‘নেহেরু ছিলেন ভারতের সবচেয়ে বড় ধর্ষক’

আপডেট: ডিসেম্বর ৯, ২০১৯
0

ভারতের তেলেঙ্গানা প্রদেশের রাজধানী হায়দারাবাদে প্রিয়াঙ্কা রেড্ডি নামে এক সুন্দরী ডাক্তার তরুণীকে গণধর্ষণের পর আগুনে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনায় ৪ অভিযুক্তই পালাতে গিয়ে পুলিশের গুলিতে নিহত হয়েছেন। এ নিয়ে গোটা ভারতে নারীর ওপর সহিংসতাবিরোধী প্রতিবাদ উঠেছে। তারকা থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষও এমন নৃশংসতার বিরুদ্ধে কথা বলছেন।

ভারতে ক্রমবর্ধমান এই নারী নিপীড়ন, ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় দেশটির প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহেরুকে দায়ী করেছেন উগ্র হিন্দুত্ববাদী নেত্রী সাধ্বী প্রাচী। এমনকি নেহেরুকে ভারতের ‘সবচেয়ে বড় ধর্ষক’ বলেও মন্তব্য করেন সাধ্বী।

গতকাল রবিবার কংগ্রেসের সাবেক সভাপতি রাহুল গান্ধীর সমালোচনা করতে গিয়ে নেহেরুর প্রসঙ্গ টানের তিনি।

সাধ্বী বলেন, ‘সন্ত্রাস, দুর্নীতি ও ধর্ষণ- এ সবকিছুই ভারতকে উপহার দিয়ে গিয়েছিলেন নেহেরু। রাহুল গান্ধী কী বলবেন? আমাদের দেশটা হলো রাম আর কৃষ্ণের দেশ। আর এ দেশটার সবচেয়ে বড় ধর্ষক ছিলেন নেহেরু। তিনিই ভারতের রাম ও কৃষ্ণের সংস্কৃতিকে ধ্বংস করে দিয়ে গেছেন।’

এর আগে গেল শনিবার কেরলের ওয়ানড়ে দেয়া এক বক্তব্যে রাহুল গান্ধী বলেন, ‘বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী গোটা ভারতে হিংসা ও ঘৃণার পরিবেশ তৈরি করেছেন। সারা দেশে ধর্ষণের মহোৎসব চলছে, অথচ প্রধানমন্ত্রী কিংবা তাঁর সরকারের মন্ত্রীরা এ ব্যাপারে চুপ। কেউ কোনও কথা বলছে না।

বিশ্বের চোখে ভারত এখন ‘ধর্ষণের রাজধানী’। ভারত কেন নিজেদের মেয়ে-বোনদের নিরাপত্তা দিতে পারছে না- গোটা বিশ্ব এখন এমন প্রশ্ন তুলেছে।’

গেল ২৭ নভেম্বর রাতে হায়দারাবাদের সামশাবাদ টোলপ্লাজার সামনে স্কুটি নষ্ট হওয়ার পর ওই চিকিৎসক তরুণী প্রিয়াঙ্কা রেড্ডিকে সহায়তার ছলে সেখান থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে ৪ জন মিলের ধারাবাহিকভাবে ধর্ষণ করে। ধষণের কারণেই ওই তরুণীর মৃত্যু হয়। মরদেহ লরিতে তুলে নেয়ার সময় মৃত জেনেও আবারও একে একে চারজনে ওই তরুণীকে ধর্ষণ করে।

এই বর্বরতা ও পাশবিকতার বিরুদ্ধে প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে উঠে ভারত। সব মহল থেকে ধর্ষকদের বিচারের দাবি উঠে।

LEAVE A REPLY