“পাট শিল্পের উন্নয়নে এর বহুমুখীকরণ, সম্ভাবনা ও প্রতিবন্ধকতা” শীর্ষক ওয়েবিনার অনুষ্ঠিত

আপডেট: নভেম্বর ১২, ২০২১
0

পাট শিল্পের উন্নয়নে এর বহুমুখীকরণ, সম্ভাবনা ও প্রতিবন্ধকতা নিয়ে ওয়েবিনার সেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে।বৃহষ্পতিবার (১১ নভেম্বর) বিকাল ৪:টায় রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো বাংলাদেশের আয়োজনে ‘‘সোর্সিং বাংলাদেশ ভার্চ্যুয়াল এডিশন ২০২১” এর প্রেক্ষিতে ভার্চ্যুয়াল প্ল্যাটফর্ম জুমে “পাট শিল্পের উন্নয়নে এর বহুমুখীকরণ, সম্ভাবনা ও প্রতিবন্ধকতা” শীর্ষক এই ওয়েবিনার সেশন অনুষ্ঠিত হয়।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো’র ভাইস চেয়ারম্যান এ.এইচ.এম. আহসানের সভাপতিত্বে ওয়েবিনার সেশনে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ আবুল কালাম এনডিসি।

প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ক্রিয়েশন প্রাইভেট লিমিটেড’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. রাশেদুল করিম মুন্না। প্যানেলিস্ট হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো’র মহাপরিচালক-২ খালেদ মামুন চৌধুরী, তারাঙ্গো’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কোহিনুর ইয়াসমিন, কর-দি জুট ওয়ার্কস’র পরিচালক বার্থা গীতি বারোই, এসএমই ফাউন্ডেশন’র পরিচালক শাহেদুল ইসলাম হেলাল।

ওয়েবিনারে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ আবুল কালাম বলেন, পাট চাষ ও পাট শিল্পের সঙ্গে বাংলাদেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি জড়িত। স্বাধীনতার পরও দেড় যুগ ধরে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে পাটের অবদানই ছিল মুখ্য। পাট উৎপাদনকারী পৃথিবীর অন্য দেশগুলোর তুলনায় বাংলাদেশের পাটের মান সবচেয়ে ভালো। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বাস্তবতায়, পাট চাষের উন্নয়ন ও পাট আঁশের বহুমুখী ব্যবহারের লক্ষ্যে সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোক্তাদের যৌথ উদ্যোগের মাধ্যমে বাংলাদেশের পাট নিয়ে অনেক দূর এগিয়ে যাওয়া সম্ভব।

প্রধান আলোচক মো. রাশেদুল করিম মুন্না বলেন, বৈশ্বিক বাস্তবতায় দাঁড়িয়ে আমাদের পাটশিল্পের সমস্যা ও সম্ভাবনা খুঁজতে হবে। পরিবেশবান্ধব পাটকে বিশ্বময় ছড়িয়ে দেয়ার প্রস্তুতি গ্রহণ করতে হবে। নিজেদের উন্নতি অন্যদের হাতে তুলে না দিয়ে, কাঁচাপাট রফতানির পরিমাণ কমিয়ে এনে নিজেরা প্রক্রিয়াজাতকরণের উদ্যোগ নিতে হবে। তাই পাটকলগুলো ক্রমশ খুলে দিয়ে, পাট শিল্পের প্রতিবন্ধকতাগুলোকে চিহ্নিত করে সেগুলো সমাধানের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। এটাই সময় নিজেদের কাঁচামাল ব্যবহারে সমৃদ্ধি অর্জন করার, উন্নত দেশ গড়ার।

ওয়েবিনারের প্যানেলিস্ট খালেদ মামুন চৌধুরী, কোহিনুর ইয়াসমিন, শাহেদুল ইসলাম হেলাল ও বার্থা গীতি বারোই এর উপস্থিতে পাট শিল্পের উন্নয়নে এর বহুমুখীকরণে গুণগতমানের শিল্প স্থাপন, পণ্য উৎপাদন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, জাতীয় আয় বৃদ্ধিসহ দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতে পাটের গুরুত্বপূর্ণ অবদান ও সম্ভাবনাকে জাগিয়ে তুলতে পাটকলের মালিক-শ্রমিকের সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্কের গুরুত্বপূর্ণতার কথা জানিয়ে বার্থা গীতি বারোই বক্তব্য রাখেন।

পরিশেষে উপস্থিত সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে ওয়েবিনার সেশনের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।