‘ডিজিটাল আইনে ৯ ধারা সাংবাদিকতায় হুমকি’

আপডেট: অক্টোবর ১, ২০১৮

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল নয়, সংশোধন চায় সম্পাদক পরিষদ। আইনটি নিয়ে তথ্য, আইন, প্রযুক্তিমন্ত্রী ও তথ্য উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠক শেষে সম্পাদক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মাহফুজ আনাম এ কথা জানান।তথ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে রোববার দুপুর সাড়ে ১২টায় এ বৈঠক শুরু হয়। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার, আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক এবং প্রধানমন্ত্রীর তথ্য বিষয়ক উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী।

বৈঠক শেষে মাহফুজ আনাম বলেন, আমরা মনে করি এই আইন বাংলাদেশের আদর্শ, গণতন্ত্র ও সাংবাদিকতার পরিপন্থী। আশা করি আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার গ্রহণযোগ্য সমাধান আসবে।আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ৯টি ধারা স্বাধীন সাংবাদিকতার জন্য হুমকি বলে জানিয়েছে সম্পাদক পরিষদ। এসব ধারার বিষয়ে আলোচনার জন্য আবারও মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে উপস্থাপন করা হবে।

তিনি বলেন, আইনটি ইতোমধ্যে জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে। তবে রাষ্ট্রপতি এখনও আইনটিতে স্বাক্ষর করেননি। তাই এসব বিষয়ে আলোচনার জন্য আগামী ৩ অক্টোবরের পরে মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে আইনটি উপস্থাপন করা হবে। মন্ত্রিপরিষদের অনুমতি সাপেক্ষে এসব বিষয়ে সম্পাদক পরিষদসহ সাংবাদিক নেতাদের সঙ্গে আলোচনায় বসা হবে। আলোচনার মাধ্যমেই জটিলতা দূর হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

সম্পাদকদের মধ্যে ছিলেন— প্রথম আলোর মতিউর রহমান, ডেইলি স্টারের মাহফুজ আনাম, যুগান্তরের সাইফুল আলম, নিউএজের নূরুল কবির, মানবজমিনের মতিউর রহমান চৌধুরী, নিউজ টুডের রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ, কালের কণ্ঠের ইমদাদুল হক মিলন, ইন্ডিপেন্ডেন্টের মো. শামসুর রহমান, বাংলাদেশ প্রতিদিনের নঈম নিজাম, ইনকিলাবের এএমএম বাহাউদ্দিন, বণিক বার্তার দেওয়ান হানিফ মাহমুদ, ঢাকা ট্রিবিউনের জাফর সোবহান, সমকালের মুস্তাফিজ শফি প্রমুখ।

এদিকে, আইনটি নিয়ে বিএফইউজে ও ডিইউজে এবং ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) নেতাদের সঙ্গেও বৈঠকে বসেন তথ্যমন্ত্রী।