নারায়ণগঞ্জের জনপদ লাশে কাতর : মর্মাহত মানুষ

আপডেট: এপ্রিল ১৫, ২০১৯

স্টাফ রিপোর্টার, নারায়ণগঞ্জ : নারায়ণগঞ্জে গত কয়েকদিন বেশ কয়েকটি মর্মানিমশক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। লাশে কাতর হয়ে উঠতে শুরু করেছে পুরো জনপদ। এর মধ্যে একটি হত্যাকান্ড থেকে শুরু করে অগ্নিদগ্ধ, সড়ক দুর্ঘটনার খবরে মর্মাহত মানুষ। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বার বার নেতিবাচক খবরেই আলোচনায় উঠে আসছে নারায়ণগঞ্জ।
ফতুল্লায় অগ্নিদগ্ধ মা ও তিন সন্তানের কাউকেই বাঁচানো গেল না
ফতুল্লায় গ্যাস সিলিন্ডারের লিকেজ পাইপে অগ্নিকান্ডে দগ্ধ মা ও তিন সন্তানের কাউকেই বাঁচানো গেল না। একে একে সবাই পাড়ি জমিয়েছেন না ফেরার দেশে। সর্বশেষ শুক্রবার (১২ এপ্রিল) রাত পৌনে ১১টার দিকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মারা যায় ফারিয়া (৯)। তার শরীরের ৯০ ভাগ পুড়ে গিয়েছিল। তার মৃত্যুর মধ্য দিয়ে একই পরিবারের মা ও তিন শিশু সন্তানের মৃত্যু হলো। এর আগে ৭ এপ্রিল রাতে প্রথম মারা যায় সাফওয়ান (৫)। ৮ এপ্রিল ভোরে চলে যান ফাতেমা বেগম (৩৫)। ১১ এপ্রিল দুপুরে মারা যায় রাফি (১১)।
এপ্রিল রাত সাড়ে ৮টার দিকে ফতুল্লার কুতুবপুরের গিরিধারা আবাসিক এলাকার বাসায় সিলিন্ডারের গ্যাসে ফাতেমা বেগম ও তার তিন শিশু সন্তান দগ্ধ হয়। পরে তাদের সবাইকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়।
চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, দগ্ধ ফাতেমার শরীরের ৯৪ শতাংশ, ছেলে সাফওয়ানের ৯৭ শতাংশ এবং রাফির ৯৮ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। তারা সবাই আশঙ্কাজনক অবস্থার মধ্যেই ছিলেন।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) আব্দুল খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ৬ এপ্রিল ফতুল্লা থেকে একই পরিবারের দগ্ধ চারজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। তিনজন ইতোপূর্বে মারা গেলেও বেঁচে ছিলো শিশু ফারিয়া। সর্বশেষ শুক্রবার রাতে সে মারা গেছে।