পটুয়াখালীতে কোহিনূর অটো মিলে ভারতীয় নুরজাহানের লোগো ব্যবহার,দেশীয় চাল বিক্রি

আপডেট: নভেম্বর ৩০, ২০২২
0

মু,হেলাল আহম্মেদ(রিপন)
পটুয়াখালী ঃ
পটুয়াখালী প্রতিনিধিঃ

দেশের চালের বাজারে ভারতের ‘নূরজাহান’ চালের ব্যপক চাহিদা থাকায় সবাই মাতোয়ারা তখন পটুয়াখালীর কালিকাপুর ইউনিয়নের বসাকবাজার এলাকায় কোহিনুর অটো রাইস মিলের চাল ভারতীয় চিকন চালের জনপ্রিয় ব্রান্ড ’নুরজাহান’ , দেশীয় জোড়া কবুতর সহ বিভিন্ন নামিদামী কম্পানির লোগো ব্যাবহার করে দেশীয় উৎপাদিত চাল প্লাস্টিক বস্তায় ভরে বাজারজাত করার অভিযোগ উঠেছে এই প্রতিষ্ঠানটির উপর।

অদ্য ৩০ শে নভেম্বর দুপুর ১ টার দিকে বসাক বাজার এলাকায় সরেজমিন অনুসন্ধানে গেলে এর তথ্য মেলে।

জেলার বিভিন্ন উপজেলা সহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় তারা বিক্রি করছে এসব দেশীয় চাল। এসব যেন দেখার কেউ নেই। অভিযোগ উঠেছে, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও প্রশাসনের কর্তব্যরত ব্যক্তিদের এব্যাপারে নির্লিপ্ততার। সদর উপজেলার মধ্যেই অটো রাইসমিলের অসাধু মুনাফালোভী ব্যবসায়ীরা এভাবে দেশীয় মোটা চালকে প্রসেস করে বিভিন্ন নামিদামী ব্রান্ডেের মোড়কে প্যাকেট করে বিক্রি করছে এসব চাল। যা পরবর্তীতে ভারতীয় চিকন চালের জনপ্রিয় ব্রান্ড ’নুরজাহান’ দেশীয় ‘জোড়া কবুতর’ সহ বিভিন্ন নামিদামী কম্পানির লোগো ব্যবহার করে ২৫ ও ৫০ কেজির বস্তায় বাজার জাত করা হচ্ছে। এতে করে সরকারের রাজস্ব ফাঁকি সহ সাধারন ভোক্তারা প্রতিনিয়ত প্রতারিত হচ্ছেন।

এবিষয় কোহিনূর অটোরাইস মিলের জি,এম
আব্দুস সালাম বাবুল মোল্লার কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, আমি ২০২০ সালে এখানে কর্তব্যরত আছি। তবে আমার জানা নেই এই কাজটি অবৈধ কি না,এখানে গ্রাহক যেমন চাচ্ছেন আমরা সেই রকম প্রস্তুুত করে দিচ্ছি। বিভিন্ন ুউপজেলা থেকে গ্রাহক কম খরচে আমাদের নুরজানানের বস্তায় দেশী চাল প্রস্তুুত করে দিতে বলেন আমরা দেই। সেটা বৈধ কি না
আমি জানি না। অচিরেই আমরা এসব বস্তা পুরিয়ে ফেলবো। তবে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ মাঝে মধ্যে এসে দেখে যান বলে জানান।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জনৈক ব্যক্তিরা জানান, অত্র এলাকার সাধারণ কৃষক এর আগেও কোহিনূর অটোরাইস লিমিটেড এর বিরুদ্ধ প্রতিবাদ করেছে। তাদের ব্যবহারীক বজ্য কৃষি জমির ব্যপক ক্ষতি সাধন করছে। তারা মানববন্ধন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেও কোন প্রতিকার পায়নী। তাদের প্রানের দাবী অচিরেই এসব বজ্য কৃষি জমির ব্যহত না হয় সেই লক্ষ্যে উদ্ধর্তন কতৃপক্ষের কাছে জোড় দাবী জানান তারা।

এ ব্যাপারে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর পটুয়াখালীর সহকারী পরিচালক মোঃ শাহ্‌ শোয়াইব মিয়ার মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি বলেন, নিজের পন্য অন্য কারো মোড়ক কিংবা লোগোতে ব্যাবহার করে বাজারজাত করা সম্পুর্ন বেআইনী। বিষয়টি ইতিমধ্যে আমি গত ২৯ নভেম্বর অবগত হয়েছি। এ ব্যপারে দ্রুত অভিযান পরিচালনা করে প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনায় যারা আছেন তাদের চিহ্নিতপূর্বক কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান তিনি।