপর সংগীত পরিবেশন করেন উদীচী শিল্পী
গোষ্ঠীর কেন্দ্রীয় কমিটির সংগীত বিষয়ক সম্পাদক সুরাইয়া পারভীন। স্মরণসভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ডা. ফওজিয়া মোসলেম।

তিনি বলেন সুফিয়া কামাল ছিলেন প্রগতির ধারক ও বাহক। তাঁর মধ্যে ছিল সামাজিক দায়বদ্ধতা। তাকে নিয়ে স্মারকবক্তৃতাার আয়োজন হয়। ব্যভক্তিগত ও জাতীয়ভাবে গবেষণা হয়। এসব যথেষ্ট নয়। আরো গবেষণা হওয়া দরকার।

সভার শুরুতে সংগঠনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাখী দাশ পুরকায়স্থ বলেন আজকের যেকোন সংকটে সুফিয়া কামালকে অনুভব করি প্রতি মুহূর্তে। বয়সের ভারে তিনি কখনো ভারাক্রান্ত হননি। চিন্তা ও চেতনায় ছিলেন তরুণ মনস্ক। আজ আমরা যে নারী মুক্তির কথা বলি তিনি এই নারী মুক্তি মানে মানবমুক্তি মনে করতেন।

১৯৯৩ সনে ভিয়েনা সম্মেলনে যে নারী অধিকারকে মানবাধিকার বলা হলো এটি সুফিয়া কামাল বলেছিলেন ১৯৯১ সালে। অর্থাৎ সময়ের তুলনায় তিনি ছিলেন অনেক উন্নত ও আধুনিক চিন্তার অধিকারী। বর্তমানে দেশে নারী নির্যাতনের হার বৃদ্ধি পেয়েছে, নির্যাতনের ধরণ ও পরিবর্তিত হয়েছে।

অতীতেও এসব ঘটনা তাকে আন্দোলিত করত। নারীর মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় শত প্রতিকূলতার মধ্য দিয়েও বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ বর্তমানে যে নারীমুক্তি আন্দোলন করে যাচ্ছে সেই আন্দোলন চালিয়ে নিতে তিনি অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবেন।
সভায় কবি সুফিয়া কামালের জীবন দর্শন বিষয়ে মূল আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইন্সটিটিউট এর ভাষা শিক্ষা বিভাগের গবেষক তনুশ্রী মল্লিক।

স্মরণসভার অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় কমিটির নেতৃবৃন্দ, ঢাকা মহানগর শাখার নেতৃবৃন্দ, সামাজিক প্রতিরোধ কমিটির সদস্য এবং কর্মকর্তাসহ উপস্থিত ছিলেন ৫০ জন।

স্মরণসভার অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক উম্মে সালমা বেগম।

LEAVE A REPLY