লাকসামে ধানক্ষেত থেকে চিতাবাঘের ৩টি শাবক উদ্ধার

আপডেট: মে ১২, ২০২০
0

লাকসামে ধানক্ষেত থেকে চিতাবাঘের ৩টি শাবক উদ্ধার করলো পুলিশ
মোঃ আরিফুর রহমান , কুমিল্লা
কুমিল্লার লাকসামে ধান কাটতে গিয়ে চিতাবাঘের তিনটি শাবক আটক করা হয়েছে। আজ সোমবার উপজেলার কান্দিরপাড় ইউনিয়নের চনগাঁও নোয়াপাড়া গ্রামের ফসলি জমি থেকে শাবকগুলো আটক করা হয়। উদ্ধারকারী ওই যুবক তথ্য গোপন করে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে শাবকগুলো বিক্রির অপচেষ্টা চালালেও তা সম্ভব হয়নি। খবর পেয়ে লাকসাম থানা পুলিশ শাবকগুলো উদ্ধার করেছে।
সূত্রে জানা যায়, উপজেলার চনগাঁও নোয়াপাড়ার আবেদনগর মাদ্রাসা সংলগ্ন হাজী ছেরাজুল ইসলামের ছেলে মাসুম খান নিজেদের ফসলি জমিতে ইরি ধান কাটতে গিয়ে চিতাবাঘের তিনটি শাবক দেখতে পান। এসময় স্থাণীয়দের সহযোগিতায় তিনি জীবিত অবস্থায় শাবকগুলো আটক করেন। মাসুম এগুলো বাড়িতে নিয়ে খাচায় বন্দি করে অত্যন্ত গোপনে রেখে দেন। তিনি দুইটি শাবক আটক করেছেন মর্মে নিজের ফেসবুকেও একটি স্ট্যাটাস দেন। এরপর থেকে এলাকার লোকজন শাবকগুলো দেখতে আসলে তিনি দেখাননি। স্থানীয়দের সাথে বিষয়টি নিয়ে তার বিরুদ্ধে দুর্ব্যবহারেরও অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় একাধিক সূত্র নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, মাসুম চিতাবাঘের শাবকগুলো আটকের পর স্থানীয় প্রশাসন কিংবা বন বিভাগকে না জানিয়ে মোটা অংকের টাকায় এগুলো বিক্রির অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি বিভিন্ন স্থানে যোগাযোগ করছেন বলে সূত্রে জানা যায়। স্থানীয়দের সাথে বিষয়টি নিয়ে তার বিরুদ্ধে দুর্ব্যবহারেরও অভিযোগ উঠেছে।

এ বিষয়ে জানার জন্য মাসুম খানকে তার মুঠোফোনে (০১৭৮৭-৩০৮৩০০) কল দিলে তিনি চিতাবাঘের তিনটি শাবক আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে তথ্য গোপন করে বলেন, দুইটি শাবক ছেড়ে দিয়েছি। অন্যটি পাশ্ববর্তী এলাকার আরিফকে দিয়েছি। এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসন বা বনবিভাগকে না জানিয়ে নিজে দু’টি

লাকসামে ধানক্ষেত থেকে চিতাবাঘের ৩টি শাবক আটক: উদ্ধার করলো পুলিশ
মোঃ আরিফুর রহমান , কুমিল্লা
কুমিল্লার লাকসামে ধান কাটতে গিয়ে চিতাবাঘের তিনটি শাবক আটক করা হয়েছে। আজ সোমবার উপজেলার কান্দিরপাড় ইউনিয়নের চনগাঁও নোয়াপাড়া গ্রামের ফসলি জমি থেকে শাবকগুলো আটক করা হয়। উদ্ধারকারী ওই যুবক তথ্য গোপন করে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে শাবকগুলো বিক্রির অপচেষ্টা চালালেও তা সম্ভব হয়নি। খবর পেয়ে লাকসাম থানা পুলিশ শাবকগুলো উদ্ধার করেছে।
সূত্রে জানা যায়, উপজেলার চনগাঁও নোয়াপাড়ার আবেদনগর মাদ্রাসা সংলগ্ন হাজী ছেরাজুল ইসলামের ছেলে মাসুম খান নিজেদের ফসলি জমিতে ইরি ধান কাটতে গিয়ে চিতাবাঘের তিনটি শাবক দেখতে পান। এসময় স্থাণীয়দের সহযোগিতায় তিনি জীবিত অবস্থায় শাবকগুলো আটক করেন। মাসুম এগুলো বাড়িতে নিয়ে খাচায় বন্দি করে অত্যন্ত গোপনে রেখে দেন। তিনি দুইটি শাবক আটক করেছেন মর্মে নিজের ফেসবুকেও একটি স্ট্যাটাস দেন। এরপর থেকে এলাকার লোকজন শাবকগুলো দেখতে আসলে তিনি দেখাননি। স্থানীয়দের সাথে বিষয়টি নিয়ে তার বিরুদ্ধে দুর্ব্যবহারেরও অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় একাধিক সূত্র নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, মাসুম চিতাবাঘের শাবকগুলো আটকের পর স্থানীয় প্রশাসন কিংবা বন বিভাগকে না জানিয়ে মোটা অংকের টাকায় এগুলো বিক্রির অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি বিভিন্ন স্থানে যোগাযোগ করছেন বলে সূত্রে জানা যায়। স্থানীয়দের সাথে বিষয়টি নিয়ে তার বিরুদ্ধে দুর্ব্যবহারেরও অভিযোগ উঠেছে।

এ বিষয়ে জানার জন্য মাসুম খানকে তার মুঠোফোনে (০১৭৮৭-৩০৮৩০০) কল দিলে তিনি চিতাবাঘের তিনটি শাবক আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে তথ্য গোপন করে বলেন, দুইটি শাবক ছেড়ে দিয়েছি। অন্যটি পাশ্ববর্তী এলাকার আরিফকে দিয়েছি। এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসন বা বনবিভাগকে না জানিয়ে নিজে দু’টি আটকে রাখলেন কেন, এমন প্রশ্নে তিনি প্রতিবেদকের উপর ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন।

লাকসাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউ.এন.ও) এ.কে.এম সাইফুল আলম জানান, খবর নিয়ে শাবকগুলো উদ্ধারের জন্য পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছি। লাকসাম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ নিজাম উদ্দিন জানান, খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ ফোর্স পাঠিয়ে ৩টি শাবক উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এগুলো সত্যিকারের চিতাবাঘ কিনা তা বনবিভাগের লোকজন আসলে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

LEAVE A REPLY