ব্রিটেনে মোহাম্মদ নামটি সবচেয়ে জনপ্রিয়

আপডেট: সেপ্টেম্বর ৩০, ২০১৮
মোহাম্মদ আলী, ছবি সংগৃহীত

ডেস্ক রিপোর্ট:

ব্রিটেনের জাতীয় পরিসংখ্যান অফিসের (ওএনএস) দেয়া তথ্য অনুযায়ী, এ মুহূর্তে ইংল্যান্ডে সবচেয়ে জনপ্রিয় নাম অলিভার। ২০১৩ সাল থেকে শুরু করে পরের টানা চার বছর ধরে সবচেয়ে বেশি রাখা নামের শীর্ষে রয়েছে এ নামটি। কিন্তু নামের বানানের বিষয়টি বিবেচনা করলে এই পরিসংখ্যান সহজে বদলে যেত। মুহাম্মদ হয়ত নামের তালিকার শীর্ষে থাকত।

২০১৭ সালের পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে, সে বছর ইংল্যান্ডে জন্ম নেয়া শিশুদের নামের তালিকার শীর্ষে ছিল অলিভার। ৬২৯৫ জনের নাম রাখা হয় অলিভার।

নামের তালিকার ১০ নম্বরে ছিল মুহাম্মদ। ৩৬৯১টি শিশুর নাম রাখা হয় মুহাম্মদ। কিন্তু ইংরেজিতে মুহাম্মদ নামের বানান করা হয়েছে ১৪ রকম ভাবে – মুহাম্মদ, মহম্মদ, মোহামেদ, মোহাম্মদ, মোহাম্মদ ইত্যাদি ইত্যাদি। ফলে সরকারি তালিকায় ভিন্ন ভিন্ন নাম হিসাবে বিবেচিত হয়েছে।

বিবিসি

‘খ্রিস্টানরা চির-বিলুপ্ত হতো মুহাম্মাদের (সা.) সঙ্গে মুবাহিলা হলে ‘
আপডেট: সেপ্টেম্বর ৫, ২০১৮

আজ হতে ১৪৩০ চন্দ্র-বছর আগে নবম হিজরির এই দিনে তথা ২৪ শে জিলহজ মদীনায় বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মাদ (সা.) ও নাজরানের খ্রিস্টান প্রতিনিধি দলের মধ্যে ঐতিহাসিক ‘মুবাহিলা’ হওয়ার কথা ছিল।

‘মুবাহিলা’ বলতে মিথ্যাবাদী কে তা প্রমাণের লক্ষ্যে মিথ্যাবাদীর ওপর আল্লাহর অভিশাপ বর্ষণের জন্য দোয়া বা প্রার্থনা করাকে বোঝায়। পবিত্র কুরআনের সুরা আলে ইমরানের ৬১ নম্বর আয়াতে এ প্রসঙ্গে বলা হয়েছে:

“অতঃপর তোমার কাছে জ্ঞান (কুরআন) এসে যাওয়ার পরও যদি কেউ (খ্রিস্টান) তোমার সঙ্গে তার (ঈসা)সম্পর্কে তর্ক-বিতর্ক করে, তাহলে বল- (আচ্ছা ময়দানে)এসো, আমরা আহ্বান করি আমাদের পুত্রদের এবং তোমাদের পুত্রদের এবং আমাদের নারীদের ও তোমাদের নারীদের এবং আমাদের নিজেদের বা (ঘনিষ্ঠ পুরুষ) সত্তাদের ও তোমাদের নিজেদের বা (ঘনিষ্ঠ পুরুষ) সত্তাদের; আর তারপর চল আমরা সবাই মিলে (আল্লাহর দরবারে) প্রার্থনা করি এবং মিথ্যাবাদীদের ওপর আল্লাহর অভিসম্পাত বর্ষণ করি ।”

এই ঘটনাটি ঘটেছিল খ্রিস্টানদের সঙ্গে তিন দিন ধরে বিতর্ক চলার পর। রাসূল (সা.)’র মুখে মানুষের সঙ্গে সাদৃশ্যহীন আল্লাহর পরিচয় সম্পর্কে অকাট্য যুক্তি (হযরত আদম-আ.’র উদাহরণসহ) শোনার পরও নাজরানের খ্রিস্টান প্রতিনিধিরা ঈসা (আ.)-কে আল্লাহর পুত্র বা পুত্র-আল্লাহ বলার মত অদ্ভুত বিশ্বাসের ওপর অবিচল ছিল এবং বিশ্বনবী (সা.)-কে সত্য নবী হিসেবে মানতে অস্বীকার করছিল।

‘খ্রিস্টানরা চির-বিলুপ্ত হতো মুহাম্মাদের (সা.) সঙ্গে মুবাহিলা হলে ‘