কাঠে খোদাইকৃত বিস্ময়কর আল কোরআন

আপডেট: সেপ্টেম্বর ৩০, ২০১৮

পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে বৃহৎ আকারের প্রচুর কোরআন শরিফ রয়েছে। সেগুলো নিয়ে যথেষ্ট ফিচার-রিপোর্টও লেখা হয়। ফলে সেগুলোর ব্যাপারে মানুষের কিছুটা হলেও ধারণা তৈরি হয়েছে। কিন্তু কাঠে খোদাইকৃত পৃথিবীর সর্ববৃহৎ কোরআন শরিফের কথা হয়তো অনেকে জানেন না।

কাঠে খোদাইকৃত পৃথিবীর সর্ববৃহৎ কোরআন রয়েছে ইন্দোনেশিয়ার দক্ষিণ সুমাত্রা প্রদেশের পালেমবাঙ্গেতে। কাঠের ওপর খোদাইকৃত কোরআনের প্রতি পৃষ্ঠার দৈর্ঘ্য ১.৭৭ মিটার ও প্রস্থ ১.৪০ মিটার। অর্থাৎ ৫.৮ ফুট দৈর্ঘ্য ও ৪.৬ ফুট প্রস্থ।

এমন কোরআনের পাণ্ডুলিপি প্রস্তুতকারক সাফওয়াতিল্লাহ মোহজাইব। তিনি জানান, ৩০ পারা কোরআনের এই পাণ্ডুলিপি তৈরি করতে ৯ বছর সময় লেগেছে। প্রয়োজনীয় কাঠ ও অর্থের অভাবেই মূলত কাজ নির্ধারিত সময়ে শেষ করতে দেরি হয়েছে।

কাঠের বৃহৎ পাণ্ডুলিপিটি তৈরিতে তিনি স্থানীয় টেমবেসু গাছের কাঠ ব্যবহার করেন। শক্ত, মজবুত, টেকসই ও দীর্ঘমেয়াদী হওয়ায় দক্ষিণ সুমাত্রায় বিভিন্ন স্থায়ী কাঠামো নির্মাণে এ কাঠ ব্যবহার করে থাকেন স্থানীয়রা।

পাঁচতলাবিশিষ্ট এই বিশাল কোরআনটি পেলামবাঙ্গের আল-ইহসানিয়া গান্দুস বোর্ডিং স্কুলের আল-কোরআন আল-আকবর জাদুঘরে রাখা হয়েছে। ২০১১ সালে ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট সুসিলো বাম্বাং জুহোয়ানোও বৃহদাকারের এ কোরআন প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন।

প্রতিদিন কোরআনটির প্রদর্শনী দেখতে প্রচুর দর্শনার্থী হাজির হন। বর্তমানে ইন্দোনেশীয় নাগরিকদের কাছে আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু এই কোরআন। সাফওয়াতিল্লাহর ভাষ্যানুযায়ী, ২০১২ সাল থেকে কমপক্ষে ১০ লাখ দর্শনার্থী বিস্ময়কর এই কোরআন পরিদর্শন করেছেন। সূত্র : ইসলামিক নলেজ

আমাদের সময় ডটকম