ক্রাইস্টচার্চ হামলা: মার্কেল, এরদোগান ও সাদেক খানের মৃত্যু কামনা হামলাকারীর

আপডেট: মার্চ ১৫, ২০১৯

সন্ত্রাসী অ্যান্ডার্স ব্রেইভিকের আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে নিউজিল্যান্ডে হামলা চালিয়েছে ব্রেনটন টেরেন্ট। একই সঙ্গে সে জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মার্কেল, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তায়্যিপ এরদোগান এবং লন্ডনের মেয়র সাদেক খানের মৃত্যু কামনা করেছে। ৮৭ পৃষ্ঠার ‘ম্যানিফেস্টো’তে এসব তথ্য প্রকাশ করেছে সে।

এ খবর দিয়েছে অনলাইন ডেইলি মেইল। এতে ক্রাইস্টচার্চের হামলায় কিভাবে সে উদ্বুদ্ধ হয়েছে, তার বিস্তারিত বর্ণনা রয়েছে। ওই ‘ম্যানিফেস্টো’র নাম দিয়েছে সে ‘দ্য গ্রেট রিপ্লেসমেন্ট’। হত্যাযজ্ঞ চালানোর আগে শুক্রবার সকালে এটি প্রকাশ করে সে।

ক্রাইস্ট চার্চের মসজিদ সে কেন বাছাই করেছে এবং কিভাবে নরওয়ের ঘাতক অ্যান্ডার্স ব্রেইভিকের দ্বারা উদ্বুদ্ধ হয়েছে, তার বিস্তারিত বর্ণনা রয়েছে এতে।

উল্লেখ্য, ২০১১ সালে সন্ত্রাসী হামলায় নরওয়েতে ৭৭ জনকে হত্যা করে অ্যান্ডার্স ব্রেইভিক। এছাড়া, ওই ডকুমেন্টে সে ফিন্সবারি পার্কে হামলা চালানো সন্ত্রাসী ড্যারেন অসবোর্নের কথাও উল্লেখ করেছে। ডকুমেন্টের বিষয়ে বৃটেনের সন্ত্রাস বিরোধী গ্রুপ হোপ নট হেইট-এর নিক লোওলেস বলেছেন, ক্রাইস্টচার্চের ওই হামলা চালিয়েছে উগ্র ডানপন্থি সন্ত্রাসী। যে একটি ম্যানিফেস্টোতে হামলা চালানোর কারণ ব্যাখ্যা করেছে।
এতে টেরেন্ট দাবি করেছে, সুইডেনে সন্ত্রাসী হামলায় নিহত বালিকা এবা অকারল্যান্ডসহ অন্যদের হত্যার প্রতিবাদে সে এই হামলা চালিয়েছে। সে নিজেকে একজন সাধারণ শ্বেতাঙ্গ বলে দাবি করেছে। যে নিম্ম আয়ের খেটে খাওয়া পরিবারের সন্তান। শিক্ষার প্রতি তার আগ্রহ ছিল সামান্য। কোন বিশ্ববিদ্যালয়েও যোগ দেয়নি সে।