ভারত ও চীন ঢিমেতালে ছাড় করছে ঋণের টাকা

আপডেট: সেপ্টেম্বর ১১, ২০১৭

অর্থনৈতিক প্রতিবেদক

প্রতিবেশী ভারতের দেয়া লেটার অব ক্রেডিট বা এলওসির টাকা এবং চীনের ঋণের টাকা ছাড় হয় ঢিমেতালে। অন্যান্য দাতাগোষ্ঠী বা সংস্থা বিশেষ করে বিশ্বব্যাংক, এডিবি, জাইকা, আইডিবির ঋণের চুক্তির ছাড়করণের হার ২০ শতাংশের বেশি। কিন্তু ভারত ও চীনের এ হার ১০ শতাংশের নিচে বলে জানান অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব কাজী শফিকুল আযম। আর চীনের রাষ্ট্রদূত মা মিংকিয়াং জবাবে বলেন, চীন সরকার কোনো ঋণের টাকা বাকি রাখতে চায় না। আর আমার আমলে বাংলাদেশে বিনিয়োগ বেড়েছে ৩০ শতাংশ।

এ দিকে বাংলাদেশে তথ্যপ্রযুক্তির অবকাঠামো উন্নয়ন এবং টেলিযোগাযোগ খাতের আধুনিকায়ন-চীন এ দুই প্রকল্পে তিন হাজার ৭০ কোটি টাকার সমমূল্যের মার্কিন ডলার নমনীয় ঋণ সহায়তা দিচ্ছে।
শেরেবাংলা নগরের ইআরডি সম্মলেন কে গতকাল বিকেলে চীন ও সরকারের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) মধ্যে এ চুক্তি স্বারিত হয়।

বাংলাদেশ সরকারের পে ইআরডি সচিব কাজী শফিকুল আযম ও চীনের পে রাষ্ট্রদূত মা মিংকিয়াং চুক্তিতে স্বার করেন।
জানা যায়, তথ্যপ্রযুক্তি নেটওয়ার্ক অবকাঠামো উন্নয়নে এক হাজার ২৫২ কোটি ৪৮ লাখ ডলার দিচ্ছে চীন। আর টেলিযোগাযোগ আধুনিকায়নে দিচ্ছে এক হাজার ৮১৭ কোটি ২৮ লাখ টাকা।
ঋণের সুদ হার ২ শতাংশ। ৫ বছর গ্রেস পিরিয়ডসহ মোট ২০ বছরে এ দুইটি ঋণের টাকা পরিশোধ করতে হবে। টাকা দেবে চায়না এক্সিম ব্যাংক।