পাতলা ডাল আর আলু বর্তার পরিবর্তে ডিম,কলা দুধ পাচ্ছে কিশোরগঞ্জ পুলিশ মেসে

আপডেট: অক্টোবর ২২, ২০২২
0
file photo

বিপ্লব বিশ্বাস

এখন আর বাংলাদেশ পুলিশের মেস গুলোতে সকালের নাস্তায় আলু বর্তা ডাল, দুপূরে শবজি মাছ, পাতলা ডাল , রাতে পাতলা ডাল, সবজি মাছ খেতে হয়না। এখন খাবারের মান উন্নতর পাশাপাশি বাহ্যিক পরিবর্তন ও এসেছে পুলিশের মেস গুলোতে। এর ধারাবাহিকতায় এবার কিশোরগঞ্জ পুলিশের মেসে খাবারের মেনুতে জেলার এসপির ম্যানেজমেণ্টে এ প্রতিদিন দেয়া হচ্ছে ডিম,দুধ,কলা। পরিমানেও বেড়েছে গরু ও খাসির মাংসে।

পুলিশের সূত্রগুলো বলেছে, দেশের জনগণের বিপদ-আপদে সব সময় সবার অগে পাশে দাঁড়ায় বাংলাদেশ পুলিশ। একজন পুলিশ সদস্য জনগণের সেবায় যে পরিমান কষ্ট, শ্রম দিয়ে থাকে । সেই তুলনায় তাদের খাবার মানহীন, চাহিদার চিয়ে কম অপ্রতুল্য থাকে। শরীরের চাহিদানুযায়ী সেই পরিমান খাবার তার পান না।
এসব দিক ভেবেই দেশের এই প্রথম কিশোরগঞ্জ জেলা পুলিশের খাবার ম্যানুতে প্রতিদিন দুধ,কলা,ডিম যোগ করা হয়েছে। বাড়িয়ে দেয়া হয়েছে মাছ,মাংসের পরিমান। জেলার এসপি শেখ রাসেল যোগ দেয়ার আগে এখানের পুলিশ মেসে ডাল সবজি আলু বর্তা, ও এক প্রকার মাছের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল। মাংস ও সপ্তাহে দেয়া হতো একবার।
এ বিষয়ে এসপি রাসেল জেনে নিজস্ব ম্যানেজমেণ্টে এখন প্রতিদিন একবেলায় খাবারে মাংস,দুধ,ডিম,কলা পুলিশ সদস্যদের দিতে পারেন।

এ ব্যপারে কিশোরগঞ্জ জেলার এসপি শেখ রাসেল বলেন,মানুষের সবচেয়ে কাছ থেকে মাঠ পর্যায়ে কাজ করে বাংলাদেশ পুলিশ। সবকিছুর নিরাপত্তাসহ সবার আগেই ছুটে যায় পুলিশ। তাই তাদের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা সবার আগে প্রয়োজন। পুলিশ সদস্যরা যখন ভালো থাকবেন, তখনই আমরা তাদের কাছ থেকে ভালো কিছু আশা করতে পারি। তাদের ভেতরে বিভিন্ন হতাশা রেখে আমরা তাদের কাছ থেকে ভালো কিছু আশা করতে পারি না।’তাই এই বিষয় গুলো মাথায় রেখে প্রথমে তাদের খাবার মান উন্নত করেছি।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো:মোস্তাক সরকার বলেন,
পুলিশ সদস্যরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ দমন, অপরাধীদের গ্রেফতার, মামলা গ্রহণ, বিচারে সহায়তা, সড়কে শৃঙ্খলা ও ভিআইপি নিরাপত্তা-প্রটোকলসহ অনেক দায়িত্ব পালন করে থাকেন। সেক্ষেত্রে শারিরীক সক্ষমতা খুবই প্রয়োজন। এসব চিন্তা মাথায় রেখে এসপি স্যারের নিজস্ব ম্যানেজমেণ্ট এ আমরা এখন পুলিশকে মান সম্মত খাবার পরিবেশন করতে পেরেছি।