আ’লীগ এমপিদের রাত কাটে জুয়া-মদ-মেয়ে মানুষ নিয়ে– মীর্জা কাদের

আপডেট: জানুয়ারি ১৪, ২০২১
0

আওয়ামীলীগের অনেক এমপির কাজ হচ্ছে রাতের বেলা নারী-মদ আর মেয়ে মানুষ নিয়ে কাটানো। তাদেরকে আগে ঠিকা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামীলীগীর সাধারন সম্পাদক সড়ক পরিবহন মন্ত্রীর ছোট ভাই মীর্জা কাদের।

আ’লীগ এমপিদের রাত কাটে জুয়া-মদ-মেয়ে মানুষ নিয়ে– মীর্জা কাদের

আওয়ামীলীগের অনেক এমপির কাজ হচ্ছে রাতের বেলা নারী-মদ আর মেয়ে মানুষ নিয়ে কাটানো। তাদেরকে আগে ঠিকা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামীলীগীর সাধারন সম্পাদক সড়ক পরিবহন মন্ত্রীর ছোট ভাই মীর্জা কাদের।

আজ বৃহস্পতিবার পৌর নির্বাচনের শেষ দিনের প্রচারণায় আয়োজিত জনসভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

এ সময় মেয়র প্রার্থী আব্দুল কাদের মির্জা বলেন, ‘আমাদের এমপিরা রাতের বেলা মদ জুয়া নারী নিয়ে ব্যস্ত থাকেন। পুলিশ যায় সেখানে, এদের মতো লোকদেরকে পুলিশ স্যালুট দেয়। হায়রে আমার দেশ। এই শালারা পুলিশের ছত্রছায়ায় আর পুলিশের পাহারায় থেকে স্যালুট নিয়ে জুয়া খেলে, মদ খায়, নারী ধান্ধা করে। এসব কি চলতে দেওয়া যায়। সিদ্ধান্ত নেন, এদের আস্তানা খুঁজে এদের বিরুদ্ধে জনবিস্ফোরণ ঘটিয়ে এদের এ ধরনের অপরাধ ভবিষ্যতে যেন না করতে পারে। তা বন্ধ করে দিতে হবে।’

তিনি ফরিদপুরের এমপি নিক্সন চৌধুরী, কর্নেল ফারুক খান, আহমেদ হোসেন ও মাহবুব উল আলম হানিফের কট্টর সমালোচনা করে বলেন, ‘এরা আমাকে খোঁচা দেয়, খোঁচালে আমিতো বসে থাকবো না। আমি সাহস করে সত্য কথা বলি। অন্যায় অনিয়ম, অবিচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করি। ভোট জালিয়াতি, ডাকাতি চরম অন্যায়। অন্যায়-অনিয়মের প্রতিবাদ করলাম, আর ভোটও চুরি করলাম এগুলো কি একই আর্দশ। এসবের কাছ থেকে এদেশের মানুষ পরিত্রাণ চায়। এসবের প্রতিবাদের অংশ হিসেবেই আমি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছি।’

ওবায়দুল কাদেরের ছোট ভাই বলেন, ‘ফরিদপুরের এমপি নিক্সন চৌধুরী রাজপুত্র সেজেছেন। নিক্সন চৌধুরী গত রাতে আমার উদ্দেশ্যে বলেন চুনোপুটিদের কথা কে শোনে, শেখ হাসিনার কাছেও ঘেঁষতে পারবে না। আমি বাংলাদেশে প্রমাণ করতে চাই, গণতন্ত্র ও অবাধ, নিরপেক্ষ নির্বাচন কাকে বলে, কি জিনিস। নোয়াখালী ও ফেনীর এমপি একরাম-নিজামরা এক কোটি টাকা খরচ করছে।

আমাকে হারানোর জন্য বিদেশেও আমার বিরুদ্ধে টাকা খরচ করা হচ্ছে। এগুলো জনগণের লুটপাট করা টাকা। টাকা দিচ্ছে, খেয়ে ফেলুন। বিবেক দিয়ে চিন্তা করে স্বাধীনভাবে যাকে ইচ্ছা তাকে ভোট দেবেন

। এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে ডাক্তার মিলনকে বাম দলের লোকজন হত্যা করেছিল, ওই আন্দোলনকে চাঙ্গা করার জন্য। আমাদের এখানে নির্বাচনের আগে-পরে দাঙ্গা-হাঙ্গামা, অগ্নিসংযোগ, হত্যাকাণ্ডের মত ঘটনাও ঘটতে পারে। ষড়যন্ত্রকারীরা অনেক অস্ত্র পাঠিয়েছে। এসব বিষয়ে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।’