দুই মামলায় খালেদার জামিনের আদেশ ৫ জুলাই

আপডেট: জুন ২১, ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক:

বঙ্গবন্ধুর মৃত্যু বার্ষিকীতে জন্মদিন পালন ও যুদ্ধাপরাধীদের মদদ দেয়ার অভিযোগের পৃথক দুই মানহানি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার জামিন বিষয়ে আদেশ আগামী ৫ জুলাই ধার্য করেছেন বিচারিক আদালত।

বৃহস্পতিবার (২১ জুন) পুরান ঢাকার বকশীবাজারের অস্থায়ী আদালতে পৃথক দুই মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এদিন ধার্য করেন।

বঙ্গবন্ধুর মৃত্যু বার্ষিকীতে (কথিত ভুয়া) জন্মদিন পালনের মামলা ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট খুরশীদ আলম ও যুদ্ধাপরাধীদের মদদ দেওয়ার অভিযোগের মামলায় মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আহসান হাবীবের আদালত শুনানি শেষে এ দিন ধার্য করেন।

এরআগে গত ১৪ জুন খালেদা জিয়ার আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া দুই মামলায় জামিনের আবেদন করেছিলেন।

খালেদা জিয়ার জামিন শুনানি করেন তার আইনজীবী আব্দুর রেজ্জাক খান। আর রাষ্ট্রপক্ষে জামিনের বিরোধিতা করেন ঢাকা মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর আব্দুল্লাহ আবু।

জানা যায়, ২০১৬ সালের ০৩ নভেম্বর এবি সিদ্দিকী ‘স্বীকৃত স্বাধীনতাবিরোধীদের গাড়িতে জাতীয় পতাকা তুলে দিয়ে দেশের মানচিত্র ও জাতীয় পতাকার মানহানি ঘটানোর অভিযোগে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে ঢাকার সিএমএম আদালতে মানহানির মামলা দায়ের করেছিলেন।

২০১৭ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর তেজগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি-তদন্ত) এবিএম মশিউর রহমান যুদ্ধাপরাধীদের মদদ দেওয়া সংক্রান্ত মামলায় প্রতিবেদন দাখিল করেন।

ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০০১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি জয়লাভ করলে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া মন্ত্রিপরিষদ গঠন করেন।

ওই মন্ত্রিপরিষদে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে যারা প্রকাশ্য ও আত্মস্বীকৃত পাকিস্তানের দোসর হিসেবে নিজেদের পরিচয় প্রতিষ্ঠা করেছিলেন- সেই জামায়াত, ছাত্রশিবির, আলবদর ও আলশামস সদস্যদের মন্ত্রী ও এমপি বানান।

পরবর্তীতে ওই ব্যক্তিদের মধ্যে অনেকেই আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে যুদ্ধাপরাধী হিসেবে মৃত্যুদণ্ডসহ বিভিন্ন দণ্ডে দণ্ডিত হয়েছেন।

‘তাদের মধ্যে খালেদা জিয়ার সরকারের মন্ত্রিত্বপ্রাপ্ত মতিউর রহমান নিজামী ও আলী আহসান মোহাম্মাদ মুজাহিদের মুত্যুদণ্ড কার্যকর হয়েছে। কিন্তু তারা ক্ষমতায় থাকাকালে মন্ত্রিত্বের সুবিধা নিয়ে স্বাধীন বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা তাদের বাড়ি-গাড়িতে ব্যবহার করেছেন’।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ‘বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া স্বাধীনতাবিরোধী ব্যক্তিদের তার মন্ত্রিসভায় মন্ত্রিত্ব প্রদান করেন।

#কাশেম