বুধবার | ২১শে নভেম্বর, ২০১৮ ইং | ৭ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | বিকাল ৪:১৮

সংলাপে যাচ্ছেন যে ১৬ জন

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী বাসভবন গণভবনে সংলাপে অংশ নিতে যাওয়ার জন্য একটি প্রতিনিধি দলের তালিকা তৈরি করেছে ফ্রন্টের নেতৃবৃন্দ। মঙ্গলবার বিকেলে গণফোরাম কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে ১৬ জনের নাম চূড়ান্ত করেন নেতারা।

ঐক্যফ্রন্টের নেতা আ স ম আব্দুর রব গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ ১৬ জনের একটি দল যাবে গণভবনের সংলাপে অংশ নিতে। ১ নভেম্বর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সংলাপের জন্য ঐক্যফ্রন্টের নেতাদের নৈশভোজের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে।

ড. কামাল হোসেনের সভাপতিত্বে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, গণফোরামের প্রেসিডিয়াম সদস্য জগলুল হায়দার আফ্রিক, জেএসডি সভাপতি আ স ম আব্দুর রব, সহ-সভাপতি তানিয়া রব, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মালেক রতন, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, সাবেক ছাত্রনেতা সুলতান মুহাম্মদ মনসুর, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী প্রমুখ।

সংলাপে যাচ্ছেন যারা:

গণভবনের সংলাপে ঐক্যফ্রন্টের প্রতিনিধি দলের দলনেতা হিসেবে থাকবেন ড. কামাল হোসেন। বিএনপি থেকে মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার ও মির্জা আব্বাস। নাগরিক ঐক্য থেকে থাকবেন মাহমুদুর রহমান মান্না ও এস এম আকরাম। গণফোরাম থেকে মোস্তফা মহসিন মন্টু ও সুব্রত চৌধুরী। জেএসডি থেকে আ স ম আব্দুর রব, আব্দুল মালেক রতন ও তানিয়া রব। ঐক্য প্রক্রিয়া থেকে সুলতান মোহাম্মদ মনসুর, আ ব ম মোস্তফা আমিন ও স্বতন্ত্র হিসেবে থাকবেন ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী।

যেভাবে চূড়ান্ত হলো সংলাপ প্রক্রিয়া :

গত বেশ কয়েকদিন ধরেই জাতীয় রাজনীতিতে সংলাপের বিষয়টি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। গত রোববার জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের পক্ষ থেকে সংলাপের আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে একটি চিঠি দেয়া হয়। পরদিন সোমবার প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে মন্ত্রীদের এক অনির্ধারিত বৈঠক থেকে সেই সংলাপের আহ্বানে সাড়া দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয় সরকারের পক্ষ থেকে।

ওই দিন বিকেলে আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের সংবাদ সম্মেলন করে তাদের সংলাপের আহবানে সাড়া দেয়ার
কথা বলেন। ওবায়দুল কাদের জানান, তফসিলের আগেই ঐক্যফ্রন্টের সাথে সংলাপে রাজি আছে সরকার। সংবাদ সম্মেলনে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আজ আমি আপনাদের ও পুরো জাতিকে সারপ্রাইজ দেবো। আমাদের নেত্রী শেখ হাসিনার সম্মতিক্রমে একটি সুখবর জানাবো। এ খবরে রাজনীতির মাঠে শান্তির বাতাস বইবে বলে মনে করি।’

পরে তিনি বলেন, ‘জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতা ড. কামাল হোসেন একটি চিঠি দিয়েছেন। আজ মন্ত্রিসভা বৈঠকের পর প্রধানমন্ত্রী ও সভাপতি শেখ হাসিনা উপস্থিত নেতাদের সঙ্গে এ নিয়ে আলোচনা করেন। অনির্ধারিত এ বৈঠকে আলোচনা শেষে সর্বসম্মতি সিদ্ধান্ত হয়েছে যে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সংলাপে বসবে। কারণ শেখ হাসিনার দরজা কারও জন্য বন্ধ থাকে না।’

ঐক্যফ্রন্টের নেতারা এত দ্রুত সরকারের সাড়া পেয়ে বিস্মিত হলেও তারা বিষয়টিকে ইতিবাচক হিসেবে নিয়েছেন। তারা সরকারের এই সংলাপের আগ্রহকে স্বাগত জানান। সোমবারই জাতীয় ঐক্যফ্রন্টকে ফোন করেন ওবায়দুল কাদের। জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের অন্যতম নেতা ও গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসিন মন্টুকে ফোন করে তিনি সংলাপের আমন্ত্রণ জানান। সংলাপের আহ্বান জানিয়ে ওবায়দুল কাদের জানতে চান ঐক্যফ্রন্টের কতজন সদস্য সংলাপে অংশ নেবে।

ওই দিন রাত ৮টার দিকে এই দু’নেতার মধ্যে ফোনে কথা হয়। এ সময় ঐক্যফ্রন্টকে গণভবনে নৈশভোজের আমন্ত্রণ জানান ওবায়দুল কাদের। জবাবে মহসিন মন্টু তার জোটের নেতাদের সাথে আলোচনা করে সময় দিবেন বলে জানান।

পরদিন মঙ্গলবার সংলাপের বিষয়ে ঐক্যফ্রন্টকে আনুষ্ঠানিক চিঠি দেন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রীর চিঠি পৌঁছে দিতে মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর বেইলি রোডে ড. কামাল হোসেনের বাসায় যান আওয়ামী লীগের দফতর সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ। ড. কামাল তার চিঠি গ্রহণ করে কিছুক্ষণ কথাবার্তা বলেন। এ সময় সেখানে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের স্টিয়ারিং কমিটির সদস্য ও গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসিন মন্টুও উপস্থিত ছিলেন।

২ নভেম্বর ঢাকায় সমাবেশ করবে ঐক্যফ্রন্ট

লেট এবং চট্টগ্রামের পর এবার রাজধানীতে সমাবেশ করতে চায় নবগঠিত রাজনৈতিক মোর্চা জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট।

এজন্য আগামী ২ নভেম্বর সম্ভাব্য তারিখ ঠিক করা হয়েছে।

আজ সোমবার রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন থেকে এই ঘোষণা দেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের অন্যতম সদস্য বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

রিজভী জানান, আগামী ২ নভেম্বর রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অথবা নয়াপল্টন কার্যালয়ের সামনে জনসভা করতে চান তারা।

তবে এটা নির্ভর করছে অনুমতি সাপেক্ষ। অর্থাৎ এই দুটি স্থানের যেখানে অনুমতি মিলবে সেখানেই সমাবেশ করা হবে।

রিজভী আরও বলেন, জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সাত দফা দাবি আর ১১ দফা লক্ষ্যকে সামনে রেখেই এই সমাবেশের আয়োজন করা হবে।

এর আগে গত ২৭ অক্টোবর চট্টগ্রামের কাজীর দেউড়ি এলাকায় নাসিমন ভবনে বিএনপির দলীয় কার্যালয়ের সামনে সমাবেশ করে ঐক্যফ্রন্ট।

এছাড়া আইনজ্ঞ ও সংবিধান প্রণেতা ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে বিএনপিকে নিয়ে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট গঠনের পর গত ২৪ অক্টোবর সিলেটে প্রথম সমাবেশ হয়।

ইশতেহারের দিন বদলের প্রতিশ্রুতি পূরণ করেছে আ.লীগ: প্রধানমন্ত্রী

নির্বাচনী ইশতেহারে আওয়ামী লীগ যে দিন বদলের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল তা আজ পূরণ হয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সমৃদ্ধ দেশ গড়ার এ অগ্রযাত্রা কেউ বাধাগ্রস্ত করতে পারবে না।

বুধবার (২১ নভেম্বর) সকালে সেনাসদরে সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত খেতাপপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা এবং তাদের উত্তরাধিকারীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে একথা বলেন তিনি।

অনুষ্ঠানে খেতাবপ্রাপ্ত ১০১ মুক্তিযোদ্ধা এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের হাতে আর্থিক অনুদান এবং উপহার সামগ্রী তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী। পরে শান্তিকালীন বিশেষ অবদান রাখায় সেনা, নৌ এবং বিমানবাহিনীর ১৩ সদস্যের হাতে পদক তুলে দেন তিনি।

পরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, গেল ১০ বছরে দেশের যে পরিবর্তন সূচিত হয়েছে তা অব্যাহত রাখাই তার সরকারের লক্ষ্য।

শেখ হাসিনা বলেন, ২০০৮ সালের নির্বাচনী ইশতেহারের ঘোষণা দিয়েছিলাম দিন বদলের সনদ। আপনারাই বিবেচনা করে দেখবেন। সেই দিন বদল আমরা করতে পেরে ছিলাম কিনা। আমি দাবি করবো, আমি অবশ্যই দিন বদল করেছি। তবে, আমাদের অনেক দূর যেতে হবে, অনেক উন্নয়ন করতে হবে। যেদেশে ৪০ ভাগ দারিদ্র্য ছিল, সেটা আমরা ২১ ভাগে নিয়ে আসছি। আমাদের লক্ষ্য আরও পাঁচভাগ এই দারিদ্র্যের হার আমরা কমাবো। বাংলাদেশ হবে দারিদ্র্যমুক্ত দেশ।

তিনি বলেন, যে দেশকে জাতির পিতা স্বল্প সময়ের মধ্যে স্বল্পোন্নত দেশ হিসেবে স্বীকৃতি আদায় করেছিল। মাত্র অল্প সময়ের মধ্যে। আজকে সেই বাংলাদেশ জাতিসংঘ কর্তৃক উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত এই স্বাধীনতা, বাংলাদেশ স্বাধীন দেশ। কখনো ব্যর্থ হতে পারে না। স্বাধীনতা মানুষের সুফল আমরা প্রত্যেকটা মানুষের কাছে পৌঁছে দিবো। এদেশের মানুষ দারিদ্র্যের কষাঘাতে জর্জিত হবে না। অন্নের জন্য হাহাকার করবে না। বিনা চিকিৎসায় মারা যাবে না। প্রত্যেকের জীবন সুন্দর হবে। যেটা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু চেয়েছিলেন।

বঙ্গভবনের মিলাদে ড. কামাল

ঈদে মিলাদুন্নবীর দাওয়াতে বঙ্গভবনে গেছেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ও গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন ও গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মোহসিন মন্টু।
জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন তিনি।
এর আগে, বেলা ১২টায় রাজধানীর মতিঝিলে ড. কামাল হোসেনের ব্যক্তিগত কার্যালয়ে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের র্শীষ নেতারা বৈঠক বসেছেন।

এতে ড. কামাল হোসেন ছাড়াও সরকারবিরোধী জোটের নেতা সুলতান মো. মনছুর, মোকাব্বির খান, জগলুল হায়দার, সুব্রত চৌধুরী প্রমুখ উপস্থিত আছেন।

বৈঠকের শুরুতে গণফোরামের এক শীর্ষ নেতা জানান, আজকে আসন বন্টন নিয়ে আলোচনা হতে পারে। বৈঠক শেষে বিস্তারিত জানা যাবে।

বর্ণাঢ্য আয়োজনে রাজধানীতে ঈদে মিলাদুন্নবী (দ:) পালিত

সারাদেশে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী পালিত
আজ ১২ রবিউল আউয়াল, পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী। দোয়া মাহফিল, শোভাযাত্রাসহ নানা আনুষ্ঠানিকতায় সারাদেশে পালিত হচ্ছে দিনটি। এসময়, মহানবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে নিয়ে কোন বিভ্রান্তি না ছড়ানোর আহ্বান জানান মুসল্লিরা।

৫৭০ খৃষ্টাব্দের ১২ রবিউল আউয়াল জন্মগ্রহণ করেন শেষ নবী হযরত মুহম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সালাম। বিশ্ব মানবতার পথ প্রদর্শকের ধরণীতে আগমন উপলক্ষে রাজধানীতে নানা রকম অনুষ্ঠান আয়োজন করে বেশ কয়েকটি সংগঠন।


মিলাদ, কোরআন হাদিসের আলোকে আলোচনার পাশাপাশি বর্তমান সমাজ ব্যবস্থা ইসলামের বাণীকে আরও প্রতিষ্ঠিত করার গুরুত্ব তুলে ধরেন আলোচকরা। এসময় ধর্ম নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অপচেষ্টা রুখতে আলেমসমাজ সহ সকলকে সচেতন হওয়ারও আহ্বান জানানো হয়।

আলোচনা শেষে বর্ণাঢ্য র‌্যালী নিয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করেন বিপুল সংখ্যক মুসল্লি।

এছাড়া চট্টগ্রাম, চাঁদপুরসহ সারাদেশে আলোচনা, মিলাদ ও র‌্যালীর আয়োজন করা হয়। এসময় ইসলামের কল্যাণ বাণী সকলের মাঝে ছড়িয়ে দেয়ার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন বক্তারা।

আরেকটি পাতানো নির্বাচনের পথেই হাঁটছে কমিশন: রিজভীর অভিযোগ

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী অভিযোগ করে বলেছেন, বর্তমান সরকারের চরম অনুগত নির্বাচন কমিশন দিয়ে কোনোভাবেই সুষ্ঠু ভোট সম্ভব নয়। আরেকটি পাতানো নির্বাচনের পথেই হাঁটছে কমিশন।

এখন পর্যন্ত নির্বাচনী পরিবেশ সৃষ্টি না হওয়ার জন্য প্রধান দায়ী নির্বাচন কমিশন ও পুলিশ প্রশাসন।

আজ (বুধবার) বেলা সাড়ে ১১টায় নয়াপল্টনের দলীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব অভিযোগ করেন।

নির্বাচন কমিশনের সমালোচনা করে রুহুল কবির রিজভী বলেন, প্রিজাইডিং অফিসার ও চার লাখ পোলিং অফিসারের তালিকাও প্রস্তুত করার দায়িত্ব পুলিশই পালন করছে তার যথেষ্ট প্রমাণাদি রয়েছে।

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব বলেন, অত্যন্ত দুঃখের বিষয় হলো, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজনের পুরো দায়িত্ব পুলিশ বাহিনীর ওপর অর্পন করেছে হুদা কমিশন। প্রায় সাড়ে ৬ লাখ নির্বাচনী কর্মকর্তার অধিকাংশই আওয়ামী লীগের দলীয় লোকদের বাছাই করে তালিকা প্রস্তুত করছে পুলিশ।

তিনি বলেন, ইতিমধ্যে সারাদেশে ৪১ হাজার প্রিজাইডিং অফিসারের তালিকা পুলিশ প্রস্তুত করে ফেলেছে। এখন দুই লাখ সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার ও চার লাখ পোলিং অফিসারের তালিকাও প্রস্তুত করার দায়িত্ব পুলিশই পালন করছে।

পুলিশের প্রস্তুত করা তালিকা শুধুমাত্র চূড়ান্ত করার পথে তাবেদার বর্তমান নির্বাচন কমিশন। পুলিশ যে তালিকা প্রস্তুত করছে বা করেছে তার যথেষ্ট প্রমাণাদি রয়েছে আমাদের কাছে।

নির্বাচন কমিশনকে ‘ঠুঁটো জগন্নাথ’ কমিশন বলে আখ্যায়িত করে বলেন, সংবিধানের ১২৬ অনুচ্ছেদে নির্বাচন কমিশনকে অগাধ ক্ষমতা দেয়া হলেও ‘ঠুঁটো জগন্নাথ’ কমিশন সেই ক্ষমতার প্রয়োগ না করে সংবিধান লঙ্ঘন করছে।

নয়াপল্টনে বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে পুলিশের হামলার সমালোচনা করে তিনি বলেন, ১৪ নভেম্বর নয়াপল্টনে বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে সমবেত নেতাকর্মীদের ওপর হামলা, ভাংচুর ও হেলমেটধারী এজেন্টদের দিয়ে পুলিশের গাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ও মিছিলের ওপর পুলিশের গাড়ি তুলে দেয়ার পর ইলিয়ড বা অডিসির মতো কাল্পনিক মহাকাব্য রচনা করেছে পুলিশ। হেলমেট পরা হামলাকারীদের এখন বিএনপির নেতাকর্মী বলে চালানো হচ্ছে। আমাদের দলের সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলনের সিদ্ধেশরীর বাসায় গতরাত আনুমানিক ২টা পোশাকধারী ও সাদা পোশাকের আইন শৃঙ্খলা বাহিনী তল্লাশির নামে তছনছ করেছে। এছাড়া, কালীগঞ্জেও তার গ্রামের বাড়িতে পুলিশ তল্লাশির নামে তাণ্ডব চালিয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।#

পুলিশ হেড কোয়ার্টারে বসে কেউ নির্বাচনের ছক সাজাচ্ছে না: কাদের

‘পুলিশ হেড কোয়ার্টারে বসে কেউ নির্বাচনের ছক সাজাচ্ছে না বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

বুধবার বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি একথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, অভিযোগ করা বিএনপির পুরনো অভ্যাস। বিএনপিকে এ অভ্যাস ছাড়তে হবে। আর তাদের যদি কোনো অভিযোগ থাকে তাহলে প্রমাণ সহকারে উপস্থাপন করতে হবে।

তিনি বলেন, পুলিশ হেড কোয়ার্টারে বসে কেউ নির্বাচনের ছক সাজাচ্ছে না।

বিএনপি এমন অভিযোগ করলে তথ্য প্রমাণসহ তুলে ধরতে হবে। নির্বাচনের পরিবেশ যেমন আছে তেমনটি থাকলে সুষ্ঠু নির্বাচন হবে। আর বিএনপি বুঝতে পেরেছে সুষ্ঠু নির্বাচন হলে তারা জিততে পারবে না। তফসিলের পর বিএনপির কোনো নেতাকর্মী অপরাধ করে ছাড় পাবে এটা যেন তারা মনে না করেন।

আর নির্বাচন কমিশন কার পক্ষে কাজ করছে সেটা ৩০ ডিসেম্বরের পরে বোঝা যাবে বলেও মন্তব্য করেন ওবায়দুল কাদের।

নেত্রীর ক্লিয়ারেন্স পেলে বিএনপির অনেকেই আ. লীগে যোগ দেবে: কাদের

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সবুজ সংকেত পেলে সারা দেশে বিএনপির বিপুল নেতা-কর্মীর স্রোতোধারা আওয়ামী লীগ অভিমুখে যাত্রা করবে বলে মন্তব্য করেছেন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

আজ (বুধবার) দুপুরে রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগের সভানেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন। সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বিএনপি থেকে অনেকেই আওয়ামী লীগে যোগ দিতে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে। আমাদের নেত্রীর ক্লিয়ারেন্স পেলে, একটু সবুজ সংকেত পেলে সারা দেশে বিএনপির বিপুল নেতা-কর্মীর স্রোতোধারা আওয়ামী লীগ অভিমুখে যাত্রা করবে। এই যাত্রা মির্জা ফখরুল ইসলাম ঠেকাতে পারবেন না।’

জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে আগামী দিনে দলবদলের রাজনীতির কোনো চমক আছে কি না, এ প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, ঘোড়াবদলের যে রাজনীতি, এটা গণতান্ত্রিক দেশগুলোয় নতুন কোনো বিষয় নয়। নতুন কোনো দৃশ্যপট নয়। কে কোন দিকে অবস্থান নেবে, অলরেডি তো হচ্ছেই। আমরা কিন্তু এখনো নেত্রীর ক্লিয়ারেন্স পাইনি। অনেকেই আওয়ামী লীগে যোগ দিতে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে।’

আগামী জাতীয় নির্বাচন থেকে বিএনপি সরে যাবে, এমন আশঙ্কা আছে কি না—সাংবাদিকের এ প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘এই আশঙ্কা এই মুহূর্তে করতে চাই না। কারণ, আমরা একটি প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচন চাই। ইলেকশনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হোক, ইলেকশনে যদি কমপিটিশন না থাকে, তাহলে রেজাল্টের কোনো মজা নেই।’ তিনি বলেন, ‘বিএনপি এর মধ্যে টের পেয়েছে যে সুষ্ঠু ও অবাধ ভোট হলে তাদের নির্বাচিত হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। কারণ, তাদের নেতিবাচক কর্মকাণ্ডে জনগণ বিরক্ত। বিএনপি এখনো নেতিবাচক রাজনীতি থেকে বেরিয়ে আসতে পারেনি। সেটা তারা প্রমাণ করেছে তফসিল ঘোষণার পর পল্টনে পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে।’

নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে বিভিন্ন দলের অভিযোগের বিষয়ে মন্ত্রী কাদের বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন একটি স্বচ্ছ, গ্রহণযোগ্য ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন করতে সক্ষম হবে। ভালো একটি নির্বাচন হবে। বিএনপি অহেতুক এসব অভিযোগ করছে এবং তারা অভিযোগ করতেই থাকবে যতক্ষণ না তারা জেতার নিশ্চয়তা পায়।’

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘দেশেও নালিশ করে, বিদেশিদের কাছেও নালিশ করে। এতে কিন্তু দেশ বড় হয় না। দলের চেয়ে কিন্তু দেশটা বড়। আমার বিশ্বাস, ভালো একটা ইলেকশন হবে। অহেতুক তারা এসব অভিযোগ আনছে। এখন তারা অভিযোগ আনবে। যতক্ষণ না জেতার গ্যারান্টি না পায়।’

সুষ্ঠু নির্বাচনে বিএনপি জিততে পারবে না জেনেই সহিংসতার পথ বেছে নিয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এ কে এম এনামুল হক শামীম, সাংস্কৃতিক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল প্রমুখ।#

ধানের শীষের জোয়ার উঠেছে, কেউ ঠেকাতে পারবে না: ফখরুল

হামলা-মামলা আর স বাধা বিপত্তি উপেক্ষা করে ধানের শীষের জোয়ার উঠেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বুধবার দুপুরে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে গণমাধ্যমের কাছে তিনি এ মন্তব্য করেন।

ফখরুল বলেন, আমরা ঢালাওভাবে অভিযোগ করিনি। অভিযোগের সুনির্দিষ্ট তথ্যপ্রমাণ আমরা নির্বাচন কমিশনে দিয়েছে।

তিনি বলেন, সরকারের হামলা, মামলা ও সকল বাধা উপেক্ষা করে সারাদেশে ধানের শীষের জোয়ার উঠেছে। ধানের শীষের এই জোয়ার কেউ ঠেকাতে পারবে না।

ঈদে মিলাদুন্নবীর দাওয়াতে বঙ্গভবনে ড. কামাল

ঈদে মিলাদুন্নবীর দাওয়াতে বঙ্গভবনে গেছেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ও গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন ও গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মোহসিন মন্টু।
জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন তিনি।

এর আগে, বেলা ১২টায় রাজধানীর মতিঝিলে ড. কামাল হোসেনের ব্যক্তিগত কার্যালয়ে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের র্শীষ নেতারা বৈঠক বসেছেন।

এতে ড. কামাল হোসেন ছাড়াও সরকারবিরোধী জোটের নেতা সুলতান মো. মনছুর, মোকাব্বির খান, জগলুল হায়দার, সুব্রত চৌধুরী প্রমুখ উপস্থিত আছেন।

বৈঠকের শুরুতে গণফোরামের এক শীর্ষ নেতা জানান, আজকে আসন বন্টন নিয়ে আলোচনা হতে পারে। বৈঠক শেষে বিস্তারিত জানা যাবে।

শেষ দিনেও সাক্ষাৎকার নিচ্ছেন তারেক রহমান

আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার নেয়া শুরু করেছে বিএনপি। আজ তাদের সাক্ষাৎকারের শেষ দিন।

আজ বুধবার সকাল ১০টায় রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে সাক্ষাৎকার গ্রহণ শুরু হয়।

এদিন সাক্ষাৎকার নেয়া হচ্ছে ঢাকা, ময়মনসিংহ ও ফরিদপুর বিভাগের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের।

প্রথমেই নেয়া হবে ফরিদপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার। শেষ বেলা চলবে ঢাকা বিভাগের প্রার্থীদের সাক্ষাৎকার নেয়া।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ১৮ ও ১৯ নভেম্বর স্কাইপির মাধ্যমে সাক্ষাৎকার গ্রহণের সময় দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান যুক্ত হলেও সোমবার দুপুরের পর স্কাইপি বন্ধ হয়ে যায়। তবে অন্যভাবে মঙ্গলবারও তারেক রহমান এই প্রক্রিয়ায় যুক্ত ছিলেন বলে সাক্ষাৎকারে অংশ নেয়া প্রার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়।

শেষদিনও তিনি ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সাক্ষাৎকারে যুক্ত আছেন বলে জানা গেছে।

বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীদের চারদিনের সাক্ষাৎকার গ্রহণ শুরু হয় গত ১৮ নভেম্বর।

প্রথমদিন সাক্ষাৎকার গ্রহণ করা হয় রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের। ১৯ নভেম্বর বরিশাল ও খুলনা বিভাগের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাত্কার নেয়া হয়। তৃতীয় দিন ২০ নভেম্বর নেয়া হয়েছে চট্টগ্রাম, সিলেট ও কুমিল্লা বিভাগের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার।
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন নিয়ে সংসদ সদস্য হতে চান ৪ হাজার ৫৮০ জন। ধানের শীষ প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য এরা সবাই দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে মনোনয়ন ফরম কিনেছেন।

১২ থেকে ১৬ নভেম্বর টানা পাঁচদিনে এসব প্রার্থীদের কাছে মনোনয়ন ফরম বিক্রি করেছে বিএনপি।
বিএনপির মনোনয়ন বোর্ডে রয়েছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ব্যারিস্টার জমিরুদ্দিন সরকার, ড. মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ও আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
জানা গেছে, আগামী ৮ ডিসেম্বরের আগে মনোনয়নের বিষয়ে কাউকে কোনো তথ্য জানানো হবে না। আপাতত সবাইকে মনোনয়পত্র কিনে জমা দিতে বলা হয়েছে। প্রত্যাহারের শেষ দিন তালিকা প্রকাশ করা হবে। ওই দিন যারা মনোনয়ন পাবেন না তারা সবাই প্রত্যাহার করে নেবেন।

বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী গ্রেফতার, তালিকা ইসিতে

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপ্রত্যাশী নেতাদের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী গ্রেফতার করেছে বলে অভিযোগ করেছে বিএনপি। আর এর একটি তালিকা নির্বাচন কমিশনে জমা দিয়েছে দলটি।

বুধবার সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত নির্বাচন কমিশনের (ইসি) মনোনয়নপ্রত্যাশী গ্রেফতার হওয়া নেতাকর্মীদের একটি তালিকা কাছে জমা দিয়েছে বিএনপি।

দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের মামলা ও তথ্য সংরক্ষণ কর্মকর্তা মো. সালাহ উদ্দিন খানের নেতৃত্বে এক প্রতিনিধি দল এসে এই তালিকা জমা দেয় প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) বরাবর।

দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়, জাতীয় নির্বাচনে মনোনয়নপ্রত্যাশী নেতাদেরও গ্রেফতার ও আটকে রাখছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। এ পর্যন্ত মনোনয়নপ্রত্যাশী পাঁচজনকে আটকের পর জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

মনোনয়নপ্রত্যাশী একজনকে এখনও খুঁজে পাওয়া যায়নি।

চিঠিতে আরও বলা হয়, বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে করা মামলা ও গ্রেফতার হওয়া নেতাকর্মীদের তালিকা এর আগে দুইবার দলের পক্ষ থেকে ইসিকে দেওয়া হয়েছে। সুনির্দিষ্ট মামলার তালিকা দেওয়ার পরও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী বেপরোয়া।

কয়েকদিন ধরে বিএনপি নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করে দিনের পর দিন আটক রেখে আদালতে হাজির করা হচ্ছে।

আবার কাউকে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয় দিয়ে আটকের পর গুম করে রাখা হচ্ছে।

দলের নেতাকর্মীদের বাড়ি বাড়ি তাল্লাশীও চলছে। এ সময় তফসিলের পর গ্রেফতার হওয়া নেতাকর্মীদের তালিকাও ইসির কাছে তুলে দেয় বিএনপি। চিঠিতে গ্রেফতার-হুমকি বন্ধ ও মামলা থেকে দলের নেতাকর্মীদের মুক্তির জন্যও বলে বিএনপি।

গ্রেফতার হওয়া মনোনয়নপ্রত্যাশীরা হলেন বাগেরহাট-৪ আসনে মনোনয়নপ্রত্যাশী বিএনপি নেতা মো. ইব্রাহিম হোসেন, গাইবান্ধা-২ আসনে দলের গ্রাম সরকার বিষয়ক সম্পাদক মো. আনিসুজ্জামান খান বাবু, নেত্রকোনা সদর-২ আসনের ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সাবেক সহ-সভাপতি মো. আনোয়ারুল হক রয়েল, ঢাকা মহানগর-১০ আসনের ঢাকা দক্ষিণ মহানগর দক্ষিণ যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক শেখ রবিউল আলম রবি ও যশোর জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মো. আবুবক্কর আবু।

সিলেটে-মুন্সিগঞ্জে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ২

ডেস্ক রিপোর্ট:
সিলেটে র‌্যাবের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে শহিদ মিয়া নামে তালিকাভূক্ত এক মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার গভীর রাতে দক্ষিণ সুরমা উপজেলার মোগলাবাজার থানার শ্রীরামপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
র‌্যাব জানায়, মাদক ব্যবসায়ীদের মাদক বেচাকেনার গোপন খবর পেয়ে শ্রীরামপুর এলাকায় অভিযান চালায় র‌্যাব সদস্যরা।

উপস্থিতি টের পেয়ে র‌্যাবকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে মাদক ব্যবসায়ীরা। র‌্যাবও পাল্টা গুলি ছোড়ে। পরে মাদক ব্যবসায়ীরা পিছু হটে। ঘটনাস্থল থেকে শহিদ নামের একজনের গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করে র‌্যাব। এছাড়া ঘটনাস্থল থকে একটি বিদেশি পিস্তল ও বিপুল পরিমাণ ইয়াবা উদ্ধারের দাবি করেছে র‌্যাব।

র‌্যাবের দেয়া তথ্য অনুযায়ী নিহত শহিদ মিয়া স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের তালিকাভুক্ত শীর্ষ মাদক সম্রাট ।

তাকে দীর্ঘদিন ধরে খুঁজছে আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী। গুলিবিদ্ধ লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়েছে।
এদিকে র্যাব আরো জানায়, মুন্সিগঞ্জের টঙ্গিবাড়ি এলাকায় র্যাবের এঙ্গ ‌ `বন্দুকযুদ্ধে ‘১৮টি মাদক মামলার আসামী তালিকাভুক্ত শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী আবুল হোসেন শেখ (৫০) নিহত । এ সময় তার কাছে থেকে বিপুল পরিমান ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে।

খুলনার শীর্ষ সন্ত্রাসী গরু মারুফকে গুলি করে হত্যা

খুলনা ব্যুরো :
খুলনার শীর্ষ সন্ত্রাসী ও হত্যা, চাঁদাবাজিসহ একাধিক মামলার আসামি মিরাজুল ইসলাম ওরফে মারুফ হোসেন ওরফে গরু মারুফকে (৪৩) গুলি করে হত্যা করা হয়েছে।

মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে নগরীর দৌলতপুরস্থ কার্তিককূল বালুর মাঠ এলাকায় এ ঘটনার পর পুলিশ লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠিয়েছে।

ঘটনাস্থল থেকে একটি পিস্তল, ১টি পাইপগান, ১ রাউন্ড গুলি ও ৫৪ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে।

নিহত মারুফ দিঘলিয়া উপজেলার দেয়াড়া গ্রামের আবদুল গফফার শেখের ছেলে। তিনি দীর্ঘ দিন ধরে পলাতক ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে দৌলতপুর থানার ওসি কাজী মোস্তাক আহমেদ বলেন, কে বা কারা গরু মারুফকে গুলি করে হত্যা করেছে।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পড়ে থাকা জাতীয় পরিচয়পত্র দেখে লাশ সনাক্ত করা হয়।

গরু মারুফের বিরুদ্ধে দৌলতপুর ও দিঘলিয়া থানায় সেনহাটির সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান গাজী আবদুল হালিম ও হুজি শহীদসহ একাধিক হত্যা ও চাঁদাবাজির অসংখ্য মামলা রয়েছে বলে জানান ওসি।

ভোটের মাঠ থেকে বিদায়ের ঘোষণা সুষমার

আগামী লোকসভা ভোটে আর প্রতিদ্বন্দ্বিতা না করার সিদ্ধান্ত নিলেন ভারতীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ। মঙ্গলবার বিদিশার সাংসদ বলেন,”দল সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু আমি নির্বাচনে আর না লড়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছি”।অটলবিহারী বাজপেয়ীর জমানাতে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রক সামলেছেন সুষমা স্বরাজ।

মোদীর জমানায় বিদেশমন্ত্রকের দায়িত্ব পান। বিদেশমন্ত্রী হিসেবে সুষমার কাজ যথেষ্ট প্রশংসনীয়। যুদ্ধবিধ্বস্ত ইয়েমেন থেকে ভারতীয়দের উদ্ধারই হোক, বিদেশে অসহায় ভারতীয়দের দিকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন সুষমা। টুইটারের মাধ্যমে বহু ভারতীয় সরাসরি বিদেশমন্ত্রীকে নিজেদের সমস্যা জানাতে পেরেছেন। যা আগে ভাবাই যেত না!

কিন্তু কেন আর ভোটের ময়দানে থাকবেন না সুষমা? মধ্যপ্রদেশে একটি বৈঠকে সুষমা জানান, ভগ্ন স্বাস্থ্যের কারণেই এই সিদ্ধান্ত। ৬৬ বছরের সুষমা স্বরাজ মধ্যপ্রদেশের বিদিশা কেন্দ্রের সাংসদ। ২০১৬ সালে তাঁর কিডনি বদল করা হয়েছিল। এজন্য দীর্ঘ কয়েকমাস কাজ থেকে ছুটি নিয়েছিলেন।

সুবক্তা হিসেবেও পরিচিত সুষমা স্বরাজ। সংসদে তাঁর চোস্ত বক্তৃতা নজর কেড়েছে বহুবার। দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীও ছিলেন সুষমা। সনিয়া গান্ধীকে চ্যালেঞ্জ করে বল্লারি থেকে নির্বাচনও লড়েছিলেন। যদিও পরাজিত হয়েছিলেন সুষমা। কিন্তু তাঁর সাহস আদায় করে নেয় কুর্নিশ।

ইন্দোরে এদিন সাংবাদিক বৈঠকে কংগ্রেসকে নিশানা করেছেন সুষমা স্বরাজ। তাঁর কথায়, ”কৃষিঋণ মকুব, স্বাস্থ্য সহায়তার মতো বিষয় রয়েছে কংগ্রেসের ইস্তাহারে। কিন্তু এসবে জনতাকে ভোলানো যাবে না। মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিংয়ের জনপ্রিয়তার সামনে টিকতে পারবে না কংগ্রেস”। মধ্যপ্রদেশের সরকার প্রতিশ্রুতি রেখেছে বলেও দাবি করেন সুষমা স্বরাজ। নিজের মন্তব্যে সাফল্যের কথাও তুলে ধরেন বিদেশমন্ত্রী। তাঁর দাবি, ২ লক্ষ মানুষকে যুদ্ধবিধ্বস্ত এলাকা থেকে উদ্ধার করে আনা হয়েছে। প্রবাসী ভারতীয়দের নিরাপত্তাও সুনিশ্চিত করেছে মন্ত্রক।

লালকৃষ্ণ আডবাণী মার্গদর্শক মণ্ডলীতে থাকলেও তাঁকে ভোটপ্রচারে দেখা যাচ্ছে না? সুষমার জবাব, বার্ধক্যের কারণে ভোটপ্রচারে অংশ নিতে পারেন না আডবাণী। তবে প্রার্থী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে তাঁর পরামর্শ নেওয়া হয়।

বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী মহিলাদের তালিকায় এই পাকিস্তানী কন্যাও!

যে তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন আমেরিকার প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিন্টনের মেয়ে, সেই তালিকায় জ্বলজ্বল করছেন পাকিস্তানের প্রত্যন্ত গ্রামের এক দলিত-কন্যাও!

তালিকাটা বিশ্বের প্রথম ১০০ প্রভাবশালী মহিলার। সম্প্রতি সংবাদমাধ্যম বিবিসি বিশ্ব জুড়ে একটি সমীক্ষা করে প্রভাবশালী ১০০ জন মহিলার নাম তালিকাভুক্ত করেছে। সেই তালিকাতেই এ বার ঠাঁই পেয়েছেন পাক দলিত-কন্যা কৃষ্ণা কুমারী কোহলি।

তাঁর বাড়ি পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশের একটি প্রত্যন্ত গ্রামে।

৪০ বছরের কৃষ্ণা কুমারী কোহলি প্রথম দলিত হিন্দু মহিলা যিনি পাক সেনেটে জায়গা করে নিয়েছেন।

এর আগেও একজন হিন্দু মহিলা পাক সেনেটর নির্বাচিত হয়েছিলেন তবে তিনি দলিত ছিলেন না।

কৃষ্ণাকে কেন প্রভাবশালী তালিকাভুক্ত করা হল?

কারণটা লুকিয়ে রয়েছে কৃষ্ণার জীবন সংগ্রামে। শৈশবের তিন বছর জোরজবরদস্তি বন্ডেড লেবার (বাঁধা শ্রমিক) হিসাবে কাটাতে হয়েছিল কৃষ্ণাকে। সে সময়টা ছিল নিজের সঙ্গে লড়াই। আর বাঁধা শ্রমিক হিসাবে মুক্তি পাওয়ার পর থেকেই তাঁর লড়াই শুরু হয় অন্যদের জন্য। তাঁর মতো যাঁরা বাঁধা শ্রমিকের কাজ করেন তাঁদের জন্য, মহিলাদের অধিকার রক্ষার জন্য। সে লড়াইয়ের জোরেই কৃষ্ণা চলতি বছরের মার্চে পাকিস্তান পার্লামেন্টের আপার হাউসের পাকিস্তান পিপলস পার্টির সেনেটর নির্বাচিত হন।

আর এই লড়াই তাঁকে যে জনপ্রিয়তা এবং পাকিস্তানের জনগণের সমর্থন জুগিয়েছে, সেটাই তাঁকে বিশ্বের প্রথম ১০০ জন প্রভাবশালী মহিলা করে তুলেছেন।

এই তালিকায় বিল ক্লিন্টনের মেয়ে চেলসি ক্লিন্টনও রয়েছেন। সিরিয়ার শরণার্থী শিশুদের জন্য ক্লিন্টন ফাউন্ডেশন গড়ে তুলেছেন তিনি। তালিকায় ৩৩ নম্বরে রয়েছেন সুন্দরবনের বাসিন্দা মীনা গায়েন এবং ৭৩ নম্বরে রয়েছেন কেরলের বাসিন্দা ভিজি পেনকোট্টু।

মীনা দক্ষিণ ২৪ পরগণার সুন্দরবনের মানুষদের জন্য কাজ করছেন আর ভিজি কেরলের মহিলাদের অধিকার রক্ষার জন্য লড়ছেন। তালিকায় সবচেয়ে প্রভাবশালী নাইজেরিয়ার আবিসোয়ে আজায়ি আকিনফোলারিন। দ্বিতীয় বাহরাইনের এসরা আল শাফে, তৃতীয় রাশিয়ার সোয়েতলানা আলিকসেভা। কৃষ্ণা কুমারী রয়েছেন ৪৮ নম্বরে এবং চেলসি ক্লিন্টন ২০ নম্বরে।

খুলে দেওয়া হয়েছে স্কাইপে

টেলিযোগাযোগ অ্যাপ স্কাইপের কার্যক্রম মঙ্গলবার বিকেল থেকে আবার শুরু হয়েছে। স্থানীয় নিয়ন্ত্রকরা অ্যাপটি খুলে দিয়েছে।

ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (আইএসপিএবি) সেক্রেটারি জেনারেল এমদাদুল হক ইউএনবিকে বলেন, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) স্কাইপে খুলে দেওয়ার জন্য তাদের বিকেল ৪টা ২৫ মিনিটে একটি মেইল দেয়।

এরপর বিকেল সাড়ে ৪টা থেকে দেশব্যাপী স্কাইপের সেবা পুনরায় চালু হয়েছে।

এখন মানুষ অ্যাপটির মাধ্যমে দেশ-বিদেশ থেকে যোগাযোগ করতে পারছেন।

এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে বিটিআরসি চেয়ারম্যান জহুরুল হক বলেন, দেশব্যাপী স্কাইপের সেবা পাওয়া যাচ্ছে। স্কাইপে ব্যবহারে কারিগরি ত্রুটি ছাড়া কারো কোনো সমস্যা হওয়ার কথা নয়।

এমদাদুল হক জানান, এর আগে সোমবার তারা বিটিআরসির কাছ থেকে একটি মেইল পেয়েছিলেন। এতে স্কাইপের মাধ্যমে দেশ-বিদেশে সব ধরনের যোগাযোগ স্থগিত করতে নির্দেশ দেওয়া হয়।

তবে বিটিআরসি চেয়ারম্যান দাবি করেন, স্কাইপে বন্ধ করার কোনো নির্দেশনা টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন থেকে দেওয়া হয়নি।

সশস্ত্র বাহিনী দিবস আজ

সশস্ত্র বাহিনী দিবস আজ ২১ নভেম্বর বুধবার। যথাযথ মর্যাদা ও উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে দিবসটি উদযাপিত হবে।

এদিন দেশের সব সেনানিবাস, নৌ ঘাঁটি ও স্থাপনা এবং বিমান বাহিনী ঘাঁটির মসজিদে দেশের কল্যাণ ও সমৃদ্ধি এবং সশস্ত্র বাহিনীর উত্তরোত্তর উন্নতি ও অগ্রগতি কামনা করে ফজরের নামাজ শেষে বিশেষ মোনাজাতের মধ্য দিয়ে দিবসের কর্মসূচি শুরু হবে।

দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি ও সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক মো. আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী প্রদান করেছেন।

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ অধিদপ্তরের ( আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী বুধবার সকালে ঢাকা সেনানিবাসের শিখা অনির্বাণে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন।

এরপর সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ, নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল নিজামউদ্দিন আহমেদ এবং বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল মাসিহুজ্জামান সেরনিয়াবাত নিজ নিজ বাহিনীর পক্ষ থেকে শিখা অনির্বাণে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন। তিন বাহিনী প্রধানগণ বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি এবং সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন।

‘সশস্ত্র বাহিনী দিবস-২০১৮’ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ঢাকা সেনানিবাসস্থ আর্মি মাল্টিপারপাস কমপ্লেক্সে বীরশ্রেষ্ঠদের উত্তরাধিকারী এবং নির্বাচিতসংখ্যক খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা ও তাঁদের উত্তরাধিকারীদের সংবর্ধনা জানাবেন। এছাড়া প্রধানমন্ত্রী নয়জন সেনা, একজন নৌ এবং তিনজন বিমান বাহিনী সদস্যকে ২০১৭-২০১৮ সালের শান্তিকালীন পদকে ভূষিত করবেন।

অনুষ্ঠানে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা উপদেষ্টা, সেনাবাহিনী প্রধান, নৌবাহিনী প্রধান, বিমানবাহিনী প্রধান, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার (পিএসও), প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, বিশেষ সহকারী, সামরিক সচিব, প্রেস সচিব ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন।

দিবসটি উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী শেখ হাসিনা ঢাকা সেনানিবাসের সেনাকুঞ্জে এক বৈকালীন সংবর্ধনার আয়োজন করেছেন।

এতে উল্লেখযোগ্য আমন্ত্রিত ব্যক্তিত্বগণের মধ্যে রয়েছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার, প্রধান বিচারপতি, প্রাক্তন রাষ্ট্রপতিগণ, সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা, প্রাক্তন প্রধান উপদেষ্টাগণ, মন্ত্রী ও মন্ত্রীর পদমর্যাদা সম্পন্ন ব্যক্তিবর্গ, প্রতিমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদা সম্পন্ন ব্যক্তি, ডেপুটি স্পিকার, বাংলাদেশে নিযুক্ত বিদেশি রাষ্ট্রদূত, আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধানগণ, প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনারগণ, বিচারপতিগণ, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব, মুখ্য সচিব, সংসদ সদস্য (ঢাকা এলাকার এবং প্রাক্তন সামরিক কর্মকর্তাগণ)।

এছাড়াও বাহিনীত্রয়ের প্রাক্তন প্রধানরা, ২০১৭ সালের স্বাধীনতা পুরস্কারপ্রাপ্ত ও একুশে পদকপ্রাপ্ত ব্যক্তিবর্গ, সাংবাদিক, শিক্ষাবিদ, রাজনৈতিক ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, স্বাধীনতা যুদ্ধের সব বীরশ্রেষ্ঠের উত্তরাধিকারীগণ, স্বাধীনতা যুদ্ধ এবং স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে ঢাকা এলাকায় বসবাসরত খেতাবপ্রাপ্ত কর্মকর্তা/তাঁদের উত্তরাধিকারী, উচ্চপদস্থ বেসামরিক কর্মকর্তাগণ এবং তিন বাহিনীর চাকরিরত ও অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাবৃন্দও আমন্ত্রিত। অনুষ্ঠানটি বাংলাদেশ টেলিভিশন সরাসরি সম্প্রচারের ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।

সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে তিন বাহিনী প্রধান নিজ নিজ বাহিনীর খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা/তাঁদের উত্তরাধিকারীদের অনুরূপ সংবর্ধনা প্রদান করবেন। ঢাকা ছাড়াও বগুড়া, ঘাটাইল, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, কুমিল্লা, সিলেট, যশোর, রংপুর, খুলনা ও রাজেন্দ্রপুর (গাজীপুরসহ) সেনানিবাসগুলোতেও সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়েছে।

এদিকে, দিনটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের জন্য ঢাকার বাইরে, দেশের অন্যান্য সেনা গ্যারিসন, নৌ জাহাজ ও স্থাপনা এবং বিমান বাহিনী ঘাঁটিতেও বিভিন্ন কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। ঢাকা, খুলনা, চাঁদপুর, বরিশাল ও চট্টগ্রামে বিশেষভাবে সজ্জিত নৌবাহিনী জাহাজগুলো আজ দুপুর ২টা থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত সর্বসাধারণের পরিদর্শনের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

এ উপলক্ষে সশস্ত্র বাহিনী দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে বাংলাদেশ টেলিভিশনের রাত ৮টার বাংলা সংবাদের পর সশস্ত্র বাহিনীর পরিবেশনায় ‘বিশেষ অনির্বাণ’ অনুষ্ঠান সম্প্রচার করা হয়। বাংলাদেশ বেতার আজ সন্ধ্যা ৭টা ৩০ মিনিটে ‘বিশেষ দুর্বার’ অনুষ্ঠান সম্প্রচার করবে।

এছাড়াও ‘বিশেষ অনির্বাণ’ অনুষ্ঠানটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলগুলোতে পরবর্তীতে পর্যায়ক্রমে সম্প্রচারিত হবে। দিবসটি উপলক্ষে আজ বাংলা ও ইংরেজি বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকে বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশিত হবে। এছাড়াও সশস্ত্র বাহিনীর পরিচালনাধীন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে রচনা ও চিত্রাঙ্কণ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে।

ঢাকা সেনানিবাসে যান চলাচল সীমিত থাকবে

সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে আজ বুধবার ঢাকা সেনানিবাসে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ের বিভিন্ন কর্মসূচি পালনের ফলে যানবাহন চলাচল সীমিত থাকবে।

মঙ্গলবার আইএসপিআরের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঢাকা সেনানিবাসের রাস্তাসমূহ (শহীদ জাহাঙ্গীর গেট থেকে স্টাফ রোড পর্যন্ত প্রধান সড়ক) যানজট মুক্ত রাখার লক্ষ্যে সেনানিবাসে অবস্থানকারী ব্যক্তিবর্গ ও আমন্ত্রিত অতিথিদের বহনকারী যানবাহন ব্যতীত সব ধরনের যানবাহন চালকদের সকাল ৭টা থেকে সাড়ে ১০টা ও দুপুর ১২টা থেকে রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত সেনানিবাস এলাকায় চলাচল পরিহারের জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।

সেনানিবাসের মধ্য দিয়ে যান চলাচলে সাময়িক অসুবিধার জন্য সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের পক্ষ থেকে আন্তরিক দুঃখ প্রকাশ করা হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে।

এ ছাড়া দিবসটি উপলক্ষে সেনাকুঞ্জে আয়োজিত বৈকালিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত সশস্ত্র বাহিনীতে কর্মরত কর্মকর্তাদের বিকেল ৩টা ও অন্য অতিথিদের বিকেল সোয়া ৩টার মধ্যে উপস্থিত হওয়ার জন্য বিনীত অনুরোধ জানানো হয়েছে।

কলকাতার মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায় পদত্যাগ করেছেন

পশ্চিমবঙ্গের একজন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী ও কলকাতার মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায় পদত্যাগ করেছেন।

একদা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অত্যন্ত আস্থাভাজন ও স্নেহের পাত্র ছিলেন শোভনবাবু।

এতটাই যে, তাঁর ওপর তিনটি মন্ত্রকের ভার দিয়ে রেখেছিলেন, পরিবেশ, আবাসন ও দমকল। এছাড়াও তিনি ছিলেন কলকাতার মেয়র এবং তৃণমূলের দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার জেলা সভাপতি।
বেশ কিছু দিন যাবৎ বিবাহ বহির্ভূত একটি সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন তিনি এবং তা নিয়ে পারিবারিক অশান্তি, মামলা ইত্যাদিতে জেরবার হয়ে পড়েন।

মুখ্যমন্ত্রী বারবার তাঁকে সতর্ক করে দেওয়া সত্ত্বেও শোভনবাবু নিজেকে শুধরোননি। কিছু দিন আগে ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রী তাঁর থেকে পরিবেশ দফতর নিয়ে আর এক মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর হাতে দেন। জেলা তৃণমূল সভাপতিত্বও চলে যায়।

তখন শোভনবাবু ইস্তফা দিতে চাইলেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁকে আর একবার সুযোগ দেন। কিন্তু আজ মঙ্গলবার বিধানসভায় একটি প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে ভুল করার পর মুখ্যমন্ত্রীর ধৈর্যচ্যুতি হয়।

পরে নবান্নে একটি অনুষ্ঠানে তিনি প্রকাশ্যে শোভনবাবুকে তিরস্কার করে পদত্যাগ করতে বলেন এবং সঙ্গে সঙ্গে পদত্যাগ গৃহীত হয়।

আগামী কাল তাঁকে মেয়র পদ থেকেও ইস্তফা দিতে বলেছেন তৃণমূল নেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী। শোভনবাবুর সরকারি গাড়ি আর নিরাপত্তা রক্ষীদেরও তুলে নেওয়া হয়েছে।

আফগানিস্তানে ঈদ-এ-মিলাদুন্নবর একটি অনুষ্ঠানে বিস্ফোরণ

আফগান কর্মকর্তারা বলছেন রাজধানী কাবুলে ধর্মীয় আলেমদের একটি সমাবেশে আত্মঘাতী বোমা বিস্ফোরণে অন্তত ৫০ জন লোক প্রাণ হারিয়েছেন , আহত হয়েছেন আরো তিরাশি জন।

অভ্যন্তরীণ মন্ত্রকের মুখপাত্র নাজিব দানিশ বলেন যে লোকজন একটি স্থানীয় হলে হজরত মোহাম্মদ (দ) এর জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে সমবেত হলে হামলাকারী তার পোশাকের সঙ্গে লাগানো বোমাটির বিস্ফোরণ ঘটায়।

স্বাস্থ্য মন্ত্রকের কর্মকর্তা ওয়াহিদুল্লাহ মাজরোহ ভয়েস অফ আমেরিকাকে বলেন অন্তত ২৪ জনকে , গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়।

প্রেসিডেন্ট আশরাফ গণি এই জঘন্য আক্রমণের নিন্দে করেন। তিনি বুধবারকে জাতীয় শোক দিবস ঘোষণা করেছেন এবং বলেন যে আফগানিস্তানের সর্বত্র এবং কুটনৈতিক মিশনগুলোতে জাতীয় পতাকা অর্ধ নমিত রাখা হবে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন যে সেই বিস্ফোরণের সময়ে হলের ভেতর বিখ্যাত কয়েকজন উলেমাসহ এক হাজার লোক ছিলেন ।

৩০ ডিসেম্বরের আগে ওয়াজ-মাহফিলের ওপর ইসির নিষেধাজ্ঞা জারি

৩০ ডিসেম্বরের আগে ওয়াজ-মাহফিলের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

তবে পূর্ব নির্ধারিত ও জরুরি মাহফিল থাকলে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছ থেকে অনুমতি নিয়ে করতে হবে।

আজ মঙ্গলবার রাতে ইসির যুগ্ম সচিব ফরহাদ আহম্মদ খান স্বাক্ষরিত এই নির্দেশনায় এটি জানানো হয়েছে। নির্দেশনাটি সব রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে।

নির্দেশনায় বলা হয়, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ঘোষিত পুনঃনির্ধারিত সময়সূচি অনুসারে ৩০ ডিসেম্বর ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। উল্লিখিত সময়ে কোনো ধর্মীয় সভা, ওয়াজ মাহফিল ইত্যাদি অনুষ্ঠানে নতুনভাবে কোনো তারিখ নির্ধারণ না করার জন্য অথবা স্থানীয় প্রশাসন/পুলিশ কর্তৃপক্ষের অনুমতি গ্রহণপূর্বক সভা/ওয়াজ মাহফিল অনুষ্ঠানের জন্য মাননীয় কমিশন সিদ্ধান্ত প্রদান করেছেন।

নির্দেশনায় আরো বলা হয়, তবে যেসব ধর্মীয় সভা/ওয়াজ মাহফিলের তারিখ ইতোমধ্যে নির্ধারিত হয়েছে অথবা বিশেষ কারণে একান্তই আয়োজনের প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তার অনুমতিক্রমে আয়োজন করতে হবে।

এ ছাড়াও নির্দেশনায় বলা হয়েছে, পূর্ব নির্ধারিত ও বিশেষ বিবেচনায় অনুষ্ঠিতব্য ধর্মীয় সভা, ওয়াজ মাহফিলে কোনো প্রার্থী, রাজনৈতিক দলের সদস্য বা কেউ নির্বাচনী প্রচারণা বা কারো পক্ষে বক্তব্য না করার জন্য নির্বাচন কমিশন বিশেষভাবে নির্দেশনা প্রদান করেছে।

ওই নির্দেশনা প্রতিপালনে সভা/ওয়াজ মাহফিলে রিটার্নিং কর্মকর্তা কর্তৃক একজন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োজিত করতে নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

জনপ্রিয়তম বার্বি পুতুলকে হারিয়ে দিল সৈইফ–করিনার ছেলে

বলিউডের যেকোনও সেলিব্রিটির থেকে বেশি জনপ্রিয় সইফ করিনার ছেলে তৈমুর আলি খান।

কোটি কোটি টাকা বিক্রি হয় তৈমুরের এক একটি ছবি। পাপারাৎজিদের ক্যামেরা সবসময় ধাওয়া করছে এই সেলিব্রিটি কিডকে।

এতটাই জনপ্রিয় তৈমুর যে তাঁর মত দেখতে পুতুলও তৈরি হয়ে গিয়েছে। কেরলে নাকি দোকানে দোকানে বিক্রি হচ্ছে তৈমুর পুতুল।

চিত্র পরিচালক অশ্বিনী ইয়ার্ডিই প্রথম ছবিটি সুইট করেছিলেন। মুহূর্তে সেটি ভাইরাল হয়ে যায়।

শুধু তৈমুরের মত দেখতেই নয় একেবারে তৈমুরের মতই পোশাক পরানো হয়েছে পুতুলটিকে।

এক কথায় বলা চলে তৈমুরের কাছে বার্বি পুতুলও জনপ্রিয়তা হারাচ্ছে।

ছেলেই এই জনপ্রিয়তার কথা শুনে আহ্লাদিত সইফ বলেছেন, এবার হয়তো আমাকে ছেলের নামের ট্রেড মার্ক তৈরি করতে হবে।

যাতে একটা পুতুল অন্তত আমাকে পাঠানো হয়। তবে ছেলের নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তিনি। গত কয়েক মাস ধরে তৈমুরের ছবি তোলা নিয়ে আপত্তি জানিয়েছেন সইফ করিনা।

সর্বশেষ সংবাদ

বঙ্গভবনের মিলাদে ড. কামাল