মহাখালি রাজউকের স্টোররুম থেকে ছাত্রলীগ নেতা আটক!

আপডেট: মার্চ ২২, ২০২১
0

গতকাল রবিবার মহাখালীর রাজউক ভবনের স্টোররুম থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে প্রকৌশলীকে মারধর ও চাদাঁবাজীর মামলার আসামি বনানী থানা ছাত্রলীগের আরেক সহসভাপতি রাকিব হোসেনকে। তিনি বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন।

গত ১৫ মার্চ দুপুরে রাজউক ভবনের ষষ্ঠ তলায় মসজিদের পাশে এ চাঁদাবাজির ঘটনা ঘটে।

রাজউকে সূত্রগুলো ও বনানী থানা পুলিশ জানায় , দালালের মাধ্যমে কাজ না করায় রাজউক ভবনে এক আর্কিটেক্টসহ একটি প্রতিষ্ঠানের দুই কর্মকর্তাকে পিটিয়ে টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বনানী থানা ছাত্রলীগের দুই সহসভাপতিসহ সাতজনের বিরুদ্ধে।

এ ঘটনায় ওই রাতেই সাতজনের বিরুদ্ধে রাজধানীর বনানী থানায় মামলা করেন আর্কিটেক্স লিমিডেট নামে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের এক্সিকিউটিভ অ্যাডমিন ভুক্তভোগী মো. কামরুল হাসান। পরে ওই রাতেই প্রধান আসামি বনানী থানা ছাত্রলীগের সহসভাপতি মো. ইনজামামুল হাসানকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। আদালতের নির্দেশে তিনি বর্তমানে কারাগারে আছেন।

মামলার বাদী ভুক্তভোগী কামরুল হাসান জানান, একটি নকশার অনুমোদন কাজের জন্য গত ১৫ মার্চ দুপুরে তার প্রতিষ্ঠানের সহকারী আর্কিটেক্ট ফাহিম শাহারিয়ারকে নিয়ে তিনি রাজউক অফিসের ড্রাফসম্যান কামরুল ইসলামের কার্যালয়ে যান।

কিন্তু ওই কর্মকর্তা অফিসে না থাকায় তারা সেই কক্ষেই অপেক্ষা করছিলেন। এ সময় অচেনা কয়েকজন যুবক নিজেদের ছাত্রলীগের নেতা পরিচয় দিয়ে দালালদের মাধ্যমে কাজ না করায় ওই দুই কর্মকর্তাকে গালমন্দ করেন

এবং তাদের কাছে এক লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। একপর্যায়ে ড্রাফটসম্যান কামরুল ইসলাম কক্ষে ফিরে আসেন। সেই সময় তারা চাঁদার টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে যুবকরা ড্রাফসম্যানের সামনেই তাদের অকথ্য ভাষায় গালাগাল করেন। প্রতিবাদ করলে ওই যুবকরা তাদের মারধর করতে করতে কক্ষের বাইরে নিয়ে ৩১ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যান। ঘটনার সময় দুই যুবক একজন আরেকজনকে ইনজামামুল ও রাকিব নাম ধরে ডাকছিল। বিষয়টি রাজউক কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে জানান ভুক্তভোগীরা। পরে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে ওই দিন রাতেই বনানী থানায় মামলা করেন কামরুল হাসান।

এদিকে ইনজামামুল ও রাকিবের ব্যাপারে বনানী থানা ছাত্রলীগের সভাপতি মো. শাহ আলম বলেন, চাঁদাবাজির মামলায় গ্রেপ্তার তাদের দুই সহসভাপতির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হলে সাংগঠনিকভাবে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।