গাজীপুরে দল নেতাসহ ৬ ছিনতাইকারীকে আটক করেছে র‌্যাব-১

আপডেট: মার্চ ২২, ২০১৯

গাজীপুর সংবাদদাতাঃ গাজীপুরে দল নেতা ও তার ভাইসহ ৬ ছিনতাইকারীকে আটক করেছে র‌্যাব-১ এর সদস্যরা। এসময় তাদের কাছ থেকে ছিনতাইকৃত ১৯টি মোবাইল ফোন সেট জব্দ করা হয়েছে। শুক্রবার র‌্যাব-১ এর অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল মোঃ সারওয়ার-বিন-কাশেম এ তথ্য জানিয়েছেন।

আটককৃতরা হলো- জামালপুরের বকশীগঞ্জ থানার মিয়াপাড়া এলাকার মোতালেব হোসেনের ছেলে ছিনতাইকারী দলের নেতা মোঃ নয়ন ইসলাম ওরফে বাবু (২৫), বাবু’র ছোট ভাই মোঃ ইসমাইল হোসেন ওরফে জনি (১৮), ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা থানার লক্ষীখোলা এলাকার মৃত আব্দুল খালেক মিয়ার ছেলে মোঃ কামরুজ্জামান মিয়া (২৫), ঢাকা জেলার তুরাগ থানার নলভোগ এলাকার জমির আলীর ছেলে মোঃ শরিফুল ইসলাম (২২), চাঁদপুরের কচুয়া থানার মনপুরা আড়ং বাজার এলাকার দুলাল বেপারীর ছেলে মোঃ রাসেল বেপারী (১৯) ও পঞ্চগড় জেলা সদর থানার টুনীরহাট এলাকার সিরাজ মিয়ার ছেলে মোঃ জাহাঙ্গীর আলম (২০)।

র‌্যাব-১ এর অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল মোঃ সারওয়ার-বিন-কাশেম জানান, ছিনতাইকারী চক্রের ক’সদস্য ছিনতাইয়ের প্রস্তুতি গ্রহণের জন্য বৃহষ্পতিবার রাতে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের টঙ্গী পশ্চিম থানাধীন সেনা কল্যাণ কমার্শিয়াল কমপ্লেক্সের সামনে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের পাশে ফাঁকা জায়গায় অবস্থান করছে। এগোপন সংবাদ পেয়ে র‌্যাব-১ এর সদস্যরা সেখানে অভিযান চালিয়ে দল নেতা বাবু এবং তার ছোট ভাইসহ ছিনতাইকারী চক্রের ৬ সদস্যকে আটক করে। এসময় তাদের কাছ থেকে বিভিন্ন মডেলের ১৯টি মোবাইল ফোন সেট জব্দ করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

র‌্যাবের ওই কর্মকর্তা আরো জানান, আটককৃতদের মধ্যে দলনেতা বাবু পেশায় একজন হকার, তার ভাই জনি লেগুনার হেলপার ও কাঁচামালের আড়তে কাজ করে, কামরুল হাসান পেশায় ড্রাইভার, শরিফুল বায়িং হাউজের ক্লিনার, জাহাঙ্গীর মাছের আড়তে কাজ করে এবং রাসেল স্থানীয় একটি প্লাস্টিক কারখানায় চাকুরী করে। তারা প্রত্যেকে নিজ নিজ কাজের ফাঁকে দীর্ঘদিন ধরে ছিনতাই করে আসছিল ।

র‌্যাবের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃতরা একটি সংঘবদ্ধ ছিনতাইকারী চক্রের সক্রিয় সদস্য বলে স্বীকার করেছে। তারা পরস্পর যোগসাজশে দীর্ঘদিন যাবৎ টঙ্গী, আব্দুল্লাহপুর, চৌরাস্তা, বেড়িবাঁধ, আশুলিয়া ও আশপাশের এলাকায় পথচারী, বাস ও ট্রেনের যাত্রীদের মোবাইল, টাকা-পয়সা ও স্বর্ণালংকারসহ মূল্যবান সামগ্রী ছিনতাই করে আসছে। তারা ছিনতাইকৃত মালামাল দলের প্রধানের নিকট জমা করে। ছিনতাইকৃত মোবাইলগুলো বিভিন্ন মোবাইল সার্ভিসিংয়ের দোকানে বিক্রি করে। পরে মোবাইল সার্ভিসিং দোকানগুলো তাৎক্ষণিক মোবাইলের আইএমইআই নম্বর পরিবর্তন করে সাধারণ ক্রেতাদের নিকট বর্তমান বাজারমূল্যে বিক্রয় করে।

ক্যাপশনঃ গাজীপুরে দলনেতা ও তার ভাইসহ ছিনতাইকারী চক্রের ৬ সদস্যকে আটক করেছে র‌্যাব।
###
মোঃ রেজাউল বারী বাবুল