বিশ্ব অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি কমে ৩.৭ শতাংশ হবে : আইএমএফ

আপডেট: অক্টোবর ৯, ২০১৮

গত জুলাইয়ে চলতি বছর ও আগামী বছর বিশ্ব অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ৩.৯ শতাংশ হবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছিলো আইএমএফ। এবার তা কমিয়েছে সংস্থাটি মনে করছে, চলতি বছর ও আগামী বছর ৩ দশমিক ৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হবে বলে জানা গেছে বিবিসির খবরে।

মূলত ইউরোজোনের শ্লথ প্রবৃদ্ধি ও উদীয়মান বাজার অর্থনীতির দেশগুলোতে সংকট থাকায় এই প্রবৃদ্ধি কমবে। ব্যাপক মূল্যস্ফীতিতে থাকায় ভেনেজুয়েলা ও আর্জেন্টিনার অর্থনীতি বিশ্ব অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

এছাড়া যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে বাণিজ্যযুদ্ধের কারণে বিশ্ব অর্থনীতি ‘দরিদ্র ও আরও বিপজ্জনক’ হয়ে পড়ার ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে বলে সর্তক করেছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ )। চলতি এবং আগামী বছরে বিশ্ব অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি কমতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে সংস্থাটি।

আইএমএফের প্রধান অর্থনীতিবিদ মরিস ওবস্টফেল্ড বলেন, আরও বাণিজ্য বাধা আরোপ করা হলে অর্থনীতি, ব্যবসা ও সামষ্টিক অর্থনীতিতে ব্যাপক আঘাত আসবে। তিনি আরও বলেন, বাণিজ্যনীতি রাজনীতিতে প্রতিফলিত করে অনেক দেশই রাজনৈতিকভাবে এখন অস্থিতিশীল। এতে ঝুঁকি বাড়ছে।

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি পণ্যের ওপর ৬০ বিলিয়ন ডলার শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছে চীন। এর মধ্যে রয়েছে তরল প্রাকৃতিক গ্যাস। এদিকে গত মাসে যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে ২০০ বিলিয়ন ডলার চীনা পণ্যের ওপর শুল্ক আরোপ করে। এর জবাবেই ওই সিদ্ধান্ত নেয় চীন।

চীনের শুল্ক আরোপের পর এক টুইটে ট্রাম্প আসন্ন মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে প্রভাব না ফেলতে বেইজিংকে সতর্ক করে দেন।

২০১৯ সালে বাণিজ্যযুদ্ধের নেতিবাচক প্রভাব পড়বে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের অর্থনীতিতে। প্রবৃদ্ধি কমবে দুটি দেশেরই।

আইএমএফের প্রধান অর্থনীতিবিদ বলছেন, এই দুই দেশ কোনো সমঝোতায় না গেলে বিশ্ব অর্থনীতি আরও দরিদ্র ও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়বে। ২০১৯ সালে চীনের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি হবে ৫ শতাংশের নিচে, যা এখন ৬ দশমিক ২ শতাংশ।

২০১৯ সালে যুক্তরাজ্যের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি হবে দেড় শতাংশ। চলতি বছরে হতে পারে ১ দশমিক ৪ শতাংশ।