ঈদে বান্দরবান জেলা-উপজেলায় ঢুকলেই জেল-জরিমানা!

আপডেট: মে ২৩, ২০২০
0

হামিদ কল্লোল, বান্দরবান জেলা সংবাদদাতা:
রমজান মাস প্রায় শেষের পথে। ঈদুল ফিতর অতি নিকটে। কিন্তু করোনা পরিস্থিতির কারণে দেশ জুড়ে ঈদের কোন আমেজ নেই। কারণ সারাদেশ করোনা ভাইরাসে আ্ক্রান্ত যার পরিবারের একজন সদস্য করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত শুধু সেই ব্যক্তিই এ জ্বালা বুঝে।

তাই এই ঈদের ছুটিতে করোনা আক্রান্ত রুখতে বান্দরবান জেলার বিভিন্ন উপজেলায় প্রবেশ এবং বাহির হওয়ার উপর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।এই সংক্রান্ত নীতিমালাসমুহ থানা এবং উপজেলার প্রেসরিলিজের মাধ্যমে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করেছে।

জেলার লামা থানা এক নোটিশের মাধ্যমে জানিয়েছে যে—————বর্তমানে আপনাদের সুস্থতাই আমাদের একমাত্র চাওয়া। সেই লক্ষ্যে লকডাউন ও হোম কোয়ারেন্টিন বাস্তবায়নে আমরা সর্বোচ্চ শ্রম দিয়ে যাচ্ছি। ইতোমধ্যেই লামা থানার একজন পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে লামা উপজেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।

যেখানে সারাদেশে ২৫ হাজারেরও অধিক লোকের করোনা পজেটিভ, সেখানে লামা উপজেলায় এখন পর্যন্ত মাত্র পাঁচ/ছয় জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। আপনাদের সহযোগিতা এবং আমাদের পরিশ্রমের ফল স্বরূপ দেশের সার্বিক পরিস্থিতির তুলনায় লামা উপজেলা অনেক ভালো অবস্থানে আছে। আসুনঅাল্লাহর দরবারে শোকরিয়া আদায় করি।
সামনে ঈদুল ফিতর। এ উপলক্ষে কোন ব্যক্তি যেন বাহিরের এলাকা থেকে লামা উপজেলায় প্রবেশ করতে না পারে সে লক্ষ্যে লামা থানা কঠোর অবস্থানে থাকবে। আপনাদের পরিবারের কেউ যাতে ঈদ উপলক্ষ্যে লামা থানা/উপজেলায় প্রবেশ না করে। প্রয়োজনে এ সংবাদ মোবাইল ফোনে তাদেরকে জানিয়ে দিন

উল্লেখ্য, ঈদ উদযাপনের লক্ষ্যে কেউ লামায় প্রবেশ করলে তার বিরুদ্ধে নিম্নোক্ত পদক্ষেপসমূহ গ্রহণ করা হবেঃ জেল বা জরিমানা বা জেল-জরিমানা উভয়ই। পুরুষের ক্ষেত্রে, লামা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ও নুনারঝিরি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১৪ দিনের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিন। মহিলার ক্ষেত্রে, লামা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ১৪ দিনের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিন।

কেউ এ অনুপ্রবেশে সহায়তা করলে তার বিরুদ্ধেও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এর কোন ব্যত্যয় ঘটবে না। নিরাপদে থাকুন। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখুন। নিজের বাসস্থান লামা উপজেলাকে নিরাপদে রাখুন। আপনাদের সকলের সুস্থতা কামনা করছি। আল্লাহ আমাদের সকলের সহায় হবেন ইনশাআল্লাহ।লক্ষণীয়ঃ জরুরী সেবা লকডাউনের আওতামুক্ত।
একইভাবে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা প্রশাসন এবং জেলার অন্যান্য উপজেলা প্রশাসন ঈদের ছুটিতে উপজেলাতে প্রবেশ এবং বাহিরের উপর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে।

LEAVE A REPLY