নারায়ণগঞ্জে ১২ সিন্ডিকেটের কাছে জিম্মি মানুষ : লবনের নামে খাওয়াচ্ছে বিষ

আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৩, ২০১৯
0

স্টাফ রিপোর্টার, নারায়ণগঞ্জ : ডাইং ফ্যাক্টরিতে ব্যবহারের জন্য মিথ্যা ঘোষণায় বিদেশ থেকে আমদানীকৃত ইন্ডাস্ট্রিয়াল সল্ট বা গ্লোবাল সল্ট বা শিল্প লবন যাচ্ছেন ভোক্তাদের পেটে। নারায়ণগঞ্জের কমপক্ষে এক ডজন লবন কারখানার মালিকের একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট মিথ্যা ঘোষণার মাধ্যমে আমদানীকৃত শিল্প লবনকে সাধারণ খাবার লবনের সঙ্গে মিশ্রনের মাধ্যমে খাবার লবন হিসেবে বাজারজাত করছে। এতে করে সাধারণ মানুষ রয়েছে চরম স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে। শিল্প লবনের কারণে মানবদেহে কিডনী ও লিভার ড্যামেজ সহ নানা ধরনের জটিল রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা। আর এই শিল্প লবনকে মাদকের চেয়েও ক্ষতিকর বিষ বলে মন্তব্য করেছেন লবন ব্যবসায়ীরা।
সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছে, মানবদেহের জন্য লবন একটি নিত্য প্রয়োজনীয় উপাদান। প্রতিদিন যেকোন খাবারের সঙ্গে লবন লাগেই। তবে মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর হলেও দেখতে একই রকম ও তুলনামূলক কম দামি হওয়ায় শিল্পের কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত সোডিয়াম সালফেট আমদানি করে একশ্রেণির প্রভাবশালী অসাধু ব্যবসায়ী ভোজ্য লবণ (সোডিয়াম ক্লোরাইড) হিসেবে বাজারে ছড়িয়ে দেয়া হচ্ছে। নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন লবন কারখানার মালিক ও আড়তদারদের ১২ জনের একটি সিন্ডিকেট ইন্ডাস্ট্রিয়াল সল্ট বা গ্লোবাল সল্ট বা শিল্প লবনে খাবার লবনের সঙ্গে মিশিয়ে কারসাজির মাধ্যমে হাতিয়ে নিচ্ছে কোটি কোটি টাকা। এতে করে দেশের লবন শিল্প যেমন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে তেমনি সারাদেশেই জনস্বাস্থ্য রয়েছে চরম হুমকীর মুখে। তেমনি লবন শিল্পও ক্রমশই হচ্ছে বিপর্যস্ত।
সোডিয়াম সালফেট ব্যবহৃত হচ্ছে খাবার লবন হিসেবে
সম্প্রতি দেশীয় শিল্প সুরক্ষায় স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভোজ্য লবণ আমিদানি-নিষিদ্ধ হওয়ায় শিল্প লবণের আমদানি আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে। চাহিদার দ্বিগুণের বেশি আমদানি হওয়া শিল্প লবণ খোলাবাজারে ভোজ্য লবণ হিসেবে বিক্রি হচ্ছে। আন্তর্জাতিক বাজারদর অপেক্ষা স্থানীয় বাজারে অপরিশোধিত লবণের মূল্য বেশি হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজার থেকে সোডিয়াম সালফেটের নামে সোডিয়াম ক্লোরাইড আমদানি হচ্ছে। এতে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারাচ্ছে। মিয়ানমার থেকে অপরিশোধিত লবণের অনানুষ্ঠানিক বাণিজ্য উৎসাহিত হচ্ছে। স্থানীয় অসাধু ব্যবসায়ীগণ সোডিয়াম ক্লোরাইডের সঙ্গে সোডিয়াম সালফেট মিশিয়ে বাজারজাত করার ফলে মানুষের স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে।
ট্যারিফ কমিশন বলছে, কস্টিক সোডার কাঁচামাল হিসেবে আমদানি করা সোডিয়াম সালফেট দেখতে খাওয়ার লবণের মতোই। অসাধু ব্যবসায়ীরা প্রয়োজনের চেয়ে বেশি পরিমাণ সোডিয়াম সালফেট আমদানি করে তার সঙ্গে সাবান, ডিটারজেন্ট পাউডার ও গার্মেন্ট শিল্পের কাঁচামাল হিসেবে আমদানি করা সোডিয়াম ক্লোরাইড মিশিয়ে বাজারে বিক্রি করছে।
গত অর্থবছরে ৪ গুন বেশী আমদানি
বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশনের (বিসিক) হিসাব অনুযায়ী, দেশে ভোজ্য লবণের চাহিদা ১৬ থেকে ১৭ লাখ টন, শিল্প লবণের চাহিদা ৩ লাখ ৮৩ হাজার টন। কিন্তু গত অর্থবছর দেশে শিল্পের কাঁচামাল হিসেবে ১৪ লাখ ৪০ হাজার ৭৫৮ টন লবণ আমদানি হয়েছে। অর্থাৎ গত অর্থবছরে প্রায় ৪ গুন বেশী ইন্ডাষ্ট্রিয়াল সল্ট আমদানি করা হয়েছে।
এর মধ্যে সোডিয়াম ক্লোরাইড ৮ লাখ ৯০ হাজার ১৮০ টন, হোয়াইট সোডিয়াম সালফেট ৫ লাখ ২৪ হাজার ৮৪ টন ও সোডিয়াম সালফেটস ২৬ হাজার ৫৩০ টন আমদানি হয়েছে।
রিফাইন ছাড়াই ছোট প্যাকেটে
সারাদেশে লবনের যে কয়টি বৃহৎ পাইকারী মোকাম রয়েছে তার মধ্যে নারায়ণগঞ্জের নিতাইগঞ্জ অন্যতম। এই মোকাম থেকে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে লবন সরবরাহ করা হয়ে থাকে। নারায়ণগঞ্জে বর্তমানে ২০ টির ন্যায় লবন মিল রয়েছে। এছাড়া লবন ব্যবসায়ী বা আড়তদার রয়েছেন ৩০ জনের ন্যায়। দেশী লবন চাষ করার পর এটির রং থাকে লালচে। লবন মিলে এটি রিফাইন করার পর এটির রং সাদা হয়। দেশে লবণ বাজারজাত হচ্ছে ভ্যাকুয়াম, মেকানিক্যাল ও সনাতন এ তিন পন্থায় পরিশোধন হয়ে। নারায়ণগঞ্জে দেশী লবনের সিংহভাগ আসে কক্সবাজার থেকে। দেশী লবন নারায়ণগঞ্জের মিলগুলোতে সনাতন পদ্ধতিতে লবন রিফাইন বা পরিশোধনের কাজ করে থাকে। এসিআই সল্ট লিমিটেড, ইউনাইটেড সল্ট ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, পূবালী ভ্যাকুয়াম ইভ্যাপোরেটড সল্ট প্ল্যান্ট, ডায়না ইন্টারন্যাশনাল প্রাইভেট লিমিটেড ও মোল্লা সল্ট (ট্রিপল রিফাইনড) ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, ক্রিস্টাল, মধুমতি, মুসকানসহ বেশকিছু প্রতিষ্ঠান ভ্যাকুয়াম ও মেকানিক্যাল পদ্ধতিতে পরিশোধনের পর প্যাকেটজাত লবণ হিসেবে বাজারজাত করছে।
নিতাইগঞ্জ ও আশেপাশের এলাকায় গড়ে ওঠা বেশীরভাগ লবনের মিলগুলোতে রিফাইন বা পরিশোধনের আধুনিক মেশিনারিজ নেই বললেই চলে। তারা দীর্ঘদিন ধরেই সনাতন পদ্ধতিতে লবন পরিশোধন করে আসছে। কিন্তু বর্তমানে কমপক্ষে একডজন লবন মিল ইন্ডাষ্ট্রিয়াল সল্ট বা গ্লোবাল সল্ট বা শিল্প লবনকে দেশীয় লবন বলে বাজারজাত করছে। ইন্ডাষ্ট্রিয়াল লবন বা গ্লোবাল সল্ট এর সুবিধা হচ্ছে এটি দেখতে রিফাইন করা খাবার লবনের মতোই সাদা। তাই এটি আমাদানী করার পরপর বস্তা খুলেই সাধারণ লবনের সঙ্গে মিশিয়ে ছোট ছোট প্যাকেটে ভরে বাজারজাত করা যায়। শিল্প লবন রিফাইন করতে হয়না। ফলে রিফাইন করা বাবদ টাকা বেঁচে যায়। ফলে এটি খুচরা বাজারে খাবার লবনের চাইতে কেজি প্রতি দশ থেকে বারো টাকা কমে বিক্রি করা যায়। দাম কম হওয়ায় এ লবন দেশের বাজারে ব্যাপক চলছে। আর এ সুযোগে ভোক্তাদের প্রতারণার মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে একডজনের ন্যায় লবন মিল। নারায়ণগঞ্জের কয়েকজন মিল মালিক ও আড়তদার মিলে এই সিন্ডিকেটের সক্রিয় সদস্য বলে জানা গেছে। তবে ওই সিন্ডিকেটকে ডাইংয়ে ব্যবহারের জন্য আনা ইন্ডাষ্ট্রিয়াল সল্ট বা গ্লোবাল সল্ট সরবরাহ করছে চট্টগ্রামের কয়েকজন আমদানীকারক।
রাতের আধাঁরে চলে প্যাকেটজাত
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক লবন মিল মালিক ও আড়তদাররা জানান, বাংলাদেশ লবন মিল মালিক সমিতির সহ-সভাপতি ও শাহে মদিনা সল্ট ইন্ডাষ্ট্রিজের মালিক দুলাল সাহা হলেন ওই সিন্ডিকেটের অন্যতম হোতা। তার বিক্রয় প্রতিষ্ঠান ডিএস এন্টারপ্রাইজ। এছাড়া সে কুমিল্লা সল্ট ও বাণিজ্যালয় সল্টের সঙ্গেও জড়িত। এছাড়াও আলীগঞ্জের আজমেরী সল্ট ভাড়া নেয়া চট্টগ্রামের বাসিন্দা জাহিদও এই শিল্প লবনের একজন ডিলার। তারা চট্টগ্রামের আমদানীকারকদের কাছ থেকে শিল্প লবন এনে নিজেদের কারখানায় কিংবা গোডাউনে মজুদ রেখে সেগুলো ছোট মিল মালিকদের কাছে সরবরাহ করে। ওই সকল প্রতিষ্ঠানে আমদানীকৃত ইন্ডাস্ট্রিয়াল সল্ট বা গ্লোবাল সল্ট বা শিল্প লবনকে রাতের আধাঁরে ছোট আকারের প্যাকেটে ভরে ফেলা হয়। কখনো বিএসটিআই কিংবা জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমান আদালত অভিযানে আসলে তারা যাতে পরীক্ষা করে কিছু ধরতে না পারে সেজন্য আয়োডিন মিশ্রিত সাধারণ লবনের সঙ্গেও এই শিল্প লবন মিশ্রন করা হয়। লোকচক্ষু ও প্রশাসনকে ফাঁকি দিতে গভীর রাত থেকে ভোর অবধি চলে ভেজালের এই কার্যক্রম। এছাড়া বিসিকের একজন কর্মকর্তাও ওই চক্রের সঙ্গে জড়িত বলে জানা গেছে। তাকে প্রায়শই ওইসকল কারখানায় ও আড়তে যাতায়াত করতে দেখা যায়।
হঠাৎ করেই ধনকুবের অনেকেই
কয়েক বছর আগেও ধুঁকছিল অনেকগুলো লবন কারখানার মালিক। কিন্তু হঠাৎ করেই ধনকুবের বনে গেছেন অনেকেই। তাদের কারসাজির কারণে একদিকে যেমন মানবদেহে শিল্প লবন নামক বিষ প্রবেশ করছে। ওদিকে মিথ্যা ঘোষণার মাধ্যমে আনা শিল্প লবন খাবার লবন হিসেবে চালিয়ে দিয়ে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে সিন্ডিকেটের সদস্যরা। ওই সিন্ডিকেটের সদস্যদের অনেকেই ইতিমধ্যে কোটি কোটি টাকার মালিক বনে গেছেন বলে জানা গেছে।
আমদানি-নিষিদ্ধ খাওয়ার লবণের ওপর মোট ৮৯ দশমিক ৪২ শতাংশ শুল্ককর এবং শিল্পের কাঁচামাল হিসেবে বিভিন্ন ধরনের লবণ আমদানিতে ৩৭ শতাংশ শুল্ককর আরোপিত আছে। এই হারে শুল্ক পরিশোধের পরও প্রতি কেজিতে আমদানি খরচ হয় ৫ টাকা ৬৯ পয়সা। ফলে শিল্পের কাঁচামাল হিসেবে আমদানি করে তা খাওয়ার লবণ হিসেবে বাজারে বিক্রি করা হচ্ছে। দেশীয় লবন বাজারজাত করা হচ্ছে ২৩ টাকা দরে। অথচ শিল্প লবনকে খাবার লবন হিসেবে বাজারজাত করা হচ্ছে ১৫-১৬ টাকা দরে। দাম কম হওয়ায় মফস্বল এলাকাগুলোতে এই লবন কম দামে কিনে নিচ্ছে বিভিন্ন পাইকাররা। আর সরকারের শুল্ক ফাঁকি দিয়ে কোটি কোটি টাকার মালিক বনে গেছেন অনেকেই। ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকজন লবন কারখানার মালিক একাধিক জমি, প্লট ও ফ্ল্যাটের মালিকও বনে গেছেন।
যা বলছেন মিল মালিক ও আড়তদাররা
বাংলাদেশ লবন মিল মালিক সমিতির সাবেক সভাপতি পরিতোষ কান্তি সাহা জানান, বিসিকের হিসাবে দেশে শিল্প লবণের চাহিদা পৌনে ৪ লাখ টন। অথচ গত অর্থবছর আমদানি হয়েছে প্রায় ১৫ লাখ টন। বাড়তি এই শিল্পলবণ বাজারে খাওয়ার লবণ হিসেবে বিক্রি হচ্ছে। চীন থেকে শিল্প কারখানার জন্য যে লবন আনা হচ্ছে তা হচ্ছে সোডিয়াম সালফেট। যেটি এসিড দিয়ে পরিশোধন করা। এটি মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর। শিল্প কারখানায় ব্যবহার করার মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে এগুলি আনা হলেও তা খাবার লবন হিসেবে বাজারজাত করা হচ্ছে। তিনি এ লবন বাজারজাত বন্ধে সরকারকে উদ্যোগ নেয়ার দাবী জানান।
নারায়ণগঞ্জ লবন আড়ৎদার সমিতির সাধারণ সম্পাদক সাইদুর হক লিপন জানান, চিটাগাংয়ের একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেটের মাধ্যমে প্রতিদিনই ২০ থেকে ২৫টি ট্রাকভর্তি ইন্ডাষ্ট্রিয়াল লবন বা গ্লোবাল সল্ট নারায়ণগঞ্জে আসছে। পরে নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন কারখানায় ও গোডাউনে বস্তা খুলেই বিভিন্ন খাবার লবনের ব্র্যান্ডের নামে ছোট ছোট প্যাকেটে ভরে ফেলা হচ্ছে। ইন্ডাষ্ট্রিয়াল লবন বা গ্লোবাল সল্ট এর সুবিধা হচ্ছে এটি দেখতে রিফাইন করা খাবার লবনের মতোই সাদা। তাই এটি আমাদনী করার পরপর বস্তা খুলেই ছোট ছোট প্যাকেটে ভরে বাজারজাত করা যায়। রিফাইন করতে হয়না। ফলে রিফাইন করা বাবদ টাকা বেঁচে যায়। ফলে এটি খুচরা বাজারে খাবার লবনের চাইতে কেজি প্রতি দশ থেকে বারো টাকা কমে বিক্রি করা যায়। এসকল লবন সাধারণত জামালপুর, দিনাজপুর, রংপুরসহ বিভিন্ন মফস্বল এলাকাগুলোতে সরবরাহ করা হয়ে থাকে। এই লবন মানবদেহের জন্য চরম ক্ষতিকর।
মানবদেহের জন্য মারাত্মক বিষ
যুক্তরাষ্ট্রের ডিপার্টমেন্ট অব হেলথ অ্যান্ড হিউম্যান সার্ভিসেসের তথ্য অনুযায়ী, সোডিয়াম সালফেট খেলে ডায়রিয়া ও গ্যাস্ট্রিকসহ নানা রোগে আক্রান্ত হয় মানুষ। এক পরীক্ষায় দেখা গেছে, ১৫ দিন সোডিয়াম সালফেট মিশ্রিত পানি খাওয়ানোর পর এক-তৃতীয়াংশ মুরগি মারা গেছে।
নারায়ণগঞ্জ লবন আড়ৎদার সমিতির সভাপতি মামুন জানান, এই গ্লোবাল লবন মাদকের চেয়েও ভয়ঙ্কর। মাদক মানুষকে তিলে তিলে মৃত্যুর দিকে ধাবিত করে। কিন্তু এই লবন বেশীদিন খেলে মানুষ জটিল সব রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
নারায়ণগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা মো: এহসানুল হক জানান, ইন্ডাস্ট্রিয়াল লবন খেলে মানবদেহে কিডনী, লিভার সহ নানা অঙ্গে জটিল রোগ হতে পারে।
এ বিষয়ে জানতে বাংলাদেশ লবন মিল মালিক সমিতির সহ-সভাপতি ও শাহে মদিনা সল্ট ইন্ডাস্ট্রিজের মালিক দুলাল সাহার মুঠোফোনে কল করা হলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করলেও নিরিবিলি কথা বলতে চান বলে জানান।
কোয়ালিটি সল্টের মালিক কমল সাহার মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি।
নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) সেলিম রেজা জানান, অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত আছে। এ বিষয়ে শীঘ্রই জোরালো অভিযান পরিচালনা করা হবে।

LEAVE A REPLY