রূপপুরে ফের ১১ কোটি টাকার অনিয়মের অভিযোগ

আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২০
0

বালিশকাণ্ডের রেশ শেষ হতে না হতেই রূপপুর প্রকল্পে আবারও অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। সেখানে আবাসিক প্রকল্পে আবারও অস্বাভাবিক বেশি দামে আসবাবপত্র কেনা হচ্ছে। অভিযোগ উঠেছে, সর্বনিম্ন দরদাতাকে বাদ দিয়ে অনিয়েমের মাধ্যমে সর্বোচ্চ দরদাতাকে আসবাব কেনার কাজ দেওয়া হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র প্রকল্পের কর্মকর্তাদের আবাসিক প্রকল্প গ্রিন সিটির দশটি ভবনে আসবাবপত্র সরবরাহের জন্য চলতি বছরের ১৯ জুলাই থেকে ৯ আগস্ট পর্যন্ত দরপত্র আহবান করা হয়। সেখানে আসবাবপত্র প্রস্তুতকারী ছয়টি প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়। কিন্তু সর্বনিম্ন দরদাতাকে কার্যাদেশ না দিয়ে সর্বোচ্চ দরদাতার কাছ থেকে আসবাব কেনা হচ্ছে। এতে সরকারের ক্ষতি হবে প্রায় ১১ কোটি টাকা।

জানা গেছে, সর্বনিম্ন দরদাতা ছিল পারটেক্স ফার্নিচার। তারা ৪৪ কোটি ৯২ লাখ ৪৭ হাজার টাকার দরপত্র জমা দেয়। দ্বিতীয় সর্বনিম্ন দর ছিল ৫৪ কোটি ৮৮ লাখ ১২ হাজার টাকা এবং তৃতীয় সর্বনিম্ন দরদাতা হাতিল দর দিয়েছিল ৫৫ কোটি ৯০ লাখ ৪৫ হাজার ৪১৯ টাকা।

এছাড়া দরপত্র জমা দিয়েছিল এস রহমান অ্যান্ড ব্রাদাস, ব্রাদার্স ফার্নিচার লিমিটেড ও আকতার ফার্নিচার লিমিটেড।

নিয়ম অনুযায়ী সর্বনিম্ন দরদাতা পারটেক্স ফার্নিচার কাজ পাওয়ার কথা থাকলেও কাজ দেওয়া হয়েছে হাতিল ফার্নিচারকে। পাবনা গণপূর্ত বিভাগের এই অনিয়মের কারণে সরকারের প্রায় ১১ কোটি টাকা ক্ষতি হচ্ছে।

সর্বনিম্ন দরদাতাকে বাদ দিয়ে কেন সর্বোচ্চ দরদাতার কাছ থেকে আসবাবপত্র কেনা হচ্ছে গণমাধ্যমের পক্ষ থেকে জানতে চাওয়া হলে পাবনা গণপূর্ত বিভাগের তৎকালীন নির্বাহী প্রকৌশলী ও টেন্ডার কমিটির চেয়ারপারসন এবং প্রকল্প পরিচালক আরিফুজ্জামান খন্দকার বলেন, “এই টেন্ডার নিয়ম মেনেই সম্পন্ন করা হয়েছে। কোনো ধরনের অনিয়ম হয়নি। ” এরপর তিনি আর এ বিষয়ে কথা বলতে চাননি।

এ বিষয়ে গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলা মো. আশরাফুল আলম বলেন, “আসবাবপত্র ক্রয়ে যদি কোনো ধরনের অনিয়ম হয়ে থাকে, তাহলে তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ”

LEAVE A REPLY