আজ শওকত মাহমুদের জন্মদিন

আপডেট: জুলাই ২৯, ২০২০
0

তিনি একজন । অনন্য ব্যক্তিত্ব, এমন একজন সাংবাদিক , তার রিপোর্ট যে কাউকেই নাড়া দিত। অনুসন্ধানী রিপোর্ট যাকে বলে, হৃদয়গ্রাহী রিপোর্ট যাকে বলে, ইনডেপথ রিপোর্ট যাকে বলে শওকত মাহমুদের রিপোর্ট তার অনন্য উদাহরণ। তিনিই বিশিষ্ট সাংবাদিক শওকত মাহমুদ।

আজ শওকত মাহমুদের জন্মদিন। জন্মদিনে অনলাইন পোর্টাল দেশজনতা ডটকমের সম্পাদকসহ সাংবাদিক ও পোর্টালের পরিবারের সবার পক্ষ থেকে অভিনন্দন ও শুভ কামনা।
জন্মদিন উপলক্ষ্যে শওকত মাহমুদ সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বলেন, `সাংবাদিকরা যেনো দেশ ও সত্যকে সঠিকভাবে তুলে ধরেন ;এটাই তাদের কাছে আমার প্রত্যাশা।’

শওকত মাহমুদ উইকলি ইকনোমিকস টাইমস-এর সম্পাদক শওকত মাহমুদের সাংবাদিকতা শুরু দৈনিক সংবাদে রিপোর্টার পদে যোগ দিয়ে। এরপর দিনকাল, মানবজমিন, আমার দেশ, আমাদের সময় এবং মাতৃভূমিতে গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্বপালন করেন। সাংবাদিকদের অধিকার আদায়ে রাজপথে লড়ছেন দীর্ঘদিন থেকেই। ছিলেন প্রেসক্লাবের সভাপতি। বর্তমানে ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। ২০০৯ সাল থেকে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পদে যুক্ত হয়ে রাজনীতিতে অভিষিক্ত হন। বর্তমানে বিএফইউজের মহাসচিব এবং বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান।
বাংলাদেশের সাংবাদিকতা জগতে শওকত মাহমুদ একটি পরিচিত নাম। একজন মেধাবী ও সৃজনশীল সাংবাদিক হিসেবে তার সুখ্যাতি রয়েছে। অগ্রজদের কাছে তিনি যেমন প্রিয়, তেমনি অনুজদের কাছেও শ্রদ্ধেয়। যুক্তি ও তথ্যপ্রমাণ ছাড়া কথা বলেন না। যে কোন বিষয়ে তার বিশ্লেষন উড়িয়ে দেয়া যায় না। জাতীয় প্রেস ক্লাবের খ্যাতি ও আধুনিকায়নে তার বিশেষ অবদান রয়েছে। সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যার প্রতিবাদসহ গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, মত প্রকাশের স্বাধীনতা, সাংবাদিকদের রুটি-রুজির আন্দোলন, স্বৈরাচারের বিরুদ্বে গণতন্ত্রের আন্দোলন, এবং মিডিয়া আক্রান্ত হওয়ার বিরুদ্বে তিনি সবসময় সোচ্চার থেকেছেন।

টিভি টকশোগুলোতে যুক্তির মাধ্যমে জোরালো বক্তব্য রেখেছেন। সাংবাদিকদের যে কোন বিপদ-আপদেও তিনি ঝাপিয়ে পড়ে সহযোগিতা করেছেন। কিন্তু তাকে অমানবিকভাবে গ্রেফতার করা হয়। তার কণ্ঠ স্তব্ধ করা জন্য ইতিপূর্বে উদ্দেশ্যমূলক মামলায় জড়ানো হয়। পেট্রোল বোমা হামলা, গাড়ী ভাংচুর ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের ধারায় এ মামলা গুলো দেয়া হয়। একজন পেশাজীবি সাংবাদিক এবং সাংবাদিক নেতার বিরুদ্ধে এই ধরনের উদ্দেশ্যমূলক মামলা নজিরবিহীন। টিভি টকশো, লেখালেখি এবং পেশাজীবিদের বিভিন্ন সভা সমাবেশ, গোলটেবিল বৈঠক ও মানববন্ধনে তিনি অংশ নিয়েছেন, বক্তব্য দিয়েছেন। এর বাইরে তার কোন তৎপরতা ছিলনা।

গ্রেফতারের আগে তার বিরুদ্ধে ৮টি মামলা ছিল। এখন তাকে আরও মামলায় জড়ানো হয়েছে। মামলার সংখ্যা এখন ৬৯টি। একের পর এক মামলায় তাকে রিমান্ড নেয়া হচ্ছে। একজন মেধাবী সাংবাদিক বিনা কারণেই এই নির্যাতন ভোগ করেছেন ।

প্রখ্যাত সাংবাদিক ও রাজনীতিবিদ। জাতীয় প্রেস ক্লাবে তিনি একাধিকবার সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। বিএফইউজের জাতীয়তাবাদী অংশে তিনি সভাপতি ও মহাসচিবের দায়িত্বেও ছিলেন। ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব পালন করেছেন একাধিকবার। সাংগঠনিক দক্ষতা ও তুখোড় বক্তা হওয়ার কারণে সাংবাদিকদের মাঝে তিনি অনেক জনপ্রিয় একজন ব্যক্তি।

LEAVE A REPLY