গুইমারায় আ’লীগ সভাপতির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ

আপডেট: মে ২২, ২০২০
0

প্রেস বিজ্ঞপ্তি: খাগড়াছড়ির গুইমারা উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি জাহাঙ্গীর আলমের সম্মানহানী করতে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ উঠেছে দিদারুল আলম দিদার নামের স্থানীয় এক সাংবাদিক এর বিরুদ্ধে। বিভিন্ন সময় সে আওয়ামীলীগ সভাপতির কাছ থেকে ঢাকা-চট্টগ্রাম যাওয়া থেকে শুরু করে তার ব্যক্তিগত প্রয়োজনে মোটা অঙ্কের অর্থ ও অনৈতিক সুবিধা চেয়ে না পাওয়ায় তার বিরুদ্ধে এই সম্মানহানীর ষড়যন্ত্রের অভিযোগ আনেন তিনি।

শুধু তাই নয় সম্প্রতি গুইমারা ইটভাটায় শ্রমিক নির্যাতনের একটি ষড়যন্ত্র মঞ্চায়িত করে নিজের ষড়যন্ত্র পাকাপোক্ত করে একটি সংবাদ পরিবেশন করে এ সংবাদকর্মী। সে বিএনপির পদ পদবীতে থাকায় আওয়ামীলীগের সভাপতিতে ভিন্ন পন্থায় ষড়যন্ত্রের জাল বিছিয়ে তার সম্মান নিয়ে খেলছে বলে অভিযোগ করেন জাহাঙ্গীর আলম। তিনি প্রশ্ন রাখেন ৪ জন ইটভাটার মালিক হলে ও যদি ঘটনা সত্যি হয়ে থাকে তাহলে আওয়ামীলীগ সভাপতির নাম উল্লেখ করে সংবাদ পরিবেশনের উদ্দেশ্য কি?

দিদারুল আলম দিদার নামের এই যুবক পবিত্র পেশা সাংবাদিকতাকে পুঁজি করে দীর্ঘ দিন ধরে চাঁদাবাজী, সাধারণ মানুষকে ভয়-ভীতি প্রদর্শণ করে অর্থ আদায় করা থেকে শুরু করে রাজনৈতিক নেতাকর্মী,ঠিকাদারদের ভীতি প্রদর্শনের ঘটনা নতুন কিছু নয়। সম্প্রতিও সে জালিয়াপাড়া মসজিদের কাজে চাঁদাবাজি, কয়েক বছর আগে এক উপজাতিয় নারীকে ধর্ষনের অভিযোগে ফেরার হয় সে। এছাড়াও তার বসবাসরত এলাকায় একটি হত্যা মামলার আসামীও সে। একাধিক পত্রিকা,অনলাইন ও টিভি সাংবাদিক বলে পরিচয় দিয়ে সকলকে হুমকিও দিয়ে বেড়ায় এই দিদারুল আলম। এছাড়াও সে চাইলে বিভিন্ন মিডিয়ার সিনিয়র সাংবাদিকদের দিয়ে দেখে নিতে পারে বলে হুংকার দেয়। এ ভাবে তার বেপরোয়া চাঁদাবাজীতে অস্থির হয়ে উঠেছে গুইমারা উপজেলাবাসী।

সম্প্রতি গুইমারা মডেল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে স্কুল অডিটরিয়াম ভবন এর কাজে চাঁদা চেয়ে না পাওয়ায় কাজের সুবিধাত্বে মাটি কাটাকে পাহাড় কাটার সংবাদ পরিবেশন করে উন্নয়ন কাজে বাঁধাগ্রস্থ করে এই যুবক। বিভিন্ন এলাকায় বিয়ে থেকে শুরু করে সামাজিক অনুষ্ঠানেও চাঁদাবাজি তার কাছে নতুন কোন কিছু নয়। মুলত বিএনপির পদ-পদবীতে থাকা এ সূচতুর যুবক নিজের সকল অর্পকর্ম থেকে রক্ষা পেতে সাংবাদিকতার পেশাকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে মানুষের সম্মানহানি ও চাঁদাবাজির মিশন নিয়ে মাঠে নেমেছে।

তাই প্রশাসনের সু-দৃষ্টি কামনা করে দিদারুল আলম দিদার এর কর্মরত সকল প্রতিষ্ঠান তার এই হীন কর্মকাণ্ডের বিষয়ে বিবেচনা করা এবং একজন হত্যা ও ধর্ষন মামলার আসামী কিভাবে সাংবাদিকতা পেশায় নিয়োজিত রাখা হয় এসকল বিষয়ে সাধারণ মানুষের কাছে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে জানিয়ে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

LEAVE A REPLY