১৪ সেপ্টেম্বর কলেজ ছাত্র মোমিনের ১৩তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া ও মিলাদ

আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৩, ২০১৮
ঢাকা কমার্স কলেজের ব্যবস্থাপনা বিভাগের ৩য় বর্ষের মেধাবী ছাত্র কামরুল ইসলাম মোমিন গত ২০০৫ ইং সনের ১৩ সেপ্টেম্বর সকাল আনুমানিক ৭ ঘটিকায় মতিঝিল থানার ওসি রফিকের ভাড়া করা সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত হন। মোমিনের ১৩তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে মোমিনের পরিবারের পক্ষ থেকে আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮ইং শুক্রবার ১৫৫, উত্তর ইব্রাহিমপুর মোমিনদের বাসায় বিকাল ৫ টায় দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। উক্ত দোয়া ও মিলাদে মোমিনের আত্মীয়-স্বজন ও শুভাকাংখীদের এবং বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জবাসীকে উপস্থিত থাকার জন্য পরিবারের পক্ষ থেকে অনুরোধ করা হচ্ছে।
মোমিন স্মৃতি সংসদের সভাপতি মমিনুল কবির মাসুদ ও সাধারণ সম্পাদক হারুন অর রশিদ এক যৌথ বিবৃতিতে অবিলম্বে মোমিন হত্যা মামলা পলাতক আসামীদের গ্রেফতার এবং ফাঁসির রায় কার্যকর করার আহ্বান জানান।
উল্লেখ্য, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০০৫ ইং কলেজ ছাত্র মোমিনকে কলেজে যাওয়ার পথে নিজ বাড়ীর অদূরে ওসি রফিকের ভাড়া করা সন্ত্রাসীরা গুলি করে হত্যা করে। ঐ দিনই মোমিনের পিতা আব্দুর রাজ্জাক ওসি রফিকসহ ২৬ জনের বিরুদ্ধে কাফরুল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করে। গত ২০ জুলাই ২০১১ ইং ঢাকা দ্রুত বিচার ট্রাইবুনাল-৪ এর বিচারক মোঃ রেজাউল ইসলাম মোমিন হত্যা মামরার রায়ে ওসি রফিকসহ ৩ জনের ফাঁসি এবং শীর্ষ সন্ত্রাসী হাবিবুর রহমান তাজসহ ৬ জনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড ঘোষণা করেন। এর মধ্যে ফাঁসির দন্ডপ্রাপ্ত এ কে এম রফিকুল ইসলাম ওরফে ওসি রফিক কারাগারে মারা গেছে। যাবজ্জীবন দন্ডপ্রাপ্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী হাবিবুর রহমান তাজ ও ঠোঁট উচা বাবু কারাগারে রয়েছে। ফাঁসির আসামী ১.শাখাওয়াত হোসেন জুয়েল, ২. তারেক ওরফে জিয়া। যাবজ্জীবন সাজা প্রাপ্ত ১. মনির হাওলাদার, ২. মোঃ জাফর, ৩. শরিফ উদ্দিন পলাতক আছে। গত ৭ ডিসেম্বর ২০১৭ মহামান্য হাউকোর্ট ডেট রেফারেন্স বিচারপতি ভবানী প্রসাদ সিংহ ও বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলামের কোর্টে জজ কোর্টের দেয়া রায় পুনর্বহাল রাখেন।