সূর্যের চেয়েও লক্ষ গুন বড় কৃষ্ণ গহ্বর আবিষ্কার

আপডেট: সেপ্টেম্বর ৬, ২০১৭

দেশ জনতা ডেস্ক:
আমাদের ছায়াপথ মিল্কি ওয়ে’র কেন্দ্রীয় ভাগে নতুন ধরনের একটি কৃষ্ণগহ্বরের খোঁজ পাওয়া গেছে। মহাকাশ বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এটি কৃষ্ণগহ্বরের বিবর্তন ব্যাখ্যা করতে সাহায্য করতে পারে।

উত্তর চিলি’র আটাকামা লার্জ মিলিমিটার অ্যারে (এএলএমএ) মানমন্দিরে জাপানি জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা, আমাদের সূর্যের ১ লক্ষ গুণ আকারের একটি কৃষ্ণগহ্বরের সন্ধান পেয়েছে। একটি আণবিক গ্যাসীয় মেঘের ভিতর ওই কৃষ্ণগহ্বর খুঁজে পান তারা। তারা বলেন, অপেক্ষাকৃত ছোট আকারের ওটি প্রথম চিহ্নিত করা হয় একটি ইন্টারমিডিয়েট-ম্যাস ব্ল্যাক হোল (আইএমবিএইচ) হিসেবে।

জাপানের কেইও বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক টমোহাররু ওকা বিশ্বাস করেন যে, কোন কৃষ্ণগহ্বর যদি ১০ লক্ষাধিক সূর্যসম ভরের অধিকারী হয় , তবে তা অবশ্যই যেকোন ছায়াপথের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত হবে। যদিও বৃহত্তর কৃষ্ণগহ্বরের উৎপত্তি এখনও অজানা রহস্য।

এএলএমএ মানমন্দিরের টেলিস্কোপ ব্যবহার করে, বৈজ্ঞানিক দলটি মিল্কি ওয়ে’র কেন্দ্র থেকে প্রায় ২০০ আলোকবর্ষ দুরে আণবিক গ্যাসীয় মেঘের দেখা পায়। গবেষণায় প্রাপ্ত তথ্য নেচার অ্যাস্ট্রোনমি জার্নালে প্রকাশিত হলেও, পরবর্তীতে কম্পিউটার সিমুলেশন ব্যবহার করে প্রফেসর ওকা গ্যাসীয় মেঘের হাই স্পিড মোশন প্রদর্শন করেন। পরিশেষে দলগতভাবে তারা এই সিদ্ধান্তে পৌঁছান যে ওই মেঘের আশেপাশেই একটি কৃষ্ণগহ্বর রয়েছে।
গবেষকদের খুঁজে পাওয়া এই আইএমবিএইচ, এখন পর্যন্ত আবিস্কৃত মিল্কি ওয়ে’তে অবস্থিত দ্বিতীয় বৃহত্তম কৃষ্ণগহ্বর। সবচেয়ে বৃহৎ কৃষ্ণগহ্বর এর নাম স্যাজিটেরিয়াস এ’স্টার যা আমাদের সূর্যের প্রায় ৪০ কোটি গুণ আকারের।

তত্ত¡ অনুযায়ী মিল্কি ওয়ে’তে আকারে ছোট প্রায় ১০ কোটি কৃষ্ণগহ্বর থাকতে পারে, যার মধ্যে এখন পর্যন্ত খুঁজে পাওয়া গেছে মাত্র ৬০টি । আরটি