নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্ণাঢ্য আয়োজনে নজরুল জন্মজয়ন্তী পালিত

আপডেট: জুলাই ৪, ২০১৯
0

কবি নজরুল ছিলেন বিশ শতকের নিপীড়িত মানুষের সোচ্চার কণ্ঠস্বর, অসাম্প্রদায়িক চেতনার অমর বংশীবাদক, নি¤œবর্গীয় জীবন বাস্তবতার অনবদ্য রূপকার, সাম্যবাদ, মানবতাবাদ, দ্রোহ ও প্রেমের কবি, বিদ্রোহী নটরাজ, বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি, কথাশিল্পী, সংগীত স্রষ্টা।’

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২০তম জন্মজয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে দুইদিনব্যাপী আয়োজিত অনুষ্ঠানের সমাপনী দিন বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই) আলোচনা সভায় অতিথির বক্তৃতায় জাতীয় সংসদের হুইপ মো. আতিউর রহমান আতিক এম.পি এসব কথা বলেন।

বৃহস্পতিবার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এইচ এম মোস্তাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় সম্মানিত অতিথি (গেস্ট অব অনার) হিসেবে ছিলেন বিশিষ্ট নজরুল বিশেষজ্ঞ ও জাতীয় অধ্যাপক ড. রফিকুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন ধর্ম মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব হাফেজ মাওলানা রুহুল আমীন মাদানী এম.পি, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. লুৎফুল হাসান, ময়মনসিংহ বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার মাহমুদ হাসান, ট্রেজারার অধ্যাপক মো. জালাল উদ্দিন, ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. সুব্রত কুমার দে, কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. সাহাবউদ্দিন।

শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন শিক্ষক সমিতির সভাপতি মো. শফিকুল ইসলাম ও কর্মকর্তা পরিষদের সভাপতি মো. মোকারেরম হোসেন মাসুম। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) ড. মো. হুমায়ুন কবীর।

আলোচনাসভা শেষে নজরুল গবেষণায় অবদানের জন্য অধ্যাপক ড. হায়াৎ মাহমুদ এবং নজরুল সংগীতে অবদানের জন্য শিল্পী জুলহাসউদ্দিন আহমেদকে নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় সম্মাননা-২০১৯ প্রদান করা হয়।

এদিন সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের কনফারেন্স কক্ষে বাংলাদেশ ও ভারতের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও নজরুল গবেষকদের নিয়ে আন্তর্জাতিক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

সন্ধ্যায় আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার এবং বার্ষিক শিল্পকর্ম প্রদর্শনীর বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণ করা হয়। পরে ‘গাহি সাম্যের গান’ মঞ্চে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

LEAVE A REPLY