২০ লাখ টাকায় পদ বেচাকেনা: হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের কার্যক্রম স্থগিত

আপডেট: জুলাই ৩১, ২০২০
0

হবিগঞ্জ জেলা শাখার সব সাংগঠনিক কার্যক্রম স্থগিত করেছে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ। বৃহস্পতিবার ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।

কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য স্বাক্ষরিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশ ছাত্রলীগ হবিগঞ্জ জেলা শাখার সব সাংগঠনিক কার্যক্রম স্থগিত করা হলো। একই সঙ্গে সংগঠনের নীতি আদর্শ ও শৃঙ্খলা পরিপন্থী কার্যকলাপে জড়িত থাকায় মাধবপুর উপজেলার কর্মী মাহতাবুর আলম জাপ্পিকে সাময়িক বহিষ্কার করা হলো।

উল্লেখ্য, মাধবপুর উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক পদে বসানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সাইদুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক মহিবুর রহমান মাহির বিরুদ্ধে ২০ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ এনে কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ও সম্পাদকের বরাবর আবেদন করেন মাহতাবুর আলম জাপ্পি। সোমবার দলের কেন্দ্রীয় অফিস ছাড়াও এর একটি কপি সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়ের কাছে হস্তান্তর করেন। আবেদনে তিনি ন্যায়বিচার চেয়ে দলের দুই নেতার দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

প্রসঙ্গত, মাহতাবুর আলম জাপ্পি মাধবপুরের মনতলা কলেজের ডিগ্রি ১ম বর্ষের ছাত্র এবং ছাত্রলীগের সক্রিয় কর্মী। গত বছরের শেষ দিকে মাধবপুর উপজেলা ছাত্রলীগের নতুন কমিটি দেওয়ার কথা ওঠে। ছোট ভাই জাপ্পির আবদার রাখতে গিয়ে বড় ভাই যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী শাহিন জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সম্পাদকের সঙ্গে কথা বলেন। তাদের দাবি অনুযায়ী ২০ লাখ টাকা নগদ ও ব্যাংকের মাধ্যমে প্রদান করেন। ভুক্তভোগীর অভিযোগ, হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সাইদুর রহমান প্রায় ১১ লাখ ও ৯ লাখ নিয়েছেন সাধারণ সম্পাদক মহিবুর রহমান মাহি।

টাকা লেনদেন হওয়ার পর গত ১৮ মে দলীয় প্যাডে ‘আগামী এক বছরের জন্য মাধবপুর উপজেলা শাখার সভাপতি শহীদ আলী শান্ত ও সাধারণ সম্পাদক মাহতাবুর আলম জাপ্পিকে অনুমোদন দেওয়া হইল’- এমন একটি ছবি জাপ্পির ভাই শাহীনের কাছে হোয়াটসঅ্যাপে পাঠান অভিযুক্ত দুই নেতা। যার নিচে এর নিচে জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি সাইদুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক মহিবুর রহমান মাহির স্বাক্ষর ছিল।

LEAVE A REPLY