টঙ্গীতে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদকের গাড়িতে ডাকাতি: অস্ত্র ঠেকিয়ে স্বর্ণালঙ্কার টাকা লুট

আপডেট: মার্চ ১, ২০১৯

গাজীপুর সংবাদদাতাঃ
টঙ্গীতে সংঘবদ্ধ সড়ক ডাকাতদলের কবলে পড়ে সর্বস্ব খুইয়েছন ঢাকা রিপোর্টাস ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক কবির আহমেদ খান। সশস্ত্র ডাকাতদল জ্যামে আটকা পড়া কবির আহমেদের ব্যক্তিগত গাড়ির গ্লাস ভেঙ্গে নগদ টাকা, স্বর্ণালঙ্কার, আইফোন, গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্রসহ সর্বস্ব লুটে নেয়। এসময় গাড়িতে তার স্ত্রী ও দুই সন্তানও ছিলেন। ডাকাতদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে কবির আহমেদ আহত হয়েছেন। তিনি তাৎক্ষনিকভাবে টঙ্গী পশ্চিম থানার সহযোগিতা চেয়ে ফোন করলেও পুলিশের কোন ধরণের সহযোগিতা পাননি বলে অভিযোগ করেন।
কবির আহমেদ জানান, জ্যামের পড়ার আশঙ্কায় বৃহস্পতিবার রাতে স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে প্রাইভেটকারে তিনি গ্রামের বাড়ি ত্রিশালে যাচ্ছিলেন। রাত ১টায় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের টঙ্গীর গাজীপুরা বাঁশ পট্টির কাছে তিনি জ্যামে আটকা পড়েন। এসময় ৫-৬ জনের একটি ডাকাতদল রাম দা ও চাপাতি হাতে নিয়ে তার গাড়ির দরজা খুলতে বলে। তিনি খুলতে দেরি করায় ডাকাতরা গাড়ির ড্রাইভিং ছিটের পেছনের জানালার গ্লাস ভেঙ্গে ফেলে। এসময় ডাকাতরা ফিল্মি কায়দায় তার দুই শিশু সন্তানের গলায় দাঁড়ালো অস্ত্র ঠেকিয়ে তাদেরকে সব কিছু দিয়ে দিতে বলে। এসময় তার স্ত্রী সন্তানদের প্রাণ রক্ষায় একে একে সব অলঙ্কার খুলে দিতে বাধ্য হন। এভাবে ডাকাতরা তার ও তার স্ত্রীর স্বর্ণের ৩টি আংটি, ১টি হিরার আংটি, এক জোড়া স্বর্ণের চুড়ি নেওয়ার পর ভ্যানেটি ব্যাগ, এটিএম কার্ড ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ সব কিছু লুটে নেয়। এসময় ঘটনাস্থলের বিপরীত পাশে চেকপোস্টের পুলিশ নির্লিপ্ত ভূমিকায় ছিল বলে তিনি অভিযোগ করেন। ঘটনাটি সাথে সাথে জিএমপির টঙ্গী পশ্চিম থানার ওসিকে জানানোর পরও পুলিশ কোন ব্যবস্থা নেয়নি বলেও কবির আহমেদ খান অভিযোগ করেন। এব্যাপারে শুক্রবার তিনি বাদী হয়ে টঙ্গী পশ্চিম থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।
এব্যাপারে টঙ্গী পশ্চিম থানার ওসি ইমদাদুল হকের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, খবর পেয়েই আমি পুলিশ পাঠিয়েছিলাম। কিন্তু জ্যামের কারণে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে পারেনি। পুলিশ যথন ঘটনাস্থলে পৌছায় তখন জ্যাম ছেড়ে দেওয়ায় তারা (কবির আহমেদ) বড়বাড়ি পর্যন্ত চলে যান। ডাকাতদের ধরার জন্য বড় ধরণের প্রস্তুতি চলছে বলেও তিনি জানান।
###