না’গঞ্জ বিএনপির নতুন আহবায়ক কমিটি নিয়ে বিতর্ক : ক্ষুদ্ধ তৃণমূল

আপডেট: জানুয়ারি ৭, ২০২১
0

স্টাফ রিপোর্টার, নারায়ণগঞ্জ : জেলায় নতুন আহবায়ক কমিটি নিয়ে তৃণমূল বিএনপি’র নেতাকর্মীরা চরম ক্ষুদ্ধ।বিক্ষুদ্ধ নেতাকর্মীরা বলেছেন , আহবায়ক, সদস্য সচিব সহ কয়েকজন ব্যতিত বাকি সকলেই অযোগ্য।

বিগত দিনে রাজপথে আন্দোলন করা নেতাদের কমিটি থেকে বাদ দিয়ে সাম্প্রতিককালের সবচেয়ে অযোগ্য কমিটি করা হয়েছে। আগামীতে এ কমিটি দিয়ে আগানো কঠিন চ্যালেঞ্জ পড়বেন আহবায়ক ও সদস্য সচিব।

১ জানুয়ারী ওই কমিটি ঘোষণা করা হয়। ৪১ সদস্যের কমিটির আহবায়ক করা হয়েছে অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকারকে যিনি এখন দলের চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা। নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সেক্রেটারী ও সভাপতি পদেও ছিলেন তৈমূর। সদস্য সচিব করা হয়েছে সবশেষ কমিটির সেক্রেটারী অধ্যাপক মামুন মাহমুদকে যিনি জেলা যুবদলের দীর্ঘ বছর নেতৃত্ব দিয়েছেন।

কমিটিতে বিগত দিনে আন্দোলনে সক্রিয় অনেক নেতাকেই মাইনাস করা হয়েছে। ছাত্রদলের সাবেক আহবায়ক মাসুকুল ইসলাম রাজীব ছিলেন বিগত বিএনপির কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক। তাকে এবারের কমিটিতে রাখা হয়নি।

রূপগঞ্জের মোস্তাফিজুর রহমান দিপু ভূইয়া ছিলেন রাজনীতিতে সক্রিয়। তার রয়েছে বিশাল অনুগামী। কিন্তু তাকে দলে রাখা হয়নি। বরং রূপগঞ্জে আন্দোল সংগ্রামে ছিলেন না তাদের প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। বিএনপির প্রতীক না নেওয়া শরীফুল টুটুললকে এবার কমিটিতে রাখা হয়েছে।
নাসিরকে কমিটিতে রাখা হয়েছে যাঁর বিরুদ্ধে তারাবো পৌরসভায় সরকার দলের সঙ্গে আতাঁতের অভিযোগ আনা হয়েছে। কমিটিতে নাই সোনারগাঁয়ের আজহারুল ইসলাম মান্নান। রাখা হয়নি জনপ্রিয় নারী কাউন্সিলর আয়শা আক্তার দিনাকে। কমিটিতে নাই সাবেক এমপি মুহাম্মদ গিয়াসউদ্দিন।

এক সময়ে গিয়াসউদ্দিনের ঘনিষ্ঠজনক আবদুল হাই রাজু। আন্দোলনে না থাকলেও তাঁকে দলে ঠাঁই দেওয়া হয়েছে। নজরুল ইসলামের আজাদের চাচা হওয়ার কারণেই যুগ্ম আহবায়ক হয়েছেন ওয়ানম্যান শো নেতা লুৎফর রহমান আবদু। কোন মিছিল মিটিং নাই কিন্তু যুগ্ম আহবায়ক হয়েছেন নজরুল ইসলাম পান্না মোল্লা।

আওয়ামী লীগের এমপি শামীম ওসমানকে নেতা মানা সদর উপজেলার চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আবুল কালাম আজাদ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে অভিযোগের শেষ নাই। তাকে করা হয়েছে সদস্য। জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি কাজী মনিরুজ্জামানের অনুগামী আশরাফুল হক রিপনও সদস্য। আন্দোলনে দেখা যায় না হাবিবুর রহমান হাবু, দুলাল হোসেন, কাশেম ফকির, ইউসুফ আলী ভূঁইয়া, আব্দুল আজিজ মাস্টার, এম এ হালিম জুয়েল, গুলজার হোসেন, শাহ আলম হিরা, নুরুন্নাহার বেগম, একরামুল কবির মামুন, শাহ আলম মুকুলকে। কিন্তু হয়ে গেছেন সদস্য।
অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার জানান, নতুন বছরে নতুন উদ্যম নিয়ে নতুন আহবায়ক কমিটির সকলে একসাথে কাজ শুরু করবো।

এম আর কামাল