ধানের শীষের বিজয় কেউ ঠেকাতে পারবে না : ড. মোশাররফ

আপডেট: জানুয়ারি ১৪, ২০২০
0

এ নির্বাচনই হবে সরকার পতন আন্দোলনের হাতিয়ার : আব্বাস

বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ বলেছেন, এ সরকারকে জনগণ চায় না। সরকার গায়ের জোরে ক্ষমতা আঁকড়ে ধরে আছে। তিনি বলেন, বিএনপি ঢাকাকে আধুনিক ও বাসযোগ্য করে গড়ে তোলার মত যোগ্য প্রার্থী মনোনয়ন দিয়েছে। ধানের শীষের প্রার্থী বিজয়ী হলে ঢাকা শহরকে আরো আধুনিক, মানবিক, মাদকমুক্ত, সন্ত্রাসমুক্ত এবং দুর্নীতিমুক্ত শহরে পরিণত করা হবে।
আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলের ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ড. খন্দকার মোশাররফ নির্বাচন কমিশনকে নিরপেক্ষ ভূমিকা পালনের আহবান জানিয়ে বলেন, আসন্ন ঢাকা সিটি করপোরেশ নির্বাচনে মানুষ ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেয়ার জন্য মুখিয়ে আছে। সুষ্ঠু ভোট হলে বিএনপি প্রার্থীর বিজয় কেউ ঠেকিয়ে রাখতে পারবে না।
দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সমন্বয়ক মির্জা আব্বাস বলেছেন, আসন্ন সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে কারচুপি হলে এই নির্বাচনই হবে সরকার পতন আন্দোলনের হাতিয়ার।
তিনি বলেন, সারা বিশ্ব ইভিএম পরিত্যাগ করছে। অথচ সরকার ও নির্বাচন কমিশন বাংলাদেশে সেই বিতর্কিত ইভিএম প্রবর্তন করছে। জনগণের সমর্থন নেই বলেই সরকার ইভিএমের মাধ্যমে কারচুপির ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। তবে এমটি হলে সরকার বড় ধরনের ভুল করবে।
মির্জা আব্বাস সরকারের প্রতি সতর্ক বাণী উচ্চারণ করে বলেন, সিটি করপোরেশনে কোন রকম বল প্রয়োগ ও জালিয়াতি হলে এখান থেকেই সরকার পতন আন্দোলন শুরু হবে।
সভায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি নির্বাচনে বিএনপির নির্বাচনী প্রচারণাসহ সার্বিক কর্মকান্ড পর্যালোচনা করা হয়। সভায় অঞ্চল ও ওয়ার্ড ভিত্তিক দায়িত্বপ্রাপ্ত কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দকে স্থানীয় নেতাকর্মীদের সমন্বয়ে কার্যক্রম জোরদার করার আহবান জানানো হয়।
সভায় দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতৃবৃন্দ স্ব স্ব ওয়ার্ডের সার্বিক কার্যাবলী তুলে ধরেন।
নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহবায়ক ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, বিএনপি ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান, নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব আবদুস সালাম, ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, এডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী, আবদুল হাই, ড. মামুন আহমেদ, সুকোমল বড়ুয়া, এডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকার, ব্যারিস্টার মাহবুব উিিদ্দন খোকন, মজিবর রহমান সারওয়ার, খায়রুল কবির খোন, হাবিব উন নবী খান সোহেল, ফজরুল হক মিলন, ড. আসাদুজ্জামান রিপন, আসাদুল হাবিব দুলু, সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, সালাহ উদ্দিন আহমেদ, শিরিন সুলতানা, কামরুজ্জামান রতন, কাজী আবুল বাশার, নাজিম উদ্দিন আলম, সুলতান সালাহ উদ্দিন টুকু, মীর শরাফত আলী সপু, হাবিবুল ইসলাম হাবিব, আবদুল মালেক, অধ্যাপক ওবায়দুল ইসলাম, শহীদুল ইসলাম বাবুল, নীলুফার চৌধুরী মনি, আমিরুল ইসলাম আলীম, হেলেন জেরিন খান, ফাহিমা নাসরিন মুন্নী, নেওয়াজ হালিমা আরলী, রাজিব আহসান, আনিসুর রহমান খোকন, আবদুল বারী ড্যানি, সেলিম ভুইয়া, হায়দার আলী লেনিন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

LEAVE A REPLY