বাবার হত্যাকারীদের ক্ষমার ঘোষণা দিয়ে খাসোগি পুত্রদের টুইট

আপডেট: মে ২২, ২০২০
0

আর্ন্তজাতিক ডেস্ক
সৌদির ভিন্ন মতাবলম্বী সাংবাদিক জামাল খাসোগির ছেলেরা বলেছেন, তারা তাদের বাবার হত্যাকারীদের ক্ষমা করে দিয়েছেন। শুক্রবার এক টুইট বার্তায় খাসোগির ছেলেদের পক্ষ থেকে এ কথা জানানো হয়। খবর এএফপি।

ওয়াশিংটন পোস্টের কলামিস্ট জামাল খাসোগির ছেলেদের ওই টুইট বার্তায় বলা হয়, আমরা শহীদ জামাল খাসোগির ছেলেরা ঘোষণা দিচ্ছি যে, যারা আমাদের বাবাকে হত্যা করেছেন আমরা তাদের ক্ষমা করে দিলাম।

মধ্যপ্রাচ্যের কট্টরপন্থি দেশ সৌদির রাজপরিবারের সমালোচক হিসেবে পরিচিত ছিলেন সাংবাদিক জামাল খাসোগি। যুক্তরাষ্ট্রে স্বেচ্ছায় নির্বাসিত খাসোগি গত বছরের ২ অক্টোবর দুপুরে ইস্তাম্বুলে সৌদি কনস্যুলেটে প্রবেশের পর নিখোঁজ হন।

পরবর্তীতে জানা যায় যে, ওই কনস্যুলেটের ভেতরেই জামাল খাসোগিকে হত্যা করা হয়েছে। সৌদির একটি কিলিং স্কোয়াড টিম যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের নির্দেশে ওই হত্যাকান্ড ঘটিয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। কিন্তু প্রথম থেকেই ওই হত্যাকাণ্ডের কথা অস্বীকার করে আসছে সৌদি।

যেদিন জামাল খাসোগিকে হত্যা করা হয়েছিল সেদিন ভোরেই সৌদি থেকে একটি প্রাইভেট জেট বিমান নামে ইস্তাম্বুল বিমানবন্দরে।

তুরস্কের টেলিভিশনে প্রচারিত একটি সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, বিমান থেকে নয়জন ব্যক্তি নেমে আসে। পরে আরেকটি বিমানে করে আরও ছয়জন আসে। তারা ইস্তাম্বুলে সৌদি কনস্যুলেটের কাছে দু’টি হোটেলে ওঠে।

সন্দেহভাজন ওই ১৫ জনকে সৌদি এজেন্ট হিসেবে শনাক্ত করা হয়। তাদের নাম এবং ছবিও প্রকাশ করা হয়। খাসোগি হত্যায় সন্দেহের তীর তাদের দিকেই ছিল। সাংবাদিক খাশোগি ইস্তাম্বুলে সৌদি কনস্যুলেটে গিয়েছিলেন তার প্রাক্তন স্ত্রীর সঙ্গে তালাক সম্পর্কিত কাগজপত্র নিতে। এরপরেই তিনি তার তুর্কি বান্ধবী হাতিস চেঙ্গিসকে বিয়ে করতে চেয়েছিলেন।

তিনি সৌদি কনস্যুলেটে প্রবেশের আগমুহূর্তে সেখানে তার বান্ধবীর কাছে দুটি মোবাইল ফোন রেখে গিয়েছিলেন। তার বান্ধবী সৌদি কনস্যুলেটের সামনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেন। কিন্তু খাশোগি সৌদি কনস্যুলেট থেকে আর বেরিয়ে আসেননি।

LEAVE A REPLY