ষোড়শ বর্ষে পদার্পণ করেছে নয়া দিগন্ত : দেশ জনতা ডটকমের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন

আপডেট: অক্টোবর ২৭, ২০১৯
0

২০০৪ সালের এদিনে বাংলাদেশের সংবাদপত্র জগতে নতুন বার্তা-নতুন এক শ্লোগান নিয়ে নয়া দিগন্ত তার অগ্রযাত্রা শুরু করেছিল । সেই হিসেবে আজ ষোড়শ বর্ষে পদার্পণ করেছে নয়া দিগন্ত। নয়া দিগন্তের এই পথ চলায় অভিনন্দন জানিয়েছে অনলঅইন পোর্টাল দেশ জনতা ডটকম।
সংবাদপত্র টিকে থাকার জন্য সবচেয়ে বড় প্রয়োজন রাষ্ট্রের মধ্যে নিরবিচ্ছিন্ন গণতন্ত্রের চর্চা। গণতন্ত্র ভিন্ন শিরদাঁড়া সোজা রাখা স্বাধীন সংবাদপত্রের অস্তিত্ব চিন্তা করা অকল্পনীয়। সংবাদপত্র বরাবরই ভিন্নমতের বাহক। ভিন্নমত সংবাদপত্রের প্রাণ। এ কারণে যেদেশের সংবাদপত্র যত স্বাধীন- সেদেশের গণতন্ত্র তত বেশি নিরাপদ। বাংলাদেশের সমাজ বাস্তবতার নিরিখে নয়া দিগন্ত তাই নতুন এক অধ্যায়ের সূচনা করেছে।

নয়া দিগন্ত আজ অবধি তার লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত হয়নি। পত্রিকাটি প্রকাশের শুরু থেকেই এর উদ্যোক্তাদের মুনাফা অর্জনকারী প্রতিষ্ঠান হিসাবে এটিকে পরিচালিত করার অভিপ্রায় ছিলো না। পত্রিকাটি টিকে থাকুক- পাঠকপ্রিয়তা অর্জন করুক- মানুষের কথা বলুক এমনটি ছিল তাদের আকাক্সক্ষা।

বলার অপেক্ষা রাখে না যে, প্রকাশনার বিগত ১৫টি বছর এই পত্রিকাটির জন্য মসৃণ কিংবা ফুল বিছানো ছিলো না। এক কঠিন বাস্তবতা ও চ্যালেঞ্জের মধ্যেই নয়া দিগন্তকে পথ পাড়ি দিতে হয়েছে। বৈরি একটি স্রোত অতিক্রম করে এই টিকে থাকাটা সত্যিকার অর্থেই সংগ্রামমুখর। তবুও নয়া দিগন্ত এগিয়ে চলেছে।

বিশ্বব্যাপী মুদ্রিত সংবাদপত্রের পাঠক সংখ্যা কমছে। ইন্টারনেটের বিস্ময়কর অগ্রযাত্রার ঢেউ সংবাদপত্রেও লেগেছে। হাতের মুঠোয় সংবাদপত্র পড়া কিংবা লাইভ খবর সম্প্রচারের তোড়ে মুদ্রিত সংবাদপত্র পিছিয়ে পড়ছে।

পত্রিকাগুলোকেও এখন তাল মিলিয়ে চলতে হচ্ছে সেসবের সাথে। প্রযুক্তির প্রসার সংবাদপত্রকে বর্ণিল ও সুসজ্জিত যেমন করেছে ঠিক তেমনি এর ব্যয়ও বহুগুণে বাড়িয়ে দিয়েছে। নয়া দিগন্তকেও যুগের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে হচ্ছে।

প্রকাশনার সবক্ষেত্রেই প্রযুক্তিকে অগ্রাধিকার দিতে হচ্ছে। নতুন বর্ষে পদার্পণকালে আমাদের পাঠক শুভানুধ্যায়ীদের বিষয়টি অনুধাবনের অনুরোধ জানাই। যে লক্ষ্য নিয়ে নয়া দিগন্ত যাত্রা শুরু করেছিল সে লক্ষ্য পূরণে আমরা সকলের অকুন্ঠ সমর্থন ও ভালবাসা প্রত্যাশা করি।

LEAVE A REPLY