হজ সফরে মৃত্যু প্রসঙ্গে যা বলেছেন রাসুলুল্লাহ (সা.)

0
6

দেশ জনতা ডেস্ক:

হজ একটি পবিত্র ইবাদতের নাম। আল্লাহপ্রেমের চূড়ান্ত উন্মাদনার প্রতিফলন ঘটে হজে। বান্দা যেমন আল্লাহর ভালোবাসায় আল্লাহর পবিত্র আঙিনায় মেহমান হিসেবে হাজির হয়, তেমনি আল্লাহ রাব্বুল আলামিনও তার বান্দাকে ক্ষমা ও জান্নাতের পুরস্কারের মাধ্যমে সমাদর করেন। বোখারি ও মুসলিমের হাদিসে এসেছে, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘ তুমি কোনো হাজীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলে তাকে সালাম দেবে, মুসাফাহ করবে এবং তার বাড়িতে প্রবেশের আগেই তোমার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করার অনুরোধ করবে। কেননা তিনি ক্ষমাপ্রাপ্ত।’

মৃত্যু প্রত্যেকটি প্রাণীর ইহলৌকিক জীবনের চূড়ান্ত পরিণতি। যেখানেই থাকুক না কেন, তাকে মৃত্যুকে বরণ করে নিতেই হবে। তা হজের সফরেও হতে পারে।

এরই মধ্যে কয়েকজন বাংলাদেশিসহ অনেক হজপ্রত্যাশী ইন্তেকাল করেছেন। আসলে মৃত্যু কোনো হাজীর কাছেই অপ্রত্যাশিত নয়।
বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা হাজীরা সাধারণত সব ধরনের দেনাপাওনা পরিশোধ করেই হজের সফরের জন্য বের হন। কাফনের কাপরের মতো ইহরামের সাদা কাপড়ও যেন মৃত্যুর প্রস্তুতির কথাই মনে করিয়ে দেয়।

মক্কা অথবা মদিনায় মৃত্যুবরণ করা হাজীদের কাছে বরাবরই মর্যাদার বিষয় হিসেবে বিবেচিত। সব ধরনের শিরক থেকে মুক্ত নেককার কোনো বান্দা যদি পবিত্র দুই নগরীর (মক্কা ও মাদিনা) কোনো একটিতে মৃত্যুবরণ করেন, তাহলে তা হবে অতিরিক্ত মর্যাদার বিষয়।
তিনি জাহান্নাম থেকে মুক্তি পাবেন। তার হাশর হবে জান্নাতি মানুষ হিসেবে। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি মক্কা অথবা মদিনায় মৃত্যুবরণ করে, সে (জাহান্নাম থেকে) মুক্তি লাভ করে হাশরের ময়দানে উঠবে।’ (বায়হাকি, শুয়াবুল ইমান : ৩/৪৯০)।

LEAVE A REPLY