মঙ্গলবার | ২০শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং | ৮ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ | বিকাল ৩:২৬

বি বাড়িয়া ও মৌলভীবাজারে ছাত্রদল নেতাদের গ্রেফতারে ছাত্রদলের নিন্দা

0

ব্রাক্ষনবাড়িয়া জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ইয়াছিন মাহমুদ ও মৌলভীবাজার জেলা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক গাজী মারুফ মিয়াকে গ্রেফতার করায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মামুনুর রশিদ মামুন ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মোঃ আসাদুজ্জামান আসাদ।

আজ এক বিবৃতিতে নেতৃদ্বয় বলেন, অবৈধ সরকারের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ছাত্রদল নেতাদের গ্রেফতারের মহা উৎসবে মেতেছে। কোন কারন ছাড়াই একের পর এক মেধাবী ছাত্র নেতাদের গ্রেফতার করা হচ্ছে । মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে। রিমান্ডের নামে বর্বর নির্যাতন করা হচ্ছে। এই ভাবে গন গ্রেফতার করে, হামলা, মামলা, দমন পীড়ন চালিয়ে ছাত্রদলকে গনতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলন থেকে দুরে রাখা যাবেনা বলে হুশিয়ার করেদেন।

আপিলের সিদ্ধান্ত নিতে ফের বৈঠকে আইনজীবীরা

0

আদালত প্রতিবেদক:
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জামিন ও আপিল সংক্রান্ত বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে ফের জরুরি বৈঠকে বসেছেন তার আইনজীবীরা। বেলা সাড়ে ১২টার পর তারা আবারো বেঠকে বসেন। আদালত সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

এর আগে, মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টায় সুপ্রিমকোর্টের বার ভবনের কনফারেন্স রুমে এ নিয়ে বৈঠক করা হয়। যা শেষ হয় বেলা সোয়া ১১টায়।

বৈঠক শেষে আইনজীবীরা জানান, বেলা সাড়ে ১২টায় আবারো তারা বৈঠকে বসবেন তারা। বৈঠকে ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ব্যারিস্টার মাহবুবউদ্দিন খোকন, খন্দকার মাহবুব হোসেন, এ জে মোহাম্মদ আলী, জয়নুল আবেদীনসহ খালেদা জিয়ার আইনজীবী প্যানেলের সদস্যরা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

পটুয়াখালীতে জালিয়াতির মাধ্যমে বন্দোবস্ত জমি আত্মসাত অভিযোগ

0

কুয়াকাটা-কলাপাড়া প্রতিনিধি :
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় নিজ ভগ্নিপতিকে মালিক সাজিয়ে অন্যের বন্দোবস্ত পাওয়া জমি অতœসাতের অভিযোগ পাওয়া গিয়োছে। জমির দখল নিতে মামলাসহ নানাভাবে হয়রানি করা হচ্ছে। অভিযোগে জানা যায়, উপজেলার লালুয়া ইউনিয়নের কলাউপাড়া গ্রামের মৃত রবজে আলী ওরফে শের আলীর পুত্র কেরামত আলী ১৯৬৮-৬৯ সালে মিস কেস নং ১৬৮ এর অনুকুলে ১৭ নং জেএল’র অধীনে চান্দুাপাড়া মৌজার ৩১১ নং খতিয়ানে তিন একর জমি বন্দোবস্ত নিয়ে বাড়ীঘর নির্মান করে বাকী জমি চাষাবাদ করে আসছেন। কেরামত আলীর মৃত্যুর পরে সর্বশেষ দিয়ারা সেটেলমেন্ট জরিপে কেরামত আলীর ওয়ারিশদের নামে এ জমির মালিকা অর্ন্তভূক্ত হয়েছে। অভিযোগে আরো বলা হয় তেত্রিশ বছর পূর্বে কেরামত আলী মারা গেলেও একই এলাকার ফোরকান প্যাদা ১৭ বছর পূবে র্(২০০০ সালে) নিজ ভগ্নিপতি জালাল আকনকে কেরামত আলী সাজিয়ে এই জমি তার নামে দলিল সম্পাদন করেন। বর্তমানে তাদের জমি দখলের পায়তায় মামলা-মোকদ্দমাসহ বাড়ীঘর থেকে উচ্ছেদের জন্য বিভিন্নভাবে হয়রানি করে আসছেন। চাষাবাদে বাঁধাদান করে আসছেন।
এবিষয়ে জানতে চাইলে ফোরকান প্যাদা জানান, তিনি মুল মালিক কেরামত আলীর কাছ থেকে জমি ক্রয় করেছেন। যারা ওয়ারিশ সূত্রে এ জমির মালিকানা দাবী করে আসছে তারা প্রকৃত মালিক নন। বর্তমানে এ জমি নিয়ে আদালতে মামলা চলমান রয়েছে বলে তিনি জানান।

মশার কামড়ে অতিষ্ঠ চরফ্যাশনবাসী

0

এম সিরাজুল ইসলাম চরফ্যাশন :
শীত বিদায়ের পরে বইছে বসন্তের হাওয়া। বসন্তের শুরুতে মশার কামড়ে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে পৌরসভাসহ চরফ্যাশনের ২২ টি ইউনিয়নের সাধারন মানুষ। মশা নিধনের কোন উদ্যেগ না নেওয়ার ফলে সাধারণ মানুষ দিশেহারা হয়ে পড়েছে।

অফিস- আদালত, স্কুল- কলেজ ও হাসপাতালে সর্বত্রই মশার উপদ্রব বেড়ে যাওয়ায় তাদের দৈনন্দিন কাজ করতে হিমশিম খাচ্ছে। দুলারহাট মহিলা দাখিল মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক একে এম গিয়াস উদ্দিন বলেন, মশার জ্বালায় শিক্ষার্থীদের ক্লাস নেওয়া খুবই কষ্টকর হয়ে পড়েছে। তাই মশার উপদ্রব বন্ধের জন্য দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। পৌরসভা ৪নং ওয়ার্ডের এস এস সি পরীক্ষার্থী মোঃ হাসনাইন বলেন, আমার পরীক্ষা চলছে, প্রতিটি বিষয় আমার লেখাপড়ার প্রস্তুতি নেওয়া খুবই প্রয়োজন। পড়তে বসলে মশার কামড়ে পড়তে পারছিনা। তাই আমি পরীক্ষার ফলাফল নিয়ে খুবই চিন্তিত। আমার বাবা মা আমার পরীক্ষা নিয়ে খুবই উদিগ্ন। চরফ্যাশন বাজারের ব্যবসায়ী আল হেরা কম্পিউটার সেন্টারের মালিক আব্দুস সাত্তার বলেন মশা কামড়ে তার প্রতিষ্ঠানের কাজ করা খুবই অসহনীয় হয়ে পড়ছে। মাছ ব্যবসায়ী মোসলেহদ্দিন বলেন, মশার কামড় আর সহ্য করতে পারছিনা। মাছ বিক্রি করার সময় মশার উৎপাত বৃদ্ধির কারনে ব্যাপক সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছি। মশার কামড়ে ডেঙ্গুজ্বর সহ বিভিন্ন রোগ সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এ ব্যাপারে পৌরসভার মেয়র বাদল কৃষ্ণ দেবনাথ বলেন, আমি মশা নিধনের বিষয়টি দেখতেছি।

দুলারহাটে নুরাবাদ নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত এম সিরাজুল ইসলাম চরফ্যাশন

0

চরফ্যাশন উপজেলার নবগঠিত দুলারহাট থানার নুরাবাদ নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে গতকাল মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আমির হোসেন, বক্তব্য রাখেন মোঃ কামাল মাষ্টার, মোঃ নোমান হোসেন, সুজায়েত উল্ল্যাহ.মোঃ খালেক মিঝি, বক্তরা বলেন শিক্ষা জাতির মেরুদন্ড, শিক্ষা ছাড়া জাতির কোন বিকল্প নেই। অত্র বিদ্যালয়ের পড়াশুনা এলাকায় ব্যাপক সুনাম বয়ে আনবে। বিদ্যালয়টির লেখাপড়ার মান খুবই সন্তোষজনক। বিদ্যালয়ে একটি ভবন খুবই জরুরী। আমরা একটি ভবনের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট জোর দাবী জানাচ্ছি।

নির্বাচন নিয়ে জনমনে সংশয়-সন্দেহ সৃষ্টি হচ্ছে : মোস্তফা

0

আগামী নির্বাচন ঘনিয়ে এলেও দেশে এখনও এর আবহ, পরিবেশ, লক্ষণ ও পদধ্বনি শোনা যাচ্ছে না; বরং নির্বাচনকে ঘিরে নানা গুজব-গুঞ্জন ডালপালা মেলছে। আদৌ তা হবে কি-না- জনমনে সেই সংশয়-সন্দেহ দেখা দিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ ন্যাপ মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া। 

 

তিনি বলেন, রাজনীতিকে রাজনীতিবিদের হাতে ফিরিয়ে এনে জনকল্যাণে প্রতিষ্ঠিত করার পাশাপাশি মহান ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা গেলেই কেবল বর্তমান রাজনৈতিক সংকট থেকে পরিত্রাণ পাওয়া যেতে পারে। দেশে এখন কথা বলার স্বাধীনতা এবং পরিবেশও নেই।

সোমবার নয়াপল্টনস্থ যাদু মিয়া মিলনায়তনে মহান ভাষা শহীদ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ ঢাকা মহানগর আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান আলোচক হিসাবে তিনি এসব কথা বলেন।

 গোলাম মোস্তফা ভুইয়া বলেন, সরকারের অগণতান্ত্রিক কর্মকাণ্ড, বিরোধী পক্ষকে জেল-জুলুম-নির্যাতনের মাধ্যমে দমন করার কৌশল ভবিষ্যতে বড় ধরনের রাজনৈতিক সংকট সৃষ্টি করবে। সরকার নিজেই রাজনৈতিক অস্থিরতা ও ভয়াবহ রাজনৈতিক শূন্যতার সৃষ্টি করছে।

তিনি বলেন, দেশে এখন রাজনীতি নেই; আছে শক্তি প্রদর্শন। গায়ের জোরে রাষ্ট্রক্ষমতা দীর্ঘায়িত করার জন্য বিরোধী রাজনৈতিক দলের সভা-সমাবেশ বন্ধ করে দিয়ে গ্রেফতার, পরোয়ানা, হয়রানি, অপহরণ করে রাজনীতি করার পরিবেশই নষ্ট করে ফেলা হয়েছে। দেশে সুস্থ রাজনীতি করার সকল পরিবেশ বিনষ্ট হয়ে যাচ্ছে।

 

বাংলাদেশ ন্যাপ ঢাকা মহানগর সদস্য সচিব মো. শহীদুননবী ডাবলু’র সভাপতিত্বে আলোচনায় অংশগ্রহন করেন এনডিপি ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা, কল্যাণ পার্টি যুগ্ম মহাসচিব আল-আমিন ভুইয়া রিপন, ন্যাপ যুগ্ম মহাসচিব স্বপন কুমার সাহা, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. কামাল ভুইয়া, নগর যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম, যুব নেতা আবদুল্লাহ আল কাউছারী, ছাত্রনেতা সোলায়মান সোহেল প্রমুখ। 

 

আগামীকাল মধ্যরাতে শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন করবে বাংলাদেশ ন্যাপ

আগামীকাল ২০ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার মধ্যরাতে মহান ভাষা শহীদ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পমাল্য অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন করবে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ।

 

২১ ফেব্রুয়ারি সকল জেলা-উপজেলায় শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন করবে বাংলাদেশ ন্যাপ ও সহযোগি সংগঠনসমূহ।

 

দলের মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া যথাযথ মর্যাদায় ভাষা শহীদ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ঘোষিত কর্মসূচী পালন করার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন।

বরিশাল-২ আসন: মাঠে নেই তবুও আলোচনায় অভি ও জামাল: মার্চে অভি’র দেশে ফেরার গুঞ্জন

0

রাহাদ সুমন,বানারীপাড়া:
রাজনীতির মাঠে উপস্থিতি নেই তার পরেও বরিশাল-২(বানারীপাড়া-উজিরপুর)আসনে আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে মূল আলোচনায় বিএনপি দলীয় সাবেক হুইপ সৈয়দ শহীদুল হক জামাল ও জাতীয়পার্টির(জেপি) সাবেক সংসদ সদস্য গোলাম ফারুক অভি। আলোচিত মডেল কন্যা তিন্নি হত্যা মামলার ফেরারী আসামী হয়ে প্রায় দেড় যুগ ধরে গোলাম ফারুক অভি বিদেশ বিভূঁইয়ে এবং ২০০৮ সালে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে বরিশাল-২, পিরোজপুর-১ ও ২ আসন থেকে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে পরাজিত হওয়ার পর থেকে সৈয়দ শহীদুল হক জামাল ঢাকায় অবস্থান করছেন।ওই নির্বাচনে তিনি বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ার কারণে তিনটি আসনেই বিএনপির প্রার্থীদের ভরাডুবি ঘটে। এদিকে অভি বিদেশে ও জামাল ঢাকায় অবস্থান করলেও বরিশাল-২(বানারীপাড়া-উজিরপুর) আসনের নির্বাচনী সকল আড্ডা-আলাপে জনপ্রিয় হেভিওয়েট প্রার্থী হিসেবে তারা “মুখ্য” হয়ে আছেন।সাম্প্রতিক সময়ে জামালের অনুসারীরাও রাজনীতিতে সরব ও সক্রিয় হয়ে উঠেছেন। বহিস্কৃত হলেও এখনও বিএনপির একটি বৃহদাংশের নেতা-কর্মীরা জামালের অনুসারী হিসেবে মাঠে তৎপর রয়েছেন।রাজনৈতিক অভিজ্ঞমহলের মতে সংস্কারপন্থী হিসেবে বিএনপি থেকে বহিস্কৃত দলীয় চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার সাবেক উপদেষ্টা ও জাতীয় সংসদের সাবেক হুইপ সৈয়দ শহীদুল হক জামালকে বিএনপিতে ফেরালে এবং গোলাম ফারুক অভি দেশে ফিরে এসে প্রার্থী হলে পাল্টে যাবে এ নির্বাচনী আসনের সকল রাজনৈতিক হিসাব-নিকাষ।তবে জামাল বিএনপিতে ফিরতে না পারলে,দল ভেঙ্গে নতুন বিএনপির কিংবা নাটকীয়ভাবে শাসক দল আওয়ামীলীগের প্রার্থী হয়ে চমক দেখাতে পারেন বলে গুঞ্জন রয়েছে।পার্শ্ববর্তী পিরোজপুর-১(সদর-নাজিরপুর-স্বরুপকাঠি) আসনেও সাবেক হুইপ সৈয়দ শহীদুল হক জামালকে নিয়ে জোড়ালো আলোচনা রয়েছে।ওই আসনে তিনি ছাড়া বিএনপির হেভিওয়েট অন্য কোন প্রার্থী নেই। জানা গেছে তিনিও ওই আসনে নির্বাচন করার ব্যপারে আগ্রহী।তিনি পিরোজপুর জেলার দায়িত্ব প্রাপ্ত মন্ত্রী ও জেলা বিএনপির সভাপতি পদে দীর্ঘদিন আসীন ছিলেন। এদিকে গোলাম ফারুক অভি ফিরে এলে তার জনপ্রিয়তার বিবেচনায় বরিশাল- ২ আসনটি বিজয়ের স্বার্থে আওয়ামীলীগের শরীক জেপিকেও ছেড়ে দেওয়া হতে পারে বলে আলোচনা রয়েছে।ফলে গোলাম ফারুক অভি নাটকীয় ভাবে বরিশাল-২ আসনে প্রার্থী হয়ে রাজনীতির পর্দায় চলে আসতে পারেন। কিছুদিন ধরে এলাকায় তার দেশে ফেরার জোড়ালো গুঞ্জন চলছে।উজিরপুরে তার অনুসারীরা সক্রিয় হয়ে ওঠার পাশাপাশি অভির পক্ষে এলাকাবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বিভিন্ন স্থানে ফেষ্টুন সাটানো হয়েছে।কানাডা থেকে অভিও মুঠোফোনে তার অনুসারীদের সঙ্গে সার্বক্ষনিক যোগাযোগ রাখছেন বলে জানা গেছে।অভির ঘনিষ্টজন হিসেবে পরিচিত উজিরপুর উপজেলা জেপির সভাপতি শামসুল হক শিকদার জানান অভি আলোচিত মডেল কন্যা তিন্নি হত্যা মামলার বিষয়ে আইনী প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে ও রাজনৈতিক জটিলতা কাটিয়ে আগামী মার্চে দেশে ফিরতে তৎপরতা চালাচ্ছেন।সরকারের গ্রিণ সিগন্যাল পেলেই তিনি দেশে ফিরে এসে রাজনীতিতে সক্রিয় হবেন। প্রসঙ্গত সৈয়দ শহীদুল হক জামাল ১৯৯১,২০০১ ও ২০০৬ সালে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল সংযুক্ত পিরোজপুর (বানারীপাড়া- স্বরুপকাঠি) আসনে বিএনপির টিকিটে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে তিন বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।অপরদিকে সাবেক ছাত্রনেতা গোলাম ফারুক অভি তৎকালীণ বরিশাল-২(বাবুগঞ্জ-উজিরপুর) আসনে অবিভক্ত জাতীয় পার্টির টিকিটে লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে বিজয়ী হয়ে চমক দেখান। পরে তিনি তৎকালীণ ঐক্যমতের সরকারের সফল ও জনপ্রিয় যোগাযোগ মন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জুর নেতৃত্বাধীন জাতীয়পার্টিতে (জেপি) যোগ দেন।২০০১ সালে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে তিনি জেপির সাইকেল প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করে ৩৩ হাজারের ওপর ভোট পেয়ে ব্যক্তিগত ইমেজ ও জনপ্রিয়তার জানান দেন। এদিকে সৈয়দ শহীদুল হক জামাল ১৯৯১ ও ২০০১ সালে এবং গোলাম ফারুক অভি ১৯৯৬ সালে প্রতিদ্বন্ধী হেভিওয়েট প্রার্থীদের হারিয়ে বিজয়ী হয়ে চমক সৃষ্টি করার পাশাপাশি এলাকার উন্নয়নে বিশেষ ভূমিকা রেখে ব্যপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন।ফলে রাজনীতির মাঠে সক্রিয় না থাকার পরেও তারা আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে মূল আলোচনায় রয়েছেন।

খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে লক্ষ্মীপুরে বিএনপির বিক্ষোভ

0
file photo

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি: দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে লক্ষ্মীপুর জেলা বিএনপি।

মঙ্গলবার সকালে একদিকে জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক সাহাবুদ্দিন সাবু সমর্থক ও বিএনপি নেতা-কর্মীরা বিক্ষোভ সমাবেশ করেন। অপরদিকে দলীয় কার্যালয়ে জেলা বিএনপি’র সভাপতি আবুল খায়ের ভূঁইয়া ও কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক এ্যানি সমর্থকরা বিক্ষোভ সমাবেশ করেন।

এসময় বিএনপি’র উভয় পক্ষের কর্মসূচি চলাকালে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। তবে খালেদা জিয়ার মুক্তির আন্দোলনেও নেতাদের এমন বিভক্তি মেনে নিতে পারছে না সাধারণ কর্মীরা। হাই কমান্ডের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা।

প্রেস ক্লাব এলাকায় বিক্ষোভ সমাবেশে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাহাবুদ্দিন সাবু, সহ-সভাপতি ছায়েদুর রহমান ছুট্টু, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট হারুনুর রশিদ ব্যাপারী, জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট হাসিবুর রহমান জেলা যুবদলের সভাপতি রেজাউল করিম লিটন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

অপর সমাবেশে জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট হাফিজুর রহমান, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিন ভূঁইয়া, সদর বিএনপির সভাপতি মাইন উদ্দিন চৌধুরী রিয়াজ, সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন বাচ্ছু, যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ রশিদুল হাসান লিংকন, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি হারুনুর রশিদ, সাধারণ সম্পাদক মাহাবুবুল আলম মামুন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

গণঅভুত্থানে খালেদা জিয়াকে মুক্ত করা হবে: ফখরুল

0

নিজস্ব প্রতিবেদক:

গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করে আনবেন বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
মঙ্গলবার বেলা ১২টার পর জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে অনুষ্ঠিত এক মানববন্ধনে তিনি এ কথা বলেন।

ফখরুল বলেন, অবৈধ অনৈতিক সরকার সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনায় তাদের নীল নকশা বাস্তবায়নে এগিয়ে যাচ্ছে। আর এই নীল নকশা হচ্ছে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে রাজনীতি থেকে দূরে সরিয়ে রাখা। আগামী নির্বাচনে যাতে খালেদা জিয়া অংশ নিতে না পারেন এ চক্রান্ত চলছে।

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে সাজা দেওয়ার প্রতিবাদে ও খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে এ মানববন্ধনের আয়োজন করে বাংলাদেশ সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদ।
ফখরুল বলেন, এখন সময় জেগে উঠার, এখন সময় প্রতিবাদে সোচ্চার হওয়া। তাই আসুন, দলমত নির্বিশেষে জাতীয় ঐক্যের মধ্যে দিয়ে দেশের স্বাধীনতার প্রতীক খালেদা জিয়াকে কারাগার থেকে মুক্ত করে আনতে হবে। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে জনগণের ভোটাধিকার প্রয়োগ করে সত্যিকার অর্থে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করি।

সরকারকে উদ্দেশ্য করে বিএনপির মহাসচিব বলেন, আগামী নির্বাচন একটি নিরপেক্ষ সরকার ও নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশনের অধীনে অনুষ্ঠিত করতে অবিলম্বে খালেদা জিয়াকে কারাগার থেকে মুক্তি দিন। নির্বাচনী পরিবেশ তৈরি করুন।
খালেদা জিয়াকে পরিত্যক্ত কারাগারের অন্ধকার প্রকোষ্ঠে রাখা হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন মির্জা ফখরুল।

আয়োজক সংগঠনের আহ্বায়ক প্রকৌশলী মাহমুদুর রহমানের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, শওকত মাহমুদ, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম, সহ-প্রচার সম্পাদক কৃষিবিদ শামীমুর রহমান শামীম, ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব) নেতা ডা. একে এম আজিজুল হক, রফিকুল ইসলাম বাচ্চু, মাহমুদুর রহমান, সাংবাদিক এম আব্দুল্লাহ, জাহাঙ্গীর আলম প্রধান প্রমুখ বক্তব্যে রাখেন।

হবিগঞ্জে বিএনপির মিছিলে পুলিশের হামলা, সংঘর্ষে ২০ জন গুলিবিদ্ধসহ আহত ৫০

0

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি:
দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে হবিগঞ্জ জেলা বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত বিক্ষোভে বাধা দিয়েছে পুলিশ। আর মিছিলে এ বাধা দেয়াকে কেন্দ্র করে পুলিশের সঙ্গে বিএনপি নেতাকর্মীদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এঘটনায় কমপক্ষে ২০ জন গুলিবিদ্ধসহ অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী আহত হয়েছে।
মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শহরের শায়েস্তানগর এলাকায় বিএনপি নেতাকর্মীরা খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে মিছিল বের করলে এ ঘটনা ঘটে।
হবিগঞ্জ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও হবিগঞ্জ পৌরসভার মেয়র জিকে গউছ বিক্ষোভ মিছিলের নেতৃত্বে ছিলেন।

বিএনপির নেতা কর্মীদের দাবি, জেলা বিএনপি কার্যালয় থেকে মিছিল নিয়ে মিছিলকারীরা শহরের শায়েস্তানগর এলাকায় পৌঁছামাত্রই আগে থেকে অবস্থান নেওয়া পুলিশ তাদের বাধা দেয়। এ নিয়ে পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে মেয়রের বাগ্বিতণ্ডা হয়। এ সময় পুলিশ জিকে গউছকে লাঞ্ছিত করেন। এ দৃশ্য দেখে উত্তেজিত হয়ে পড়েন কর্মীরা। উত্তেজিত কর্মীদের দমাতে শটগানের গুলি ছোড়ে পুলিশ। এতে জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মিয়া মো. ইলিয়াস, উপজেলা যুবদলের সভাপতি অলিউর রহমান, বিএনপি কর্মী মতিন মিয়া, বাদশা সিদ্দিকী, নাছিরউদ্দিন, আবুল বাশার, সেলিম আহমেদ, মীর জাহান , তাজুল ইসলামসহ প্রায় ২০ জনের মতো নেতা কর্মী গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।
গ্রেপ্তারের ভয়ে তাঁরা হাসপাতালে না গিয়ে বিভিন্ন স্থানে প্রাথমিক চিকিৎসা নিচ্ছিন বলে জানান দলের একটি সূত্র। এ সময় পুরো হবিগঞ্জ শহরের প্রধান সড়কের যান চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ে।
এ ঘটনায় ফারুক আহমেদ ও কাজল মিয়া নামে দুজন বিএনপি কর্মীকে আটক করেছে পুলিশ।

হবিগঞ্জ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও পৌরসভার মেয়র জিকে গউছ দাবি করেন, পুলিশ তাঁর গায়ে হাত তুলেছে। বিনা উসকানিতে তাদের মিছিলে অতর্কিতভাবে গুলি চালিয়েছে।
এ বিষয়ে হবিগঞ্জ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আয়াতুন্নবী দাবি করেন, পুলিশ অহেতুক হামলা করেনি। পুলিশকে উদ্দেশ্য করে হামলা চালালে পুলিশ নিজেদের রক্ষা করতে গুলি ছুড়েছে।

মেয়রকে লাঞ্ছিত করার বিষয়ে ওই পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, হুলুস্থুল পরিবেশে তাঁর গায়ে আঘাত লাগতে পারে। এটা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত নয়।
বেলা সাড়ে ১২টা পর্যন্ত হবিগঞ্জ শহরে উত্তেজনা চলছিল।