কুলাউড়া বিএনপি নেতার গ্রেফতার…. পরবর্তীতে জামিন….অতঃপর মৃত্যু

আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১২, ২০১৯

 

কুলাউড়া উপজেলার কুলাউড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন চৌধুরী (শাহিন) (৬০) আজ ১২ ফেব্রুয়ারী সকাল সাড়ে ৭টায় সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আইসিইউ ইউনিটে ইন্তেকাল করেন (ইন্নালিল্লাহে ওয়া ইন্না ইলাইহে রাজিউন)।

এফ.আই.আরে নাম না থাকা স্বত্ত্বেও রাজনৈতিক মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার এবং পরবর্তীতে জামিনে মুক্তির দিনই বাড়ীতে পৌছার পরই ষ্ট্রোক এবং অদ্য মঙ্গলবার আইসিইউ ইউনিটে অবচেতন অবস্থায় চিরবিদায়ে কুলাউড়া ইউনিয়নবাসী শোকে মুহ্যমান। সবাই বলাবলি করছে পুলিশী গ্রেফতার এবং জামিন প্রাপ্তিতে বিলম্বই তার মৃত্যুর কারণ। স্ত্রী ও ৩ কন্যা মৃত্যুর সংবাদে বাকহীন। শাসকদলের রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও পুলিশী গ্রেফতার তাদের বিলাপে বারবার প্রকাশ পেয়ে বাতাস ভারী হয়ে উঠেছে।

প্রয়াত বেলায়েত হোসেন চৌধুরী শাহিনকে এফ.আই.আরে নাম না থাকা সত্ত্বেও কুলাউড়া থানার এস.আই জহিরুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশ বাহিনী গত ২৫ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় তার গ্রামের বাড়ি মেনারমহল হতে কুলাউড়া থানায় মামলা নং- ২৪.১২.২০১৮ ধারা ১৪৩/৩৩২/৩৩৩/৩৫৩/৩০৭/৪২৭/১১৪ দঃবিঃ মামলায় সন্দিগ্ধ হিসেবে গ্রেফতার করে। জামিন প্রাপ্তিতে অহেতুক কালবিলম্ব, অতঃপর গত ২৮ জানুয়ারি মৌলভীবাজার দায়রা জজ জামিন প্রদানের পর ২৯ জানুয়ারি কারাগার হতে মুক্তি পেয়ে সন্ধ্যায় বাড়ি ফিরে গ্রেফতার, নির্যাতন ও কারাগারের লোমহর্ষক ঘটনা শুভ্যার্থীদের বর্ণনাকালে হঠাৎ অজ্ঞান হয়ে পড়লে স্থানীয় কুলাউড়া হাসপাতালে নিয়ে গেলে অবস্থার অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেটে স্থানান্তর করা হয়। অতঃপর সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউ ইউনিটে অজ্ঞান অবস্থায় ভর্তি এবং অবস্থার অবনতিতে অদ্য চিরবিদায় নেন।

অদ্য মঙ্গলবার বিকেল ৫ টায় কুলাউড়া ইউনিয়নের মেনারমহল গ্রামে জানাযার পর পারিবারিক গোরস্থানে দাফন করা হবে।

বিএনপি’র কেন্দ্রীয় নেতা, মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির সহ সভাপতি, গণতন্ত্র ও খালেদা জিয়া মুক্তি আইনজীবী আন্দোলন এর কেন্দ্রীয় কমিটির কো চেয়ারম্যান এ.ড আবেদ রাজা তাঁর মৃত্যু সংশ্লিষ্ট ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্ত দাবি করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ, বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা এবং শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।