ভূরুঙ্গামারীতে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ, নাকাল নিম্ন আয়ের মানুষ

আপডেট: জানুয়ারি ১৩, ২০২১
0

ভুরুঙ্গামারী(কুড়িগ্রাম)প্রতিনিধি:
ভূরুঙ্গামারীতে তীব্র শীতে জন জীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে । ঘন কুয়াশা আর হিমেল হাওয়ায় মানুষ অনেকটাই ঘর বন্দী হয়ে পড়েছে। জরুরী প্রয়োজন ছাড়া কেউ ঘর থেকে বের হচ্ছে না। এতে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বাড়ছে। নাকাল হয়ে পড়েছে নিম্ন আয়ের মানুষ ।
অপর দিকে শীতের তীব্রতার কারণে শীত জনিত রোগ-বালাই বাড়ছে। ভূরুঙ্গামারীতে গত তিন দিন থেকে সূর্যে্র দেখা মেলেনি । সকাল থেকেই কুয়াশার চাদরে ঢাকা থাকছে আকাশ। সকাল থেকেই গুড়ি গুড়ি বৃষ্টির মতো পড়ছে কুয়াশা। রাতে আরো বেশি তীব্র হচ্ছে কুয়াশা। ঘন কুয়াশার কারণে দিনের বেলায় হেড লাইট জ্বালিয়ে যান চলাচল করতে দেখা গেছে।
ঘন কুয়াশা আর শীতের কারণে দুর্ভোগে পড়েছে খেটে খাওয়া, ছিন্নমূল ও চরাঞ্চলের মানুষ। তারা খর কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন। এখন পর্যন্ত সরকারি -বেসরকারি ও ব্যক্তি উদ্যোগে যে শীত বস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে তা প্রয়োজনের তুলনায় খুব সামান্য।
চলতি ইরি-বোরো চাষের মৌসুম শুরু হলেও শীতের কারণে ক্ষেতে আমন চারা রোপণ করতে পারছেন না তারা।
অটো চালক হামিদুল জানান, অটো নিয়ে রাস্তায় বেড় হইছি কিন্তু প্রয়োজন সংখ্যক যাত্রী পাচ্ছি না। গত দুই দিনে অটো মালিকের জমার টাকা রোজগার করতে পারি নাই। পরিবারের জন্য খাবার কিনতে কষ্ট হচ্ছে।
কুড়িগ্রাম আবহাওয়া পর্যবেক্ষন অধিপ্তরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার বলেন এমন অবস্হা আরো ৩/৪ দিন থাকতে পারে।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এর আবাসিক মেডিকেল অফিসার সাদ্দাম হোসেন জানান, প্রচন্ড ঠান্ডায় শীত জনিত রোগ বালাই বেড়েছে। অন্যান্য সময়ের চেয়ে প্রায় দ্বিগুন রোগী হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসছেন। যার মধ্যে শিশু ও বৃদ্ধের সংখ্যাই বেশি।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দীপক কুমার দেব শর্মা জানান, শীত বস্ত্র হিসেবে প্রথম পর্যায়ে ৪হাজার ৬শ কম্বল পাওয়া গেছে যা ইতিমধ্যে ইউনিয়ন পর্যায়ে বিতরণ করা হয়েছে। গতকাল দ্বিতীয় ধাপে আরো ২ হাজার কম্বল পাওয়া গেছে যা আগামি এক- দুই দিনের মধ্যে বিতরণ শুরু করা হবে।

আমিনুর রহমান বাবু