মানিকগঞ্জে দুই পুলিশ কর্মকর্তার ধর্ষণের ‘সত্যতা মিলেছে

আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১১, ২০১৯
0

মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া থানার কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তরুণীকে ইয়াবা সেবন করিয়ে ধর্ষণের অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার কথা জানিয়েছে তদন্ত কমিটি।

আর ভুক্তভোগী তরুণী সাটুরিয়া থানায় ওই দুই এসআই এর বিরুদ্ধে মামলা করেছেন।

আসামিরা হচ্ছেন, সাটুরিয়া থানায় উপ-পুলিশ পরিদর্শক (এসআই) সেকেন্দার হোসেন ও সহকারী উপ-পুলিশ পরিদর্শক (এএসআই) মাজহারুল ইসলাম।

রবিবার পুলিশ সুপার রিফাত রহমান শামিমের কাছে ওই তরুণীর লিখিত অভিযোগ করেন। এরপর তার নির্দেশে ভিত্তিতে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মানিকগঞ্জ সদর সার্কেল) হাফিজুর রহমান ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) হামিদুর রহমান সিদ্দিকী অভিযোগের তদন্ত করেন।

হাফিজুর রহমান ঢাকা টাইমসকে জানান, তদন্ত কমিটির কাছে নির্যাতনের শিকার ওই তরুণী পুরো ঘটনার বর্ণনা দেন।

দিনভর প্রাথমিক তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে ওই তরুণীর পুলিশ সুপারের কাছে যে অভিযোগ করেছেন তার সত্যতা রয়েছে।

ওই তরুণীর করা মামলাটি তদন্তের ভার দেওয়া হয়েছে সাটুরিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবুল কালাম আজাদকে।

তিনি জানান, ওই তরুণীর মেডিকেল পরীক্ষাসহ প্রয়োজনে ডিএনএ টেস্ট করা হবে। বলেন, ‘অপরাধীকে পুলিশ সদস্য হিসেবে দেখার কোন সুযোগ নেই। আইন তার নিজস্ব গতিতে চলবে।’

সাটুরিয়া অফিসার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমিনুর ইসলাম ঢাকা টাইমসকে জানান, ধর্ষণের শিকার ওই তরুণী বাদী সেকেন্দার হোসেন ও মাজহারুল ইসলামকে আসামি করে মামলা করেছেন। তারা বর্তমানে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত রয়েছেন। তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

উপ-পুলিশ পরিদর্শক সেকেন্দার হোসেন আশুলিয়া থানায় থাকার সময় এক নারীর কাছ থেকে এক লাখ টাকা ধার নেন। কথা ছিল জমি বিক্রির লাভ তাকে দেওয়া হবে।

কিন্তু টাকা না দিয়ে ঘুরাতে থাকেন। সাটুরিয়া থানায় বদলি হয়ে আসার পরও সেকেন্দারের সাথে যোগাযোগ করেন তিনি।

বুধবার বিকেলে প্রতিবেশী ভাগ্নিকে নিয়ে সাটুরিয়া থানায় আসেন ওই নারী। সেকেন্দারের টাকা দেবেন জানিয়ে তাদেরকে সাটুরিয়া ডাকবাংলোতে নিয়ে যান

। সন্ধ্যার পর সাটুরিয়া থানার এএসআই মাজহারুল ইসলামকে ডাকেন সেখানে।

সেখানে একটি কক্ষে দুই পুলিশ কর্মকর্তা ওই তরুণীকে জোড় করে ইয়াবা সেবন করান। পরে দুই দিন আটকে রেখে ধর্ষণ করে।

LEAVE A REPLY