প্রশ্নফাঁস হইছে প্রমাণ হলেই পরীক্ষা বাতিল: শিক্ষামন্ত্রী

আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২, ২০১৯
0

প্রশ্নফাঁস হইছে এমন কোনো প্রমাণ হলেই আমরা সেই পরীক্ষা বাতিল করে দেব, কোনো দ্বিরুক্তি হবে না বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

আজ শনিবার সকালে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরুর আগে রাজধানীর আশকোনা একটি পরীক্ষাকেন্দ্র পরিদর্শনকালে তিনি একথা জানান। এসময় পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী এবং পরে বাংলা প্রথম পত্রের প্রশ্নপত্র খুলে পরীক্ষা কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন তিনি।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, প্রশ্ন ফাঁস হইছে এমন কোনো প্রমাণ হয়, আমরা সেই পরীক্ষা বাতিল করে দেব, কোনো দ্বিরুক্তি হবে না। কিন্তু আপনারা বুঝেন, ফেইসবুকে এমন ভুয়া ঘোষণাও আসে, আউট হয়ে গেছে। সাড়ে ২০ লাখ ছেলেমেয়ের পরীক্ষা আবার নেওয়া, তাদের দুঃশ্চিন্তার বিষয় চিন্তা করেন।

তিনি সাংবাদিকদের জানান, কোনভাবেই যেন প্রশ্নফাঁস না হয় সেই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আমাদের দিক থেকে আমরা এই প্রস্তুতি সারাদেশে নিয়েছি, সব দিক থেকে তৎপর ছিলাম। ফাঁস হওয়া প্রশ্নপত্রে কোনো পরীক্ষা হবে না।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, আজ এসএসসি ও এসএসসি ভোকেশনাল পরীক্ষার প্রথম দিন বাংলা (আবশ্যিক) প্রথমপত্র এবং মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের আওতায় কুরআন মাজিদ ও তাজবিদ অনুষ্ঠিত হবে। সকাল ১০টা থেকে বেলা একটা পর্যন্ত টানা তিন ঘণ্টা পরীক্ষা গ্রহণ চলবে। এসএসসি পরীক্ষায় বাংলা দ্বিতীয়পত্র এবং ইংরেজি প্রথম ও দ্বিতীয়পত্র ছাড়া সব বিষয়ে সৃজনশীল প্রশ্নে এবার পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে।

সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর তত্ত্বীয় পরীক্ষা ২ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হয়ে ২৬ ফেব্রুয়ারি শেষ হবে এবং ব্যবহারিক পরীক্ষা ২৭ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হয়ে ৫ মার্চ শেষ হবে। মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের তত্ত্বীয় পরীক্ষা ২ ফেব্রুয়ারি শুরু হয়ে ২৭ ফেব্রুয়ারি শেষ হবে এবং ব্যবহারিক পরীক্ষা ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হয়ে ৬ মার্চ শেষ হবে।

কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের তত্ত্বীয় পরীক্ষা ২ ফেব্রুয়ারি শুরু হয়ে ২৩ ফেব্রুয়ারি শেষ হবে এবং ব্যবহারিক পরীক্ষা ২৪ ফেব্রুয়ারি শুরু হয়ে ২৮ ফেব্রুয়ারি শেষ হবে।

মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এবার সারাদেশে ১৩১টি প্রতিষ্ঠানের মোট ৮৫টি কেন্দ্রে মোট ২১ লাখ ৩৫ হাজার ৩৩৩ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে। এদের মধ্যে আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের আওতায় এসএসসি পরীক্ষার্থী ১৭ লাখ ১০২ জন, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের আওতায় দাখিল পরীক্ষায় অংশ নেবে তিন লাখ ১০ হাজার ১৭২ জন এবং এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষায় এক লাখ ২৫ হাজার ৫৯ জন পরীক্ষার্থী রয়েছে।

LEAVE A REPLY