সরকারের অবস্থা নড়বড়ে , দেউলিয়া হয়ে গেছে : ডা. জাফরুল্লাহ

আপডেট: নভেম্বর ২৮, ২০২০
0
file photo

জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, আজকে সরকার দেউলিয়া হয়ে গেছে। কিভাবে হয়ছে সেটা আপনারা পত্রপত্রিকায় দেখেছেন। যাদের নিয়ে সরকার চালায় শত হাজার কোটি টাকা লুটপাট করেছে। এটা পত্রপত্রিকার কথা না এটা সরকারি মন্ত্রীর কথা। আমলারা ত লুট করবেই।

শনিবার (২৮ নভেম্বর) মওলানা ভাসানীর স্মরণে ভাসানী অনুসারী পরিষদ, ছাত্র-যুব- শ্রমিক অধিকার পরিষদ, গণসংহতি আন্দোলন ও রাষ্ট্রচিন্তার যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এক সমাবেশে তিনি একথা বলেন।

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, “বর্তমান সরকার তহবিল শুন্য সরকার, দেউলিয়া সরকার, এই সরকার গদিতে থাকার জন্য ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে জনগণের কাছ থেকে, রিকশাওয়ালার কাছ থেকে, সাধারণ মানুষের কাছ থেকে তহবিল জোগান করতে বিভিন্ন রকমের জরিমানা আদায় করছে। এই সরকারের এই অবস্থান তার পতনের অবস্থান। একটু জোরে ধাক্কা দিলেই তিনারা পড়ে যাবেন।”

কারণ তারা রাতের আধারে জনগণের ভোট লুণ্ঠন করে এই সরকারকে ক্ষমতায় বসিয়েছে। তাই তাদের ব্যাপারে কখনো কথা হবে না।

ডা. জাফরুল্লাহ আরও বলেন, বাংলাদেশ যখন আগুনে জ্বলছে তখন আমাদের প্রধানমন্ত্রী পাকিস্তানি পোশাকে মাছ ধরে বেড়ায়। তার পাশে তো পাকিস্তানের লোকজনই আছে। তার আত্মীয়-স্বজন এখনো পাকিস্তানের ব্যবসা-বাণিজ্য করে। একটা কথা আপনাদের মনে আছে রোম যখন পুড়ছিল সম্রাট নিরো তখন বাঁশি বাজাচ্ছিল। আমাদের প্রধানমন্ত্রী এখন তা করছে। তিনি ইসলামফোবিয়া করে আমাদের দৃষ্টি বিচ্ছিন্ন করার চেষ্টা করছে।

তিনি মওলানা ভাসানী ও মহান মুক্তিযুদ্ধের কথা স্মরণ করিয়ে বলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ছিল একটা স্বাধীন সার্বভৌম জনকল্যাণকর রাষ্ট্র। আজকে আপনারে এই সংগ্রাম যদি অব্যাহত থাকে বাংলাদেশের ওষুধের মূল্য ১৫

তিনি মওলানা ভাসানী ও মহান মুক্তিযুদ্ধের কথা স্মরণ করিয়ে বলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ছিল একটা স্বাধীন সার্বভৌম জনকল্যাণকর রাষ্ট্র। আজকে আপনারে এই সংগ্রাম যদি অব্যাহত থাকে বাংলাদেশের ওষুধের মূল্য ১৫ দিনের মধ্যে অর্ধেক হবে। স্বাস্থ্য ব্যবস্থা আপনাদের বাড়ীর কাছে পৌঁছাবে। সবার কর্মসংস্থান হবে। তবে জনগণের কাছে সরকার দিতে হবে। এককেন্দ্রিক সরকার কখনো মুক্তি আনতে পারেনা। তবে তার জন্য আমাদের সংগ্রাম অব্যাহত রাখতে হবে। মওলানা ভাসানীর সেই বাণী যতদিন পর্যন্ত সকল মানুষের কাছে খাদ্য পৌঁছবেনা ততদিন পর্যন্ত আমরা থামবো না। সবাইকে না খাইতে দিয়ে আমরা খাওয়া দিতে পারিনা। কিছু লোক খাবে বাকিরা খাবে না তা হবে না। আজকে শ্রমিকের কি অবস্থা দেখেছেন?

সমাবেশে ঘোষণা পত্র পাঠ করেন ভাসানী অনুসারী পরিষদের মহাসচিব শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলু, বক্তব্য রাখেন গনসংহতি আন্দোলনের আহ্বায়ক জোনায়েদ সাকি,বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের যুগ্ম-আহবায়ক ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর, রাষ্ট্র চিন্তার এডভোকেট হাসনাত কাইয়ুম,আহবায়ক রাশেদ খাঁন, বাংলাদেশ যুব অধিকার পরিষদের আহবায়ক মো. আতাউল্লাহ , শ্রমিক অধিকার পরিষদের আহবায়ক আব্দুর রহমান, ভাসানী অনুসারী পরিষদের বীর মুক্তিযোদ্ধা নঈম জাহাঙ্গীর সহ অনেকে,কে এম রাকিবুল ইসলাম রিপন, মুক্তিযোদ্ধা ফরিদ উদ্দিন,ইউনুছ মৃধা প্রমূখ।