র‌্যাব-২র অভিযানে হিযবুত তাহরীর’র শীর্ষ নেতা গ্রেফতার

আপডেট: জানুয়ারি ২২, ২০২৩
0

র‌্যাব-২র অভিযানে নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন হিযবুত তাহরীর’র শীর্ষ নেতা তৌহিদুর রহমান তৌহিদ দীর্ঘ ১১ বছর পলাতক থাকার পর রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) সিনিয়র এএসপি মোঃ ফজলুল হক এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানান, ”তৌহিদুর রহমান তৌহিদ (৩২) নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন “হিযবুত তাহরীর” শীর্ষ নেতা এবং দাওয়াতি ও অর্থ বিভাগের অন্যতম দায়িত্বপ্রাপ্ত। বাংলাদেশ সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক মিটিং করে হিজবুত তাহরীর লিফলেট এবং পোষ্টার বিতরণের মাধ্যমে সরকার এবং রাষ্ট্রবিরোধী কার্যক্রম করে থাকে। মাদ্রাসা ও স্কুলের ছাত্রদেরকে তথা তরুণ প্রজন্মকে জঙ্গীবাদে উৎসাহিত করে।

সে গণতন্ত্রকে ভাইরাস আখ্যা দিয়ে খিলাফত প্রতিষ্ঠার কাজ করতো। গ্রেফতাকৃত তৌহিদ রাজধানীর হাজারীবাগ থানায় সন্ত্রাস বিরোধী আইনে দায়েরকৃত মামলার এজাহার নামীয় ও চার্জশীটভুক্ত নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন হিযবুত তাহরীর এর শীর্ষ পর্যায়ের নেতা। সে বিভিন্ন ছদ্মবেশ ধারন করে বিগত ১১ বছর যাবৎ আত্মগোপনে থেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজর এড়িয়ে জঙ্গী সংগঠনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখে। গ্রেফতারকৃত তৌহিদ “সন্ত্রাস বিরোধী ট্রাইব্যুন্যাল” কর্তৃক ইস্যুকৃত গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত ০২ বছর সশ্রম কারাদন্ডপ্রাপ্ত পলাতক জঙ্গি আসামি। তৌহিদুর রহমান তৌহিদ (৩২)‘কে গ্রেফতারের লক্ষ্যে র‌্যাব-২ এর একটি অভিযানিক দল তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে আভিযানিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখে।”

এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গত ২১/০১/২০২৩ তারিখে রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন “হিযবুত তাহরীর” শীর্ষ নেতা এবং দাওয়াতি ও অর্থ বিভাগের অন্যতম দায়িত্বপ্রাপ্ত তৌহিদুর রহমান তৌহিদ (৩১), পিতাঃ তোফাজ্জল হোসেন, থানা- গোপালপুর, জেলা- টাঙ্গাইল’কে গ্রেফতার করে। উক্ত গ্রেফতারকৃত আসামি সন্ত্রাস বিরোধী ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক ইস্যুকৃত গ্রেফতারী পরোয়ানাভুক্ত একজন ফেরারি আসামি।

সে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে নিষিদ্ধ ঘোষিত উগ্র জঙ্গীবাদী বই প্রচার ও নওযুবক তথা তরুণ প্রজন্মকে জঙ্গিবাদে উৎসাহিত করে আসছিল। সে বিগত দিন গুলোতে বিভিন্ন উপায়ে রাষ্ট্র ও সরকার বিরোধী লিফলেট বিতরণ ও দাওয়াতি কাজ করত। গ্রেফতারকৃত আসামির নিকট হতে প্রাপ্ত তথ্য যাচাই-বাছাই করে তার অন্যান্য সহযোগী সদস্যদের গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যহত থাকবে।

গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।