গত অর্থবছরে বিমানে লোকসান ২০১ কোটি টাকা

আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৭, ২০১৯

 

গত অর্থবছরে বিমানে ২০১ দশমিক ৪৭ কোটি টাকা লোকসান হয়েছে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী।

বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে চট্টগ্রাম-৪ আসনের সংসদ সদস্য দিদারুল আলমের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা জনান।

মন্ত্রী বলেন, গত ২০১৭-১৮ অর্থবছরে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের আয় ছিল চার হাজার ৯৩১ দশমিক ৬৪ কোটি টাকা।

ব্যয় ছিল পাঁচ হাজার ১৩৩ দশমিক ১১ কোটি টাকা। গত বছর বিমানে লোকসানের পরিমাণ ২০১ দশমিক ৪৭ কোটি টাকা।

নওগাঁ-৬ আসনের সংসদ সদস্য মো. ইসরাফিল আলমের অপর এক প্রশ্নের জবাবে- অভ্যন্তরীণ রুটে বিমানে ভাড়া নির্ধারণে কোনো নীতিমালা নেই বলে জানান মন্ত্রী।

তিনি বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটে ভাড়া ও ভাড়া সংক্রান্ত আইনগত নীতিমালা নেই। এয়ারলাইন্সগুলো তাদের উড়োজাহাজের আধুনিকতা, সুযোগ-সুবিধা, অপারেটিং কস্ট, ওভারহেড কস্ট, ফুয়েল কস্ট, মেইনটেনেন্স কস্ট অ্যান্ড এস্টাবলিশমেন্ট কস্ট বিবেচনা করে আইএটিএ ট্রাফিক কনফারেন্স অনুযায়ী ভাড়া নির্ধারণ করে থাকে। আইএটিএ’র এন্টি ট্রাস্ট নীতিমালা অনুযায়ী কোনো এয়ারলাইন্স ভাড়া, ট্যাক্স ও যাত্রী সংখ্যা সংক্রান্ত তথ্য আদান-প্রদান করতে পারে না।

তিনি আরও জানান, বিশ্বের অন্যান্য দেশেও এ নিয়মে চলে। ফলে ভাড়া নিধারণের কোনো নীতিমালা আপাতত নেই।

পাবনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য শামসুর রহমান শরীফের অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, পর্যাপ্ত যাত্রী না থাকায় ঈশ্বরদী বিমানবন্দরে ২০১৫ সালে মে মাসের ৩০ তারিখ থেকে বিমান চলাচল বন্ধ রয়েছে। উক্ত বিমানবন্দরের অধিগ্রহণকৃত মোট ৪৩৬ দশমিক ৬৫ একর জমির মধ্যে ২৯০ দশমিক ৭৪ একর জমি মিলিটারি ফার্ম ব্যবহার করছে। তাদের ব্যবহৃত জমি বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলরাচল কর্তৃপক্ষের অনুকূলে হস্তান্তরের পর বিমানবন্দরটি সংস্কার ও উন্নয়ন করে পুনরায় চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে।

জমি প্রাপ্তিসহ অন্যান্য উন্নয়ন ও সংস্কারমূলক কাজ সম্পাদনপূর্বক বিমানবন্দরটি চলতি অর্থবছরে পুনরায় চালু করা সম্ভব নয় বলেও জানান মন্ত্রী।